০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পিতাকে হারিয়ে বড় হওয়া কন্যা, আজ স্বপ্ন পূরণ: ভিন্ন জীবনের পথে ভিনি টান মিডিয়াকর্পের ২০২৬ বিশ্বকাপ সংগ্রহ: ‘জাতীয় সেবা’ নাকি ব্যবসায়িক কৌশল? আসিয়ান কি মায়ানমারের নির্বাচন স্বীকৃতি দেবে? বিভাজন, রাজনৈতিক দ্বিধা ও ভবিষ্যতের অচেনা পথ কৌশলগত এআই ব্যবহারেই ব্যবসা সফল করতে চান সিঙ্গাপুর সরকার: কীভাবে শুরু করবেন বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করল ‘নকল নোট’ ব্যবহারের বিষয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে প্রশ্নে অনিশ্চয়তায় বিএনপি মঙ্গলবার সিলেটে কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য ট্রাফিক নির্দেশিকা জারি ঢাকার স্টক এক্সচেঞ্জে ঝড়ের পর পতন, লেনদেন কমেছে জাতীয় নির্বাচন ইতিহাসে ‘রোল মডেল’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মূল্যায়ন

পদত্যাগের বিষয়ে যা বললেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:১১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 148

সারাক্ষণ ডেস্ক

হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতায়েহ। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে কার্যত ফিলিস্তিনের ক্ষমতাসীন সরকারের পতন হয়েছে।

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর মোহাম্মদ শতায়েহ বলেন, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে নজিরবিহীন সহিংসতা বৃদ্ধি এবং গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ, গণহত্যা ও অনাহারের পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি সামনে পরবর্তী ধাপ দেখতে পাচ্ছি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গাজার নতুন বাস্তবতাকে বিবেচনা নতুন সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজন।

গত অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে রদবদল করতে মাহমুদ আব্বাসকে চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ শুধু অধিকৃত পশ্চিম তীরের কিছু অংশ শাসন করলেও যুদ্ধ শেষে গাজার শাসন ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে চায় ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন প্রস্তাব বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একাধিকবার নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দেশি-বিদেশি চাপের মুখে গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা নিয়ে একট পরিকল্পনা প্রকাশ করলেও সেখানে এমন কোনো কিছুর কথা উল্লেখ করেননি নেতানিয়াহু।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলিকে হত্যার পাশাপাশি প্রায় ২৫০ ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে গাজায় বন্দি করে নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসকে নির্মূল এবং বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। গত নভেম্বরে সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিনিময়ে ১১০ ইসরায়েলি বন্দিকে হামাস মুক্তি দিলেও এখনো তাদের হাতে ১৩০ জনের মতো বন্দি আছেন।

অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৭৮২ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত আহত হয়েছে ৭০ হাজার ৪৩ জন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পিতাকে হারিয়ে বড় হওয়া কন্যা, আজ স্বপ্ন পূরণ: ভিন্ন জীবনের পথে ভিনি টান

পদত্যাগের বিষয়ে যা বললেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী

০৫:১১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতায়েহ। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এর মাধ্যমে কার্যত ফিলিস্তিনের ক্ষমতাসীন সরকারের পতন হয়েছে।

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর মোহাম্মদ শতায়েহ বলেন, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে নজিরবিহীন সহিংসতা বৃদ্ধি এবং গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ, গণহত্যা ও অনাহারের পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি সামনে পরবর্তী ধাপ দেখতে পাচ্ছি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গাজার নতুন বাস্তবতাকে বিবেচনা নতুন সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজন।

গত অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে রদবদল করতে মাহমুদ আব্বাসকে চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ শুধু অধিকৃত পশ্চিম তীরের কিছু অংশ শাসন করলেও যুদ্ধ শেষে গাজার শাসন ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে চায় ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন প্রস্তাব বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একাধিকবার নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দেশি-বিদেশি চাপের মুখে গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা নিয়ে একট পরিকল্পনা প্রকাশ করলেও সেখানে এমন কোনো কিছুর কথা উল্লেখ করেননি নেতানিয়াহু।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলিকে হত্যার পাশাপাশি প্রায় ২৫০ ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে গাজায় বন্দি করে নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসকে নির্মূল এবং বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। গত নভেম্বরে সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিনিময়ে ১১০ ইসরায়েলি বন্দিকে হামাস মুক্তি দিলেও এখনো তাদের হাতে ১৩০ জনের মতো বন্দি আছেন।

অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৭৮২ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত আহত হয়েছে ৭০ হাজার ৪৩ জন।