০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ভারত–যুক্তরাষ্ট্র জোটে নতুন অধ্যায়, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বাণিজ্য জোটে চীনের আধিপত্য ঠেকাতে যৌথ অগ্রযাত্রা সরকারি টাকার ছয় কোটি একত্রিশ লাখ আত্মসাৎ, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত স্বর্ণ-রূপার দামে হঠাৎ তীব্র উত্থান, অস্থির বাজারে বিনিয়োগকারীদের নতুন ভরসা ইমরানের ছেলেদের ভিসা আটকে রাখার অভিযোগে নতুন বিতর্ক, আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ চাইলেন কাসিম পাকিস্তানের জোরালো দাবি, বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মিকে সন্ত্রাসী ঘোষণায় দ্রুত পদক্ষেপ রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ঘাঁটিতে ইউক্রেনের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা ও সরানো হলো সেনা সদস্য একুশে পদক পাচ্ছেন বাবিতা, আইয়ুব বাচ্চু ও শফিক রেহমানসহ দশ গুণীজন ইরানের হাতে উপসাগরে দুই জাহাজ আটক, চোরাই জ্বালানি জব্দ চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থা নিয়ে তীব্র সতর্কবার্তা, দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রম ফেরাতে সরকারের প্রতি ডিসিসিআইয়ের আহ্বান বালুচিস্তানে সপ্তাহজুড়ে সংঘর্ষের অবসান, নিহত দুই শতাধিক জঙ্গি দাবি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০০)

প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন

যাই হোক গোবিন্দস্বামী এক মাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে যে আলোচনা করেছেন তাথেকে স্পষ্টই দু ধরণের সমীকরণ পেতে পারি। যেমন

N=ax+R₁=by+R……. (2)

(1) নং তিনি দুভাগে ভাগ করেছেন যথা (ক) যখন ৫ ধনাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ধনাত্মক তখন এটিকে গন্তব্য বলা হয়।

(খ) যখন ঋণাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ঋণাত্মক তখন এটিকে গত বলা হয়।

যাই হোক এবার আমরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের ব্যুৎপত্তি পরিভাষা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছি।

পরিভাষা, ব্যুৎপত্তি ইত্যাদি

প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে কুটুক। কুট্টকার, কুট্টিকার অথবা কুট ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতেন। যদিও প্রথম আর্যভট
একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তবে তিনি এই সমীকরণটির কোন নামকরণ করেন নি।

প্রথম ভাস্করাচার্যই (৬০০ খ্রীঃ) প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন। তিনি এই সমীকরণকে কুট্টকার বা ফুট বলেছেন। এরপর ব্রহ্মগুপ্ত বলেছেন কুট্রট, কুট্টকার, কুটুক, মহাবীরাচার্য বলেছেন কুট্টিকার।

সাধারণত N = ax +R1 = by + R2 এই সমীকরণে ৫, ৬ কে ভাগহার, ভাজক, ছেদ ইত্যাদি বলা হয়। R1 Rকে অগ্র, শেষ ইত্যাদি বলা হয়।

ß’কে ভাজক, α’কে ক্ষেপ, ক্ষেপক ইত্যাদি এবং y’কে ভাজ্য বলা হয়। অজ্ঞাত রাশি x’কে গুণক, গুণকার ইত্যাদি বলা হয়। y’কে ফল বলা যায়। অবশ্য মহাবীর x’কে রাশি বলেছেন।

হিংসার্থক কুট ধাতুর উত্তর কর্তৃবাচ্যে ণক্ প্রত্যয় দ্বারা কুটুক পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। গণিতশাস্ত্রে হিংসার্থক ধাতু নিষ্পন্ন হনন, ঘাত ইত্যাদি পদে গুণন করা বুঝায়, এজন্য কুট্টক শব্দের অর্থ গুণক। নির্দিষ্ট কোন রাশিকে যে গুণক দ্বারা গুণ করে প্রশ্নোদ্দিষ্ট ক্ষেপ যোগ ও প্রশ্নোক্ত হর দ্বারা ভাগ করলে নিঃশেষ হয়, সেই গুণক কুট্টক নামে অভিহিত।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত–যুক্তরাষ্ট্র জোটে নতুন অধ্যায়, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বাণিজ্য জোটে চীনের আধিপত্য ঠেকাতে যৌথ অগ্রযাত্রা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০০)

০৩:০০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন

যাই হোক গোবিন্দস্বামী এক মাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে যে আলোচনা করেছেন তাথেকে স্পষ্টই দু ধরণের সমীকরণ পেতে পারি। যেমন

N=ax+R₁=by+R……. (2)

(1) নং তিনি দুভাগে ভাগ করেছেন যথা (ক) যখন ৫ ধনাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ধনাত্মক তখন এটিকে গন্তব্য বলা হয়।

(খ) যখন ঋণাত্মক অর্থাৎ ক্ষেপ ঋণাত্মক তখন এটিকে গত বলা হয়।

যাই হোক এবার আমরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের ব্যুৎপত্তি পরিভাষা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করছি।

পরিভাষা, ব্যুৎপত্তি ইত্যাদি

প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদরা একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে কুটুক। কুট্টকার, কুট্টিকার অথবা কুট ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতেন। যদিও প্রথম আর্যভট
একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন তবে তিনি এই সমীকরণটির কোন নামকরণ করেন নি।

প্রথম ভাস্করাচার্যই (৬০০ খ্রীঃ) প্রথম ভারতীয় গণিতবিদ যিনি এই একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণের পরিবর্তে একটি পারিভাষিক শব্দ প্রয়োগ করেছেন। তিনি এই সমীকরণকে কুট্টকার বা ফুট বলেছেন। এরপর ব্রহ্মগুপ্ত বলেছেন কুট্রট, কুট্টকার, কুটুক, মহাবীরাচার্য বলেছেন কুট্টিকার।

সাধারণত N = ax +R1 = by + R2 এই সমীকরণে ৫, ৬ কে ভাগহার, ভাজক, ছেদ ইত্যাদি বলা হয়। R1 Rকে অগ্র, শেষ ইত্যাদি বলা হয়।

ß’কে ভাজক, α’কে ক্ষেপ, ক্ষেপক ইত্যাদি এবং y’কে ভাজ্য বলা হয়। অজ্ঞাত রাশি x’কে গুণক, গুণকার ইত্যাদি বলা হয়। y’কে ফল বলা যায়। অবশ্য মহাবীর x’কে রাশি বলেছেন।

হিংসার্থক কুট ধাতুর উত্তর কর্তৃবাচ্যে ণক্ প্রত্যয় দ্বারা কুটুক পদ নিষ্পন্ন হয়েছে। গণিতশাস্ত্রে হিংসার্থক ধাতু নিষ্পন্ন হনন, ঘাত ইত্যাদি পদে গুণন করা বুঝায়, এজন্য কুট্টক শব্দের অর্থ গুণক। নির্দিষ্ট কোন রাশিকে যে গুণক দ্বারা গুণ করে প্রশ্নোদ্দিষ্ট ক্ষেপ যোগ ও প্রশ্নোক্ত হর দ্বারা ভাগ করলে নিঃশেষ হয়, সেই গুণক কুট্টক নামে অভিহিত।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)