০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
এত বিপুল সংখ্যক শিশুমৃত্যু বাংলাদেশ আগে কখনও দেখেনি কেপ ভার্দের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে, উরুগুয়ের বিপক্ষেও চমক দেখাতে প্রস্তুত ব্লু শার্কস বাবার নীরব ভালোবাসা: স্মৃতি, ত্যাগ আর অটুট বন্ধনের গল্প চালকের উদ্বেগ কমিয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে ঝড় তুলেছে প্রোটন বাবার অসমান পায়ের পথচলার ঋণ শোধে জীবন উৎসর্গ মেয়ের বাবার ভালোবাসা সব সময় বলা হয় না, কখনও কখনও তা শুধু ত্যাগেই লেখা থাকে বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে বৈষম্যের অভিযোগ, ক্ষোভে ফুটবল ফেডারেশন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ৫০ বিলিয়ন ডলারের আইনি লড়াই: ইউকোস মামলা নিয়ে নতুন বইয়ে ক্ষমতা ও ন্যায়বিচারের গল্প রকির লড়াকু মানসিকতায় অনুপ্রাণিত ব্রাজিল, লক্ষ্য বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দাপট স্বপ্নের বিশ্বকাপ মঞ্চে কেপ ভার্দের লোপেস, শিক্ষা আর সাহসেই বদলে গেল জীবন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৪৮)

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

দ্বিতীয় নিয়মটি হচ্ছে-

অবশ্য ব্রাহ্মস্কুট সিদ্ধান্তের বিখ্যাত টীকাকার পৃথুদকস্বামী দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। মহাবীর, নেমীচন্দ্র প্রমুখ গণিতবিদেরাও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।

মহাবীর গণিতসারসংগ্রহে সাধারণ অন্তর, প্রথম পদ ও পদসংখ্যা বের করতে গিয়ে তিনটি সূত্র দিয়েছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৭ এবং ১০১ শ্লোকে বলেছেন-

 গুণধনমাদিবিভক্তং যত,পদ নিতবধসমং স এব চয়ঃ

গচ্ছপ্রমগুণপ্রহৃতং গুণিতং ভবেত, প্রভবঃ।

যার সংক্ষিপ্ত মমার্থ হচ্ছে-

পদসংখ্যা নির্ণয় করবার সূত্র ১৮ তম শ্লোকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন-

মুখভক্তে গুণবিত্তে যথা নিরগ্রং তথা গুণনেহৃতে

যাবত যোহত্র শলাকাস্তাবান্ গচ্ছো গুণধনস্থা।

মহাবীরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে গুণোত্তর শ্রেণীর যোগফল নির্ণয় করা। তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৩১৪-তম শ্লোকে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন:

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা

ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

এত বিপুল সংখ্যক শিশুমৃত্যু বাংলাদেশ আগে কখনও দেখেনি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৪৮)

০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

দ্বিতীয় নিয়মটি হচ্ছে-

অবশ্য ব্রাহ্মস্কুট সিদ্ধান্তের বিখ্যাত টীকাকার পৃথুদকস্বামী দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। মহাবীর, নেমীচন্দ্র প্রমুখ গণিতবিদেরাও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।

মহাবীর গণিতসারসংগ্রহে সাধারণ অন্তর, প্রথম পদ ও পদসংখ্যা বের করতে গিয়ে তিনটি সূত্র দিয়েছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৭ এবং ১০১ শ্লোকে বলেছেন-

 গুণধনমাদিবিভক্তং যত,পদ নিতবধসমং স এব চয়ঃ

গচ্ছপ্রমগুণপ্রহৃতং গুণিতং ভবেত, প্রভবঃ।

যার সংক্ষিপ্ত মমার্থ হচ্ছে-

পদসংখ্যা নির্ণয় করবার সূত্র ১৮ তম শ্লোকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন-

মুখভক্তে গুণবিত্তে যথা নিরগ্রং তথা গুণনেহৃতে

যাবত যোহত্র শলাকাস্তাবান্ গচ্ছো গুণধনস্থা।

মহাবীরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে গুণোত্তর শ্রেণীর যোগফল নির্ণয় করা। তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৩১৪-তম শ্লোকে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন:

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা

ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

(চলবে)