০৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের ১৬টি মাইন বসানো নৌযান ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র তেল ছাড়লেও থামবে না সংকট! ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আশঙ্কা ইরানের নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন হামলা ইসরায়েলের শিল্পপতির বাড়িতে গুলিবর্ষণ: সাজ্জাদ বাহিনীর তিন সদস্য এসএমজিসহ গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধের প্রভাব: জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বসন্তকালীন সুদহার বাড়ানোর পূর্বাভাসে নতুন অনিশ্চয়তা এশিয়ায় পরীক্ষিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা কৌশল ট্রাম্প কি ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে সত্যিই জানেন? বিতর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চীনা বিনিয়োগের জন্যে বিদেশি বিনিয়োগ নীতি শিথিল করলো ভারত গাজায় নারীদের ‘বেঁচে থাকার ন্যূনতম শর্ত’ থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে: অ্যামনেস্টি মুন্সীগঞ্জ–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ আর নেই

শ্রীদেবীতেই অনুপ্রাণিত ইধিকা পাল

দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা ইধিকা পাল। আরশাদ আদনান প্রযোজিত হিমেল আশরাফ পরিচালিত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে বাংলাদেশেই তার প্রথম অভিষেক হয়। বিপরীতে ছিলেন বাংলাদেশের সিনেমার গর্ব সুপারস্টার শাকিব খান। এরপর কলকাতায় ইধিকা অভিনীত ‘খাদান’ মুক্তি পায়। এই সিনেমা দিয়েও কলকাতার সিনেমাপ্রেমী দর্শকের মন জয় করে নেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন দেব। পরে বাংলাদেশে মুক্তি পায় শাকিব খানের সঙ্গে ‘বরবাদ’ সিনেমাটি। এই সিনেমাটি ব্যবসা সফল হয়। অর্থাৎ ইধিকা অভিনীত তিনটি সিনেমা ‘প্রিয়তমা’,‘ খাদান’ ও ‘বরবাদ’ ব্যবসা সফল সিনেমা।

সিনেমার মানুষেরা ইধিকাকে লাকি নায়িকা হিসেবেই বিবেচনা করেন। ইধিকার জন্ম ১৯৯৮ সালের ২ জুলাই। অন্যদিকে ইধিকার সবচেয়ে প্রিয় নায়িকা ভারতের হিন্দী সিনেমায় একটা সময় একচ্ছত্র আধিপত্য করা নায়িকা শ্রীদেবী। ইধিকার জন্মের প্রায় দশ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৮৭ সালের ২৯ মে মুক্তি পায় শ্রীদেবী ও অনিল কাপুর অভিনীত শেখর কাপুর পরিচালিত ‘মিস্টার ইণ্ডিয়া’ সিনেমাটি। ৩৮ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত এই সিনেমাটি তখন ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছিলো। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছিলো বনি কাপুর ও সুরিন্দর কাপুর। শ্রীদেবী অভিনীত এই সিনেমাটিই ইধিকার অন্যতম প্রিয় একটি সিনেমা।

ইধিকা তার জন্মের পর শ্রীদেবীকে নিয়ে তার বাবা মায়ের কাছে অনেক গল্প শুনেছেন। আবার বাবা মায়ের সঙ্গে বসেই শ্রীদেবী অভিনীত অনেক সিনেমাও উপভোগ করেছেন। আর এভাবেই একটা সময় শ্রীদেবীই হয়ে উঠেন ইধিকার কাছে সবচেয়ে প্রিয় নায়িকা। প্রিয় নায়িকাকে ছোটবেলা থেকেই ফলো করা শুরু করেন। শ্রীদেবী যখন যে সিনেমাতে যে গেটআপ নিতেন, নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তেমনই করার চেষ্টা করতেন। বলা যায় ইধিকার অভিনয়ে আসার অনুপ্রেরণাই শ্রীদেবী। মিস্টার ইণ্ডিয়া সিনেমায় জাভেদ আক্তারের লেখা, লক্ষীকান্ত শান্তারাম কুদালকারের সঙ্গীত পরিচালনায় কিশোর কুমার ও আলিশা চিনাইয়ের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘কাটে নাহি কাট তে’ গানে পারফর্ম করেছিলেন শ্রীদেবী ও অনিল কাপুর।

বিশেষ করে এই গানে শ্রীদেবীর অনবদ্য পারফর্ম্যান্সে তখন সারা ভারতজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। এই গানেই শ্রীদেবী যেভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন ঠিক তেমন করেই ইধিকা পাল নিজেকে সাজিয়ে ছিলেন শুধুই নিজের ভালোলাগা থেকে। শ্রীদেবীতে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি শুধুই নিজের আত্নতৃপ্তির জন্য এভাবে কিছু ছবিও তোলেন ইধিকা পাল। ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার পর বেশ সাড়া পড়ে। ইধিকা পালন বলেন,‘ ভারতের সিনেমার এক কিংবদন্তীর নাম শ্রীদেবী। ক’দিন আগেই ছিলো তাঁর জন্মদিন।

তাঁর জন্মদিনে তারই প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, ভালোবাসা জানিয়ে তাকে উৎসর্গ করেই মিস্টার ইণ্ডিয়া সিনেমায় কাটে নাহি কাট তে গানে তিনি যেভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন সেই গেটআপে আমি শুধু কিছু ছবি তোলে পোস্ট করার মধ্যদিয়ে তাকে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানোর চেষ্টা করেছি। তিনি সবসময় আমার মনে মননে আছেন। কারণ তিনিই আমার অভিনয়ের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। জানি তার মতো হওয়া কোনোদিনও সম্ভব নয়, কারণ তিনি অদ্বিতীয়া। তারপরও তাকে বুকে লালন করে ধারণ করে এগিয়ে চলাটাও আমার জন্য অনেক প্রশান্তির। তিনি অনেক মহান, অনেক বড় একজন তারকা। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন আর যদি কোনো একটি সিনেমায় তারসঙ্গে একটি দৃশ্যের যদি অভিনয় করার সুযোগ পেতাম সেটাই হতো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার প্রিয় এই মহান শিল্পীর আত্নার শান্তি কামনা করছি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের ১৬টি মাইন বসানো নৌযান ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র

