১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
ইইউর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে গাড়ির শুল্কে বড় ছাড় দিচ্ছে ভারত, খুলছে অটো বাজারের দরজা হৃদস্পন্দনের ছন্দে লুকোনো শরীরের বার্তা আমেরিকার সনায় ইউরোপীয় বিস্ময়: ঘামঘর নাকি ফিটনেস শো মিনেসোটায় হত্যাকাণ্ডের জেরে চাপ, অভিবাসন অভিযানে হোয়াইট হাউসের পিছু হটার ইঙ্গিত ক্ষমতার লাগাম টানছে বাস্তবতা ও জনরোষ, দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের কঠোর দখলদারি কৌশলে ধাক্কা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, শিক্ষার্থী আহত নির্বাচিত হলে বন্ধ শিল্পকারখানা চালু ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে জামায়াত: আমির জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা থাকবে জামাই-আদরে: কৃষ্ণ নন্দী বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি, ময়মনসিংহে প্রশ্ন তারেক রহমানের

রাজশাহীতে ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-শিবিরের সবাই খালাস

আদালতের রায়: প্রমাণের অভাবে খালাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত ১০৫ জন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ১৩ বছর পর এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হলো রবিবার। আদালত বলেছে, পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণের অভাবে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব হয়নি।

মামলার পটভূমি

মোট ১১৪ জনকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছিল। বিচার চলাকালীন সময়ে নয়জন মারা যান। বাকি ১০৫ জনের মধ্যে মাত্র ২৫ জন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ফারুক হোসেন ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র এবং তৎকালীন নিষিদ্ধ ইসলামী ছাত্রশিবির ইউনিটের সক্রিয় বিরোধী সংগঠনের সদস্য।২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হলে ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে তিনি নিহত হন। পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় হলের পাশে একটি ম্যানহোল থেকে।

Conducting a whistleblowing investigation: The procedure in 4 steps

মামলা দায়ের ও তদন্ত প্রক্রিয়া

ফারুক হত্যার ঘটনায় তৎকালীন ছাত্রলীগ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু ৩৫ জন চিহ্নিত জামায়াত-শিবির সদস্য এবং ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মতিহার থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ২৮ জুলাই পুলিশ তদন্ত শেষে ১,২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়।

আসামিদের তালিকায় শীর্ষ জামায়াত নেতারা

এই মামলায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, মহাসচিব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলওয়ার হোসেন সাঈদী, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির আতাউর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ ও সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেনসহ মোট ১১৪ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

রাবির ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলার সব আসামি খালাস | চ্যানেল আই অনলাইন

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার সমাপ্তি

প্রায় ১৩ বছর ধরে চলমান এই মামলার রায় রবিবার ঘোষণা করেন রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক জুলফিকার উল্লাহ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আশরাফ মাসুম বলেন, অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

এর ফলে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকা বা মামলা মোকদ্দমায় ভোগান্তির শিকার আসামিরা আইনি দিক থেকে মুক্তি পেলেন।

 

# রাজশাহী, ছাত্রলীগ, জামায়াত, শিবির, ফারুক_হোসেন, হত্যা_মামলা, আদালতের_রায়, বাংলাদেশ

জনপ্রিয় সংবাদ

ইইউর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে গাড়ির শুল্কে বড় ছাড় দিচ্ছে ভারত, খুলছে অটো বাজারের দরজা

রাজশাহীতে ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-শিবিরের সবাই খালাস

০১:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

আদালতের রায়: প্রমাণের অভাবে খালাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত ১০৫ জন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ১৩ বছর পর এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হলো রবিবার। আদালত বলেছে, পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণের অভাবে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব হয়নি।

মামলার পটভূমি

মোট ১১৪ জনকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছিল। বিচার চলাকালীন সময়ে নয়জন মারা যান। বাকি ১০৫ জনের মধ্যে মাত্র ২৫ জন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ফারুক হোসেন ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র এবং তৎকালীন নিষিদ্ধ ইসলামী ছাত্রশিবির ইউনিটের সক্রিয় বিরোধী সংগঠনের সদস্য।২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হলে ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে তিনি নিহত হন। পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় হলের পাশে একটি ম্যানহোল থেকে।

Conducting a whistleblowing investigation: The procedure in 4 steps

মামলা দায়ের ও তদন্ত প্রক্রিয়া

ফারুক হত্যার ঘটনায় তৎকালীন ছাত্রলীগ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু ৩৫ জন চিহ্নিত জামায়াত-শিবির সদস্য এবং ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মতিহার থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১২ সালের ২৮ জুলাই পুলিশ তদন্ত শেষে ১,২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়।

আসামিদের তালিকায় শীর্ষ জামায়াত নেতারা

এই মামলায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, মহাসচিব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলওয়ার হোসেন সাঈদী, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির আতাউর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ ও সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেনসহ মোট ১১৪ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

রাবির ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলার সব আসামি খালাস | চ্যানেল আই অনলাইন

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার সমাপ্তি

প্রায় ১৩ বছর ধরে চলমান এই মামলার রায় রবিবার ঘোষণা করেন রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক জুলফিকার উল্লাহ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আশরাফ মাসুম বলেন, অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

এর ফলে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকা বা মামলা মোকদ্দমায় ভোগান্তির শিকার আসামিরা আইনি দিক থেকে মুক্তি পেলেন।

 

# রাজশাহী, ছাত্রলীগ, জামায়াত, শিবির, ফারুক_হোসেন, হত্যা_মামলা, আদালতের_রায়, বাংলাদেশ