০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশি তরুণ নেতা আহমেদ ফাহমি কমনওয়েলথ যুব পুরস্কার ২০২৬–এর আঞ্চলিক চূড়ান্ত তালিকায় নাইজেরিয়ায় গণহত্যা, দুই রাজ্যে অন্তত ১৯১ নিহতের বিভীষিকা সিলেটে চার গ্রামের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০, দেড় ঘণ্টা উত্তেজনায় স্থবির সড়ক রপ্তানি খাতে বৈশ্বিক চাপ ও দেশীয় সংকটের মাঝেও ঘুরে দাঁড়ানোর আশা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা নিয়ে জেলেনস্কির বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গোপন মিছিল থামছে না, নরসিংদী-২ এ অদ্ভুত পরিস্থিতির অভিযোগ পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে কৃতজ্ঞতা জানালেন আসিফ নজরুল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে নতুন বার্তা এবার পিতার লাশ এলো সন্তানের কাছে লক্ষ্মীপুরে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

ইথিওপিয়ার গামবেলা শরণার্থী ক্যাম্পে ম্যালেরিয়া রোগী দ্বিগুণের বেশি

গামবেলার কুলে ক্যাম্পসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় জুলাইয়ে ম্যালেরিয়া রোগী এক মাসে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ক্যাম্প-নির্ভর ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ ও আরডিটি কিটের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় ‘টেস্ট-ট্রিট-ট্র্যাক’ চক্র ভেঙে পড়ছে। একদিকে বর্ষা, অন্যদিকে খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কমে যাওয়ায় দুর্বল ইমিউনিটি—সব মিলিয়ে শিশু ও গর্ভবতীদের ঝুঁকি তীব্র।

মাঠের চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগী প্রবাহ সামলাতে অতিরিক্ত শিফট চালু হলেও বেড ও স্টাফ সীমিত। প্রতিবেশী ক্যাম্পের সেবাও সংকুচিত হওয়ায় রোগী ‘ওভারফ্লো’ হয়ে এক কেন্দ্রে জমছে। ফলে জট, অপেক্ষা ও অপূর্ণ চিকিৎসা—তিনটিই বাড়ছে।

করতে হবে কী
বৃষ্টিপ্রধান মাসে কিট, এসিটি ও স্যালাইন মজুত বাড়ানো, শিশুদের প্রতিরোধী মশারি বিতরণ ও বাড়িভিত্তিক ফলোআপ জরুরি। ক্যাম্পগুলোর মাঝে রোগী রেফারাল ও ডেটাশেয়ারিং সক্রিয় করলে ওভারফ্লো কমবে।

আগামীর হিসাব
বরাদ্দ না বাড়লে শীতের আগে দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দিতে পারে। খাদ্য সহায়তার কাটছাঁট চলতে থাকলে অ্যানিমিয়া ও অপুষ্টি-জটিলতা ম্যালেরিয়ার মৃত্যুঝুঁকি আরও বাড়াবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড

ইথিওপিয়ার গামবেলা শরণার্থী ক্যাম্পে ম্যালেরিয়া রোগী দ্বিগুণের বেশি

০৬:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

গামবেলার কুলে ক্যাম্পসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় জুলাইয়ে ম্যালেরিয়া রোগী এক মাসে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ক্যাম্প-নির্ভর ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ ও আরডিটি কিটের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় ‘টেস্ট-ট্রিট-ট্র্যাক’ চক্র ভেঙে পড়ছে। একদিকে বর্ষা, অন্যদিকে খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা কমে যাওয়ায় দুর্বল ইমিউনিটি—সব মিলিয়ে শিশু ও গর্ভবতীদের ঝুঁকি তীব্র।

মাঠের চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগী প্রবাহ সামলাতে অতিরিক্ত শিফট চালু হলেও বেড ও স্টাফ সীমিত। প্রতিবেশী ক্যাম্পের সেবাও সংকুচিত হওয়ায় রোগী ‘ওভারফ্লো’ হয়ে এক কেন্দ্রে জমছে। ফলে জট, অপেক্ষা ও অপূর্ণ চিকিৎসা—তিনটিই বাড়ছে।

করতে হবে কী
বৃষ্টিপ্রধান মাসে কিট, এসিটি ও স্যালাইন মজুত বাড়ানো, শিশুদের প্রতিরোধী মশারি বিতরণ ও বাড়িভিত্তিক ফলোআপ জরুরি। ক্যাম্পগুলোর মাঝে রোগী রেফারাল ও ডেটাশেয়ারিং সক্রিয় করলে ওভারফ্লো কমবে।

আগামীর হিসাব
বরাদ্দ না বাড়লে শীতের আগে দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দিতে পারে। খাদ্য সহায়তার কাটছাঁট চলতে থাকলে অ্যানিমিয়া ও অপুষ্টি-জটিলতা ম্যালেরিয়ার মৃত্যুঝুঁকি আরও বাড়াবে।