শ্রীদেবীতেই অনুপ্রাণিত ইধিকা পাল

০৬:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা ইধিকা পাল। আরশাদ আদনান প্রযোজিত হিমেল আশরাফ পরিচালিত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে বাংলাদেশেই তার প্রথম অভিষেক হয়। বিপরীতে ছিলেন বাংলাদেশের সিনেমার গর্ব সুপারস্টার শাকিব খান। এরপর কলকাতায় ইধিকা অভিনীত ‘খাদান’ মুক্তি পায়। এই সিনেমা দিয়েও কলকাতার সিনেমাপ্রেমী দর্শকের মন জয় করে নেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন দেব। পরে বাংলাদেশে মুক্তি পায় শাকিব খানের সঙ্গে ‘বরবাদ’ সিনেমাটি। এই সিনেমাটি ব্যবসা সফল হয়। অর্থাৎ ইধিকা অভিনীত তিনটি সিনেমা ‘প্রিয়তমা’,‘ খাদান’ ও ‘বরবাদ’ ব্যবসা সফল সিনেমা।

সিনেমার মানুষেরা ইধিকাকে লাকি নায়িকা হিসেবেই বিবেচনা করেন। ইধিকার জন্ম ১৯৯৮ সালের ২ জুলাই। অন্যদিকে ইধিকার সবচেয়ে প্রিয় নায়িকা ভারতের হিন্দী সিনেমায় একটা সময় একচ্ছত্র আধিপত্য করা নায়িকা শ্রীদেবী। ইধিকার জন্মের প্রায় দশ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৮৭ সালের ২৯ মে মুক্তি পায় শ্রীদেবী ও অনিল কাপুর অভিনীত শেখর কাপুর পরিচালিত ‘মিস্টার ইণ্ডিয়া’ সিনেমাটি। ৩৮ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত এই সিনেমাটি তখন ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছিলো। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছিলো বনি কাপুর ও সুরিন্দর কাপুর। শ্রীদেবী অভিনীত এই সিনেমাটিই ইধিকার অন্যতম প্রিয় একটি সিনেমা।

ইধিকা তার জন্মের পর শ্রীদেবীকে নিয়ে তার বাবা মায়ের কাছে অনেক গল্প শুনেছেন। আবার বাবা মায়ের সঙ্গে বসেই শ্রীদেবী অভিনীত অনেক সিনেমাও উপভোগ করেছেন। আর এভাবেই একটা সময় শ্রীদেবীই হয়ে উঠেন ইধিকার কাছে সবচেয়ে প্রিয় নায়িকা। প্রিয় নায়িকাকে ছোটবেলা থেকেই ফলো করা শুরু করেন। শ্রীদেবী যখন যে সিনেমাতে যে গেটআপ নিতেন, নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তেমনই করার চেষ্টা করতেন। বলা যায় ইধিকার অভিনয়ে আসার অনুপ্রেরণাই শ্রীদেবী। মিস্টার ইণ্ডিয়া সিনেমায় জাভেদ আক্তারের লেখা, লক্ষীকান্ত শান্তারাম কুদালকারের সঙ্গীত পরিচালনায় কিশোর কুমার ও আলিশা চিনাইয়ের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘কাটে নাহি কাট তে’ গানে পারফর্ম করেছিলেন শ্রীদেবী ও অনিল কাপুর।

বিশেষ করে এই গানে শ্রীদেবীর অনবদ্য পারফর্ম্যান্সে তখন সারা ভারতজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। এই গানেই শ্রীদেবী যেভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন ঠিক তেমন করেই ইধিকা পাল নিজেকে সাজিয়ে ছিলেন শুধুই নিজের ভালোলাগা থেকে। শ্রীদেবীতে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি শুধুই নিজের আত্নতৃপ্তির জন্য এভাবে কিছু ছবিও তোলেন ইধিকা পাল। ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার পর বেশ সাড়া পড়ে। ইধিকা পালন বলেন,‘ ভারতের সিনেমার এক কিংবদন্তীর নাম শ্রীদেবী। ক’দিন আগেই ছিলো তাঁর জন্মদিন।

তাঁর জন্মদিনে তারই প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, ভালোবাসা জানিয়ে তাকে উৎসর্গ করেই মিস্টার ইণ্ডিয়া সিনেমায় কাটে নাহি কাট তে গানে তিনি যেভাবে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন সেই গেটআপে আমি শুধু কিছু ছবি তোলে পোস্ট করার মধ্যদিয়ে তাকে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানোর চেষ্টা করেছি। তিনি সবসময় আমার মনে মননে আছেন। কারণ তিনিই আমার অভিনয়ের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। জানি তার মতো হওয়া কোনোদিনও সম্ভব নয়, কারণ তিনি অদ্বিতীয়া। তারপরও তাকে বুকে লালন করে ধারণ করে এগিয়ে চলাটাও আমার জন্য অনেক প্রশান্তির। তিনি অনেক মহান, অনেক বড় একজন তারকা। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন আর যদি কোনো একটি সিনেমায় তারসঙ্গে একটি দৃশ্যের যদি অভিনয় করার সুযোগ পেতাম সেটাই হতো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার প্রিয় এই মহান শিল্পীর আত্নার শান্তি কামনা করছি।’