০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
পর্যটনেই ভর করে বদলে যাবে গ্রেট নিকোবর: বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন অর্থনীতির স্বপ্ন পাঞ্জাবে নতুন ধারার চার্চে ভিড়, বিশ্বাস নাকি বিতর্ক—ধর্মান্তর আইন ঘিরে বাড়ছে উত্তাপ লুকিয়ে থাকা থেকে আশার পথে: বস্তারে মাওবাদী প্রভাব কমার পেছনের বাস্তব চিত্র ব্রিটেনে সহায়ক মৃত্যুর আইন থমকে: জনসমর্থন থাকলেও সংসদে কেন আটকে গেল বিতর্কিত বিল চীনের ছোট শহরে বার্গারের দখল: নতুন বাজারে ঝুঁকি নিয়েও এগোচ্ছে বহুজাতিক ফাস্টফুড জায়ান্ট চীন কি গোপনে ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নতুন আশঙ্কা ফ্রিজড মানি ছাড় নিয়ে বিভ্রান্তি, আলোচনার আগেই নতুন শর্ত তুলল ইরান ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধ: সরাসরি আলোচনার প্রস্তুতি, তবে সমাধান এখনো দূরে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত, মাইন অপসারণে সমস্যায় ইরান শান্তি আলোচনায় দুই পক্ষের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

বাংলাদেশ–চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব ও ডিআরইউ মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 চীন ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমের মধ্যে বিনিময় বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করল ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব। মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত সিএমজি বাংলার ঢাকা অফিসে এই সমঝোতা স্বারক সাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে যার যার সংগঠনের পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেল এবং বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাবের প্রতিনিধি অলিভিয়া ছু।

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ’র সকল অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে সিএমজির বাংলা বিভাগের পরিচালক ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী বলেন, গেল ৫০ বছরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। এই সম্পর্ক উন্নয়নে অন্যতম ভূমিকা রাখে মিডিয়া। আজকের এ সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, চীনা সংগঠনের সঙ্গে সেতু বন্ধনের কাজ করতে পারে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব।

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন বলেন, বাংলাদেশ ও চায়নার যে দীর্ঘ সম্পর্ক, এই সম্পর্কের সাথে বাংলাদেশ ও চায়না মিডিয়ার একটা যোগসূত্র তৈরি হওয়া খুব দরকার ছিল। আজকের আয়োজনের মধ্যদিয়ে সেটি হলো।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সামনের দিনগুলোতে প্রযুক্তির পথে, উন্নয়নের পথে আমরা একসাথে হাটতে চাই।

ডিআরইউ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আনোয়ার বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা চীন সম্পর্কিত নিউজ যদি চীনের মিডিয়া থেকে নেয়, তাহলে সঠিক তথ্য পাবে। আমরা বিদেশি মিডিয়ার মধ্য দিয়ে চীনকে নয়, সরাসরি চীনের চোখে চীনকে দেখতে চাই।

ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেল বলেন, আজকের এই সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে চীনের পর্যটন খাত, স্বাস্থ্য, শিক্ষা নানা বিষয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। গেল ৫০ বছরে চীন ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডি আরইউ-এর ভাইস প্রেসিডেন্টসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এবং সিএমজি বাংলার ঢাকা অফিসের সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠানে দুই সংগঠন কীভাবে সাংবাদিকদের মধ্যে তথ্য বিনিময়, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, বেস্ট রিপোর্টিং এওয়ার্ডের মতো নানা বিষয়ে আরও সম্প্রীতি বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন উপস্থিত অতিথিরা।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ-চায়না মিডিয়া ক্লাব। অন্যদিকে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৫ সালের ২৬ মে।

সিএমজি বাংলা

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটনেই ভর করে বদলে যাবে গ্রেট নিকোবর: বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন অর্থনীতির স্বপ্ন

বাংলাদেশ–চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব ও ডিআরইউ মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

০৫:৪২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 চীন ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমের মধ্যে বিনিময় বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করল ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব। মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত সিএমজি বাংলার ঢাকা অফিসে এই সমঝোতা স্বারক সাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে যার যার সংগঠনের পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেল এবং বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাবের প্রতিনিধি অলিভিয়া ছু।

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ’র সকল অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে সিএমজির বাংলা বিভাগের পরিচালক ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী বলেন, গেল ৫০ বছরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। এই সম্পর্ক উন্নয়নে অন্যতম ভূমিকা রাখে মিডিয়া। আজকের এ সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, চীনা সংগঠনের সঙ্গে সেতু বন্ধনের কাজ করতে পারে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব।

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন বলেন, বাংলাদেশ ও চায়নার যে দীর্ঘ সম্পর্ক, এই সম্পর্কের সাথে বাংলাদেশ ও চায়না মিডিয়ার একটা যোগসূত্র তৈরি হওয়া খুব দরকার ছিল। আজকের আয়োজনের মধ্যদিয়ে সেটি হলো।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সামনের দিনগুলোতে প্রযুক্তির পথে, উন্নয়নের পথে আমরা একসাথে হাটতে চাই।

ডিআরইউ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আনোয়ার বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা চীন সম্পর্কিত নিউজ যদি চীনের মিডিয়া থেকে নেয়, তাহলে সঠিক তথ্য পাবে। আমরা বিদেশি মিডিয়ার মধ্য দিয়ে চীনকে নয়, সরাসরি চীনের চোখে চীনকে দেখতে চাই।

ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেল বলেন, আজকের এই সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে চীনের পর্যটন খাত, স্বাস্থ্য, শিক্ষা নানা বিষয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। গেল ৫০ বছরে চীন ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডি আরইউ-এর ভাইস প্রেসিডেন্টসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা এবং সিএমজি বাংলার ঢাকা অফিসের সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠানে দুই সংগঠন কীভাবে সাংবাদিকদের মধ্যে তথ্য বিনিময়, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, বেস্ট রিপোর্টিং এওয়ার্ডের মতো নানা বিষয়ে আরও সম্প্রীতি বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন উপস্থিত অতিথিরা।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ-চায়না মিডিয়া ক্লাব। অন্যদিকে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৫ সালের ২৬ মে।

সিএমজি বাংলা