০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

১৯২৯ সালের মহামন্দা ফিরে আসবে: শুল্ক নীতিতে হস্তক্ষেপে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

শুল্ক কার্যকরের পর ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তাঁর আরোপিত বিস্তৃত শুল্কনীতি দেশের শেয়ারবাজারে রেকর্ড বৃদ্ধি এবং সরকারি আয়ে নজিরবিহীন প্রবাহ এনেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি আদালত এই নীতি বাতিল করে, তাহলে ১৯২৯ সালের মতো আরেকটি মহামন্দা নেমে আসবে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “শুল্ক শেয়ারবাজারে বিশাল ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রায় প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়া হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, “শত শত বিলিয়ন ডলার” সরকারি কোষাগারে প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু “র‌্যাডিকাল লেফট” আদালত যদি এই পদক্ষেপ বাতিল করে, তবে “আবার ১৯২৯ সালের মতো মহামন্দা” দেখা দেবে।

শুল্কের নতুন কাঠামো
এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ৬০টিরও বেশি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ বা তার বেশি শুল্ক কার্যকর হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে এখন ১৫ শতাংশ শুল্ক, আর তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের আমদানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক ধার্য হয়েছে।

কয়েক দিন আগে ট্রাম্প ভারতের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেন। রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের মোট শুল্কহার দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে। একই সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রপ্তানি, ওষুধ ও কম্পিউটার চিপের ওপরও উচ্চ হারে কর আরোপ করা হয়েছে।

আমেরিকার শক্তি ও সম্পদ রক্ষার যুক্তি
ট্রাম্পের ভাষায়, আমেরিকার “সম্পদ, শক্তি ও ক্ষমতা” রক্ষায় এই শুল্ক অপরিহার্য। তাঁর মতে, যারা এর বিরোধিতা করছেন, তাদের শুরুতেই চ্যালেঞ্জ করা উচিত ছিল—এখন নয়, যখন এর সুফল দৃশ্যমান। তিনি লিখেছেন, “আমাদের দেশ সাফল্য ও মহিমার দাবিদার, বিশৃঙ্খলা, ব্যর্থতা ও লজ্জার নয়। ঈশ্বর আমেরিকাকে আশীর্বাদ করুন।”

সমালোচনা ও ট্রাম্পের পাল্টা যুক্তি
যদিও অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ সতর্ক করে বলছেন, শুল্কের কারণে নিয়োগ কমছে, দাম বাড়ছে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক চাপে পড়ছে, তবুও ট্রাম্প এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের এপ্রিল থেকে ২৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধির উদাহরণ দেন। তিনি সাম্প্রতিক করছাড় নীতির কথাও উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, অর্থনীতি “অভূতপূর্ব” প্রবৃদ্ধির পথে রয়েছে।

নিজেকে বিশেষভাবে প্রস্তুত নেতা হিসেবে উপস্থাপন
ট্রাম্প লেখেন, “ইতিহাসে কেউ এমন পরীক্ষা, দুর্যোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যায়নি, যেমন আমি গিয়েছি।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “অবিশ্বাস্য সুন্দর কিছু ঘটতে পারে।”


জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

১৯২৯ সালের মহামন্দা ফিরে আসবে: শুল্ক নীতিতে হস্তক্ষেপে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

১১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

শুল্ক কার্যকরের পর ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তাঁর আরোপিত বিস্তৃত শুল্কনীতি দেশের শেয়ারবাজারে রেকর্ড বৃদ্ধি এবং সরকারি আয়ে নজিরবিহীন প্রবাহ এনেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি আদালত এই নীতি বাতিল করে, তাহলে ১৯২৯ সালের মতো আরেকটি মহামন্দা নেমে আসবে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “শুল্ক শেয়ারবাজারে বিশাল ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রায় প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়া হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, “শত শত বিলিয়ন ডলার” সরকারি কোষাগারে প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু “র‌্যাডিকাল লেফট” আদালত যদি এই পদক্ষেপ বাতিল করে, তবে “আবার ১৯২৯ সালের মতো মহামন্দা” দেখা দেবে।

শুল্কের নতুন কাঠামো
এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ৬০টিরও বেশি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ বা তার বেশি শুল্ক কার্যকর হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে এখন ১৫ শতাংশ শুল্ক, আর তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের আমদানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক ধার্য হয়েছে।

কয়েক দিন আগে ট্রাম্প ভারতের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেন। রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের মোট শুল্কহার দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে। একই সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রপ্তানি, ওষুধ ও কম্পিউটার চিপের ওপরও উচ্চ হারে কর আরোপ করা হয়েছে।

আমেরিকার শক্তি ও সম্পদ রক্ষার যুক্তি
ট্রাম্পের ভাষায়, আমেরিকার “সম্পদ, শক্তি ও ক্ষমতা” রক্ষায় এই শুল্ক অপরিহার্য। তাঁর মতে, যারা এর বিরোধিতা করছেন, তাদের শুরুতেই চ্যালেঞ্জ করা উচিত ছিল—এখন নয়, যখন এর সুফল দৃশ্যমান। তিনি লিখেছেন, “আমাদের দেশ সাফল্য ও মহিমার দাবিদার, বিশৃঙ্খলা, ব্যর্থতা ও লজ্জার নয়। ঈশ্বর আমেরিকাকে আশীর্বাদ করুন।”

সমালোচনা ও ট্রাম্পের পাল্টা যুক্তি
যদিও অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ সতর্ক করে বলছেন, শুল্কের কারণে নিয়োগ কমছে, দাম বাড়ছে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক চাপে পড়ছে, তবুও ট্রাম্প এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের এপ্রিল থেকে ২৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধির উদাহরণ দেন। তিনি সাম্প্রতিক করছাড় নীতির কথাও উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, অর্থনীতি “অভূতপূর্ব” প্রবৃদ্ধির পথে রয়েছে।

নিজেকে বিশেষভাবে প্রস্তুত নেতা হিসেবে উপস্থাপন
ট্রাম্প লেখেন, “ইতিহাসে কেউ এমন পরীক্ষা, দুর্যোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যায়নি, যেমন আমি গিয়েছি।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “অবিশ্বাস্য সুন্দর কিছু ঘটতে পারে।”