১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
কোন সময় ব্যায়াম করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে মোটরসাইকেল মালিকদের থেকে অগ্রিম আয়কর কীভাবে নেওয়া হবে এআই আতঙ্কে বিক্ষোভ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বক্তাদের হুটিং শাকিরার পক্ষে স্প্যানিশ আদালতের রায়, ফেরত পাচ্ছেন প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরো কঙ্গোতে ইবোলা আতঙ্কে শতাধিক মৃত্যু, সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিতে পুরো অঞ্চল ভারতে চাকরি কমাচ্ছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলো, এআই নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা রুশ তেল কেনা বন্ধ নয়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে না ভারত কঙ্গোয় ভয়াবহ ইবোলা আতঙ্ক, সীমান্তজুড়ে জরুরি সতর্কতা ট্রাম্পের মামলার সমঝোতায় ১৭৬ কোটি ডলারের তহবিল, নতুন বিতর্কে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের রান্নার গ্যাস সংকটের ধাক্কায় ক্যালিফোর্নিয়ায় জ্বালানির দাম বাড়ছে, গভীর হচ্ছে বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতা

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাস ও নেতৃত্ব নিয়ে নতুন গ্রন্থ

বই প্রকাশ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) ইতিহাস, নেতৃত্ব ও বিকাশ নিয়ে লেখা একটি নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যোগেশ সিং। বইটির নাম ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব দিল্লি – এ কমপ্রিহেনসিভ অ্যাকাউন্ট অব ইটস রেজিলিয়েন্স, নলেজ, লিডারশিপ অ্যান্ড গ্রোথ’। এটি রচনা করেছেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মনীষা চৌধুরী।

লেখকের অনুপ্রেরণা ও চ্যালেঞ্জ

মনীষা চৌধুরী জানান, বইটি লেখার পেছনে তাঁর মূল প্রেরণা ছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ যাত্রাপথকে লিপিবদ্ধ করা। তবে এ কাজে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সংরক্ষণাগারভিত্তিক দলিলপত্র খুঁজে বের করা, সেগুলো একত্রিত করা এবং সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা

চৌধুরী বইটিতে তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হরিসিংহ গৌর (১৯২২–১৯২৬) থেকে শুরু করে বর্তমান উপাচার্য যোগেশ সিং পর্যন্ত নেতৃত্বের যাত্রা। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে বিভিন্ন উপাচার্য সময়ের সীমাবদ্ধতা ও সুযোগের ভেতর দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়েছেন।
বইটিতে বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের মূল ধারণা, প্রক্রিয়া ও সংগ্রামের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি সংযুক্ত কলেজগুলো, স্কুল অব ওপেন লার্নিং এবং নন-কলেজিয়েট উইমেন্স এডুকেশন বোর্ড প্রতিষ্ঠার পেছনের ইতিহাসও বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে।

উপাচার্যের বক্তব্য

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য যোগেশ সিং বলেন, ১৯২২ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার যে বার্ষিক অনুদান দিয়েছিল, তার পরিমাণ ছিল মাত্র ২৫ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি অর্থবছরে সেই অনুদান বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার কোটি টাকারও বেশি।
তিনি আরও বলেন, এই অনুদান বৃদ্ধিই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমোন্নতি ও দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক।

বইটি শুধু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস নয়, বরং এর নেতৃত্ব, শিক্ষার বিকাশ ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি জাতির বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। লেখক মনীষা চৌধুরীর মতে, অতীতের সংগ্রাম ও বর্তমানের অগ্রগতির ধারাবাহিকতাই ভবিষ্যতের দিকনির্দেশক হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোন সময় ব্যায়াম করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাস ও নেতৃত্ব নিয়ে নতুন গ্রন্থ

১০:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বই প্রকাশ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) ইতিহাস, নেতৃত্ব ও বিকাশ নিয়ে লেখা একটি নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যোগেশ সিং। বইটির নাম ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব দিল্লি – এ কমপ্রিহেনসিভ অ্যাকাউন্ট অব ইটস রেজিলিয়েন্স, নলেজ, লিডারশিপ অ্যান্ড গ্রোথ’। এটি রচনা করেছেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মনীষা চৌধুরী।

লেখকের অনুপ্রেরণা ও চ্যালেঞ্জ

মনীষা চৌধুরী জানান, বইটি লেখার পেছনে তাঁর মূল প্রেরণা ছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ যাত্রাপথকে লিপিবদ্ধ করা। তবে এ কাজে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সংরক্ষণাগারভিত্তিক দলিলপত্র খুঁজে বের করা, সেগুলো একত্রিত করা এবং সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা

চৌধুরী বইটিতে তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হরিসিংহ গৌর (১৯২২–১৯২৬) থেকে শুরু করে বর্তমান উপাচার্য যোগেশ সিং পর্যন্ত নেতৃত্বের যাত্রা। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে বিভিন্ন উপাচার্য সময়ের সীমাবদ্ধতা ও সুযোগের ভেতর দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়েছেন।
বইটিতে বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের মূল ধারণা, প্রক্রিয়া ও সংগ্রামের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি সংযুক্ত কলেজগুলো, স্কুল অব ওপেন লার্নিং এবং নন-কলেজিয়েট উইমেন্স এডুকেশন বোর্ড প্রতিষ্ঠার পেছনের ইতিহাসও বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে।

উপাচার্যের বক্তব্য

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য যোগেশ সিং বলেন, ১৯২২ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার যে বার্ষিক অনুদান দিয়েছিল, তার পরিমাণ ছিল মাত্র ২৫ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি অর্থবছরে সেই অনুদান বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার কোটি টাকারও বেশি।
তিনি আরও বলেন, এই অনুদান বৃদ্ধিই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমোন্নতি ও দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক।

বইটি শুধু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস নয়, বরং এর নেতৃত্ব, শিক্ষার বিকাশ ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি জাতির বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। লেখক মনীষা চৌধুরীর মতে, অতীতের সংগ্রাম ও বর্তমানের অগ্রগতির ধারাবাহিকতাই ভবিষ্যতের দিকনির্দেশক হয়ে থাকবে।