১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
তেলের যুদ্ধেই বদলে যাচ্ছে শক্তির হিসাব, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উত্থানে নতুন দিশা বৃষ্টি, কালবৈশাখী, ঘূর্ণিঝড়, লঘুচাপ-মে মাসে কেমন থাকবে বাংলাদেশের আবহাওয়া? বর্তমান ইরান ২০১৫ সালের চেয়ে ভিন্ন—এখন আইআরজিসির প্রভাব আরও বেশি ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৪৮)

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

দ্বিতীয় নিয়মটি হচ্ছে-

অবশ্য ব্রাহ্মস্কুট সিদ্ধান্তের বিখ্যাত টীকাকার পৃথুদকস্বামী দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। মহাবীর, নেমীচন্দ্র প্রমুখ গণিতবিদেরাও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।

মহাবীর গণিতসারসংগ্রহে সাধারণ অন্তর, প্রথম পদ ও পদসংখ্যা বের করতে গিয়ে তিনটি সূত্র দিয়েছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৭ এবং ১০১ শ্লোকে বলেছেন-

 গুণধনমাদিবিভক্তং যত,পদ নিতবধসমং স এব চয়ঃ

গচ্ছপ্রমগুণপ্রহৃতং গুণিতং ভবেত, প্রভবঃ।

যার সংক্ষিপ্ত মমার্থ হচ্ছে-

পদসংখ্যা নির্ণয় করবার সূত্র ১৮ তম শ্লোকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন-

মুখভক্তে গুণবিত্তে যথা নিরগ্রং তথা গুণনেহৃতে

যাবত যোহত্র শলাকাস্তাবান্ গচ্ছো গুণধনস্থা।

মহাবীরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে গুণোত্তর শ্রেণীর যোগফল নির্ণয় করা। তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৩১৪-তম শ্লোকে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন:

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা

ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

(চলবে)

 

তেলের যুদ্ধেই বদলে যাচ্ছে শক্তির হিসাব, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উত্থানে নতুন দিশা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৪৮)

০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

দ্বিতীয় নিয়মটি হচ্ছে-

অবশ্য ব্রাহ্মস্কুট সিদ্ধান্তের বিখ্যাত টীকাকার পৃথুদকস্বামী দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। মহাবীর, নেমীচন্দ্র প্রমুখ গণিতবিদেরাও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।

মহাবীর গণিতসারসংগ্রহে সাধারণ অন্তর, প্রথম পদ ও পদসংখ্যা বের করতে গিয়ে তিনটি সূত্র দিয়েছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৭ এবং ১০১ শ্লোকে বলেছেন-

 গুণধনমাদিবিভক্তং যত,পদ নিতবধসমং স এব চয়ঃ

গচ্ছপ্রমগুণপ্রহৃতং গুণিতং ভবেত, প্রভবঃ।

যার সংক্ষিপ্ত মমার্থ হচ্ছে-

পদসংখ্যা নির্ণয় করবার সূত্র ১৮ তম শ্লোকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন-

মুখভক্তে গুণবিত্তে যথা নিরগ্রং তথা গুণনেহৃতে

যাবত যোহত্র শলাকাস্তাবান্ গচ্ছো গুণধনস্থা।

মহাবীরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে গুণোত্তর শ্রেণীর যোগফল নির্ণয় করা। তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৩১৪-তম শ্লোকে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন:

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা

ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

(চলবে)