০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
তারকা র‍্যাপারের দোদুল্যমান প্রত্যাবর্তন: এএসএপি রকির নতুন অ্যালবাম কতটা বলার আছে এক দশকের অপহরণ আকাশপথে সন্ত্রাস থেকে আদর্শিক সহিংসতার উত্তরাধিকার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে টালমাটাল মুহূর্ত পেরিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে মাদিসন কিস ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন: যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একসময় নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী দলের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ চায় শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনে মিশ্র চিত্র; ডিএসইতে পতন, সিএসইতে উত্থান ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন জামায়াতের আমির সিরাজগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৯ ব্যাংকিং খাত সংস্কার রাতারাতি সম্ভব নয়: সালেহউদ্দিন বিএনপির মিডিয়া সেলের চেয়ে জামায়াতের বট আইডি কি বেশি সক্রিয় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সাহসী সংগঠক জামায়াত আমির: নাহিদ ইসলাম

তেলদামের ধারাবাহিক পতন—শীতের আগে কারা লাভবান, কারা চাপে

ইনভেন্টরি বাড়া, চাহিদা কমা ও বাজার সংকেত
মার্কিন মজুত বেড়ে যাওয়া ও বৈশ্বিক চাহিদা নরম হওয়ায় ব্রেন্ট প্রায় ৬১ ডলার, ডব্লিউটিআই প্রায় ৫৭ ডলারে নেমে সপ্তাহজুড়ে পতন বাড়িয়েছে। রিফাইনারি মেইনটেন্যান্স, শক্তিশালী মার্কিন উৎপাদন ও সতর্ক প্রবৃদ্ধি—এই তিনটি কারণ মিলেই বাজার দুর্বল। কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিতও সরবরাহ-ঝুঁকি কমিয়ে দেখাচ্ছে—যে কারণে ট্রেডাররা জ্বালানি রুটে তাৎক্ষণিক বিঘ্নের আশঙ্কা কম পাচ্ছেন। পাম্পদাম ও শিপিং খরচে এই ধারা ইতিমধ্যে ঢুকছে, কিন্তু শেল প্রযোজক ও তেলনির্ভর বাজেটগুলোতে চাপ বাড়ছে।
কে লাভ পেল, কী নজর রাখা জরুরি
শীতের আগে গৃহস্থ, এয়ারলাইন ও লজিস্টিক খাতের জন্য এটি স্বস্তি। তবে কর, মুদ্রামানের ওঠানামা ও রিফাইনিং ক্ষমতার সীমা—এসব কারণে সব বাজারে সমান সুফল নাও পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে ঋণপাওয়া কঠিন হওয়ায় মার্কিন শেল প্রযোজকরা সতর্ক; আয় কমলে ওপেক+ আরও সমন্বিত পদক্ষেপ খুঁজতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, নিকট ভবিষ্যতে উচ্চ মজুত ও ‘ম্যাক্রো’ মনোভাবে দাম নির্ধারিত হবে; ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বা অপ্রত্যাশিত উৎপাদন কমানো হলে প্রবণতা দ্রুত ঘুরতে পারে। বিদ্যুৎ ও ডেটা সেন্টার খরচে সাময়িক চাপ কমলেও গ্রিডের চাপ ও কম্পিউটিং চাহিদা শক্তিশালী থাকায় দামের প্রকৃত প্রভাব দেখতে সময় লাগবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝুঁকির খেলায় তরুণেরা, নকল টাকায় বিনিয়োগের রোমাঞ্চে গড়ে উঠছে নতুন অভ্যাস

তেলদামের ধারাবাহিক পতন—শীতের আগে কারা লাভবান, কারা চাপে

০৫:৫১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ইনভেন্টরি বাড়া, চাহিদা কমা ও বাজার সংকেত
মার্কিন মজুত বেড়ে যাওয়া ও বৈশ্বিক চাহিদা নরম হওয়ায় ব্রেন্ট প্রায় ৬১ ডলার, ডব্লিউটিআই প্রায় ৫৭ ডলারে নেমে সপ্তাহজুড়ে পতন বাড়িয়েছে। রিফাইনারি মেইনটেন্যান্স, শক্তিশালী মার্কিন উৎপাদন ও সতর্ক প্রবৃদ্ধি—এই তিনটি কারণ মিলেই বাজার দুর্বল। কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিতও সরবরাহ-ঝুঁকি কমিয়ে দেখাচ্ছে—যে কারণে ট্রেডাররা জ্বালানি রুটে তাৎক্ষণিক বিঘ্নের আশঙ্কা কম পাচ্ছেন। পাম্পদাম ও শিপিং খরচে এই ধারা ইতিমধ্যে ঢুকছে, কিন্তু শেল প্রযোজক ও তেলনির্ভর বাজেটগুলোতে চাপ বাড়ছে।
কে লাভ পেল, কী নজর রাখা জরুরি
শীতের আগে গৃহস্থ, এয়ারলাইন ও লজিস্টিক খাতের জন্য এটি স্বস্তি। তবে কর, মুদ্রামানের ওঠানামা ও রিফাইনিং ক্ষমতার সীমা—এসব কারণে সব বাজারে সমান সুফল নাও পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে ঋণপাওয়া কঠিন হওয়ায় মার্কিন শেল প্রযোজকরা সতর্ক; আয় কমলে ওপেক+ আরও সমন্বিত পদক্ষেপ খুঁজতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, নিকট ভবিষ্যতে উচ্চ মজুত ও ‘ম্যাক্রো’ মনোভাবে দাম নির্ধারিত হবে; ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বা অপ্রত্যাশিত উৎপাদন কমানো হলে প্রবণতা দ্রুত ঘুরতে পারে। বিদ্যুৎ ও ডেটা সেন্টার খরচে সাময়িক চাপ কমলেও গ্রিডের চাপ ও কম্পিউটিং চাহিদা শক্তিশালী থাকায় দামের প্রকৃত প্রভাব দেখতে সময় লাগবে।