০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৫০; হাসপাতালে ভর্তি ১৪,৬৯০ আসামে বন্যায় মৃত বেড়ে ৭৫, ক্ষতিগ্রস্ত ১১ লাখের বেশি মানুষ একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা এখন জরুরি প্রয়োজনে তুলতে পারবেন ১০ লাখ টাকা নেপালে বাঘের সংখ্যা বেড়ে ৪২৯, ২০১০ সালের তুলনায় প্রায় চার গুণ কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ: মিরাজ শেখকে উদ্ধারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাইল আসক ক্ষমতার অসুখ: নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় বিপদ অহংকার নয়, জবাবদিহির অভাব ফরচুন গ্লোবাল ৫০০: আয় ধরে রাখলেও মুনাফায় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো চীনের নতুন রহস্যময় পারমাণবিক সাবমেরিন ঘিরে উদ্বেগ, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত বাংলাদেশে হামের মৃত্যু বেড়ে ৮৩১, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর প্রাণহানি শিক্ষককে বাদ দিয়ে নয়, প্রযুক্তিকে পাশে নিয়েই শিক্ষা সংস্কার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল

দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের নিয়ম বাতিল করেছে। এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীকের অধীনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকবে না।

অধ্যাদেশ কেন ও কিভাবে কার্যকর হলো

সোমবার গেজেট আকারে প্রকাশিত এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে চারটি বিদ্যমান স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো প্রার্থী আর দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

এর আগে ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চারটি খসড়া অধ্যাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। পরে ২৪ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতির পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

দলীয় প্রতীকের সূচনা ও বিতর্ক

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথম দলীয় প্রতীক চালু হয়। তবে শুরু থেকেই রাজনৈতিক মহল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন। তাদের মতে, দলীয় প্রতীক নির্বাচনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দলীয় প্রতিযোগিতা ও বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

কমিশনের দীর্ঘদিনের দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন বহুদিন ধরে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সুপারিশ করছিল। তাদের যুক্তি, দলীয় প্রতীক না থাকলে নিরপেক্ষ ও যোগ্য অনেক ব্যক্তি নির্বাচনে আসতে উৎসাহিত হবেন। এতে স্থানীয় সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে।

ভবিষ্যতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমবে, অন্যদিকে তৃণমূলের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে। ফলে যারা দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও জনপ্রিয় ও যোগ্য, তারাও নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৫০; হাসপাতালে ভর্তি ১৪,৬৯০

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল

০২:১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের নিয়ম বাতিল করেছে। এ বিষয়ে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীকের অধীনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকবে না।

অধ্যাদেশ কেন ও কিভাবে কার্যকর হলো

সোমবার গেজেট আকারে প্রকাশিত এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে চারটি বিদ্যমান স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো প্রার্থী আর দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

এর আগে ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চারটি খসড়া অধ্যাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। পরে ২৪ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতির পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

দলীয় প্রতীকের সূচনা ও বিতর্ক

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথম দলীয় প্রতীক চালু হয়। তবে শুরু থেকেই রাজনৈতিক মহল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিলেন। তাদের মতে, দলীয় প্রতীক নির্বাচনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দলীয় প্রতিযোগিতা ও বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

কমিশনের দীর্ঘদিনের দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন বহুদিন ধরে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সুপারিশ করছিল। তাদের যুক্তি, দলীয় প্রতীক না থাকলে নিরপেক্ষ ও যোগ্য অনেক ব্যক্তি নির্বাচনে আসতে উৎসাহিত হবেন। এতে স্থানীয় সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে।

ভবিষ্যতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমবে, অন্যদিকে তৃণমূলের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে। ফলে যারা দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও জনপ্রিয় ও যোগ্য, তারাও নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।