০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য ‘শেনলং’ মহাকাশযানের চতুর্থ মিশন কক্ষপথে মাগুরায় ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ সদস্য নিহত ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জানিয়েছে সেনাবাহিনী তারেক রহমানকে ‘কাগুজে বাঘ’ বললেন নাসিরউদ্দিন, ছাত্রদল–যুবদলকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা কৃষিভিত্তিক শিল্পই বদলাতে পারে কৃষকের জীবন: তারেক রহমান পতনের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নেদারল্যান্ডসকে হারাল পাকিস্তান ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর যাত্রাশিল্পের পথিকৃৎ মিলন কান্তি দে আর নেই বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ, অনূর্ধ্ব উনিশ সাফে চ্যাম্পিয়ন ভারত বন্ধ ছয় চিনিকল চালুর দাবিতে ৩১ মার্চ শিল্প মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা

রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি আগস্ট থেকে কেন কমালো চীন?

আগস্টে রাশিয়া থেকে আমদানি হ্রাস

চীন আগস্ট মাসে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সরকারি তথ্য অনুসারে, আগের বছরের তুলনায় ১৫.২ শতাংশ কম তেল এসেছে, যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৯৪ মিলিয়ন টন। বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন—এটি সাময়িক পতন নাকি দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার ইঙ্গিত, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

অন্য দেশ থেকে বেশি আমদানি

তবে রাশিয়া থেকে কম আমদানির ঘাটতি পূরণ হয়েছে অন্য দেশ থেকে বেশি তেল কেনার মাধ্যমে। উদাহরণস্বরূপ, ব্রাজিল থেকে আমদানি বেড়েছে ৫০.৪ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ৫.১৯ মিলিয়ন টনে। আবার ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি প্রায় ৯০ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৬৬ মিলিয়ন টনে। ফলে আগস্টে চীনের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রায় অপরিবর্তিত থেকেছে, দাঁড়িয়েছে ৪৯.৪৯ মিলিয়ন টনে, যা গত বছরের তুলনায় মাত্র ০.৮ শতাংশ বেশি।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

ভর্টেক্সা নামের জ্বালানি বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক এমা লি মনে করেন, রাশিয়া থেকে আগস্টে তেল প্রবাহ কমে যাওয়াটা মূলত সাময়িক এবং উৎপাদন স্থাপনায় রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ঘটেছে। বিশেষ করে, রাশিয়ার ফার ইস্ট অঞ্চলের সাখালিন-১ প্রকল্প আগস্টে রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় ছিল বলে এর রপ্তানিমুখী উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে, ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক চিম লি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আগস্টের তথ্য ইঙ্গিত করছে যে গত বছরের শেষ দিক থেকে চীনের রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ধীরে ধীরে পতন হচ্ছে। যদিও কিছু মাসে যেমন জুলাইয়ে বৃদ্ধি দেখা গেছে, কিন্তু সামগ্রিক প্রবণতা হলো কমতির দিকে।

চীনের রাশিয়া থেকে তেল আমদানির এই হ্রাস আপাতত এককালীন ঘটনা নাকি দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অংশ, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে অন্য দেশ থেকে বাড়তি আমদানি করে চীন তার মোট সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য ‘শেনলং’ মহাকাশযানের চতুর্থ মিশন কক্ষপথে

রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি আগস্ট থেকে কেন কমালো চীন?

০২:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগস্টে রাশিয়া থেকে আমদানি হ্রাস

চীন আগস্ট মাসে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সরকারি তথ্য অনুসারে, আগের বছরের তুলনায় ১৫.২ শতাংশ কম তেল এসেছে, যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৯৪ মিলিয়ন টন। বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন—এটি সাময়িক পতন নাকি দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার ইঙ্গিত, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

অন্য দেশ থেকে বেশি আমদানি

তবে রাশিয়া থেকে কম আমদানির ঘাটতি পূরণ হয়েছে অন্য দেশ থেকে বেশি তেল কেনার মাধ্যমে। উদাহরণস্বরূপ, ব্রাজিল থেকে আমদানি বেড়েছে ৫০.৪ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ৫.১৯ মিলিয়ন টনে। আবার ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি প্রায় ৯০ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৬৬ মিলিয়ন টনে। ফলে আগস্টে চীনের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রায় অপরিবর্তিত থেকেছে, দাঁড়িয়েছে ৪৯.৪৯ মিলিয়ন টনে, যা গত বছরের তুলনায় মাত্র ০.৮ শতাংশ বেশি।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

ভর্টেক্সা নামের জ্বালানি বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক এমা লি মনে করেন, রাশিয়া থেকে আগস্টে তেল প্রবাহ কমে যাওয়াটা মূলত সাময়িক এবং উৎপাদন স্থাপনায় রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ঘটেছে। বিশেষ করে, রাশিয়ার ফার ইস্ট অঞ্চলের সাখালিন-১ প্রকল্প আগস্টে রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় ছিল বলে এর রপ্তানিমুখী উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে, ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক চিম লি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আগস্টের তথ্য ইঙ্গিত করছে যে গত বছরের শেষ দিক থেকে চীনের রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ধীরে ধীরে পতন হচ্ছে। যদিও কিছু মাসে যেমন জুলাইয়ে বৃদ্ধি দেখা গেছে, কিন্তু সামগ্রিক প্রবণতা হলো কমতির দিকে।

চীনের রাশিয়া থেকে তেল আমদানির এই হ্রাস আপাতত এককালীন ঘটনা নাকি দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অংশ, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে অন্য দেশ থেকে বাড়তি আমদানি করে চীন তার মোট সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে।