০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
শুধু দ্রুত প্রবৃদ্ধি নয়, ব্রিটেনের নতুন উদ্যোক্তারা আসলে সমাজের নতুন চাহিদার প্রতিচ্ছবি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রশিক্ষণে তরুণদের চুক্তি আলোচনার দক্ষতা উন্নয়ন  ৭ জুন নিজস্ব সম্পদ রক্ষার স্মারক ও পথ হিসেবে সকলেরই পালন জরুরি  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চিপ উন্মাদনা: স্থায়ী শিল্পবিপ্লব নাকি আরেকটি বাজার-ভ্রম? মতিঝিলে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই, সিসিটিভি ফুটেজে খোঁজ চলছে দুর্বৃত্তদের গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার নতুন ৯ম পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়ন, বেতন-ভাতায় বড় সুবিধা পাবেন চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীরা শূন্যরেখায় ৪০ ঘণ্টা আটকা ১১ জন, অনিশ্চয়তায় নারী-শিশুসহ পুশইনের শিকার পরিবার লেবাননে ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ সাতক্ষীরায়, শোকে স্তব্ধ দুই পরিবার ময়মনসিংহে বেইলি সেতু ধসে বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ, নদীতে পড়ল বালুবাহী ট্রাক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল

দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের নিয়ম বাতিল করেছে। এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীকের অধীনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকবে না।

অধ্যাদেশ কেন ও কিভাবে কার্যকর হলো

সোমবার গেজেট আকারে প্রকাশিত এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে চারটি বিদ্যমান স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো প্রার্থী আর দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

এর আগে ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চারটি খসড়া অধ্যাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। পরে ২৪ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতির পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

দলীয় প্রতীকের সূচনা ও বিতর্ক

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথম দলীয় প্রতীক চালু হয়। তবে শুরু থেকেই রাজনৈতিক মহল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন। তাদের মতে, দলীয় প্রতীক নির্বাচনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দলীয় প্রতিযোগিতা ও বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

কমিশনের দীর্ঘদিনের দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন বহুদিন ধরে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সুপারিশ করছিল। তাদের যুক্তি, দলীয় প্রতীক না থাকলে নিরপেক্ষ ও যোগ্য অনেক ব্যক্তি নির্বাচনে আসতে উৎসাহিত হবেন। এতে স্থানীয় সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে।

ভবিষ্যতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমবে, অন্যদিকে তৃণমূলের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে। ফলে যারা দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও জনপ্রিয় ও যোগ্য, তারাও নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু দ্রুত প্রবৃদ্ধি নয়, ব্রিটেনের নতুন উদ্যোক্তারা আসলে সমাজের নতুন চাহিদার প্রতিচ্ছবি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল

০২:১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের নিয়ম বাতিল করেছে। এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীকের অধীনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকবে না।

অধ্যাদেশ কেন ও কিভাবে কার্যকর হলো

সোমবার গেজেট আকারে প্রকাশিত এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে চারটি বিদ্যমান স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো প্রার্থী আর দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

এর আগে ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চারটি খসড়া অধ্যাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। পরে ২৪ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতির পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

দলীয় প্রতীকের সূচনা ও বিতর্ক

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথম দলীয় প্রতীক চালু হয়। তবে শুরু থেকেই রাজনৈতিক মহল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন। তাদের মতে, দলীয় প্রতীক নির্বাচনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দলীয় প্রতিযোগিতা ও বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

কমিশনের দীর্ঘদিনের দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন বহুদিন ধরে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সুপারিশ করছিল। তাদের যুক্তি, দলীয় প্রতীক না থাকলে নিরপেক্ষ ও যোগ্য অনেক ব্যক্তি নির্বাচনে আসতে উৎসাহিত হবেন। এতে স্থানীয় সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে।

ভবিষ্যতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমবে, অন্যদিকে তৃণমূলের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে। ফলে যারা দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও জনপ্রিয় ও যোগ্য, তারাও নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।