১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে চাপে বিদ্রোহীরা, পাল্টা আক্রমণে শক্তি বাড়াচ্ছে সেনাবাহিনী মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের লড়াই অব্যাহত, যুদ্ধক্ষেত্রের হাসপাতালে জন্ম নিল ‘আশার সন্তান’ যুক্তরাষ্ট্রে মাংসখেকো স্ক্রুওয়ার্মের নতুন সংক্রমণ, আতঙ্কে খামারিরা চাঁদে ফেরার প্রস্তুতিতে বড় পদক্ষেপ, আর্টেমিস-৩ অভিযানের নভোচারী দল ঘোষণা নাসার তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে টহল ঘিরে নতুন উত্তেজনা, মুখোমুখি চীন ও তাইওয়ান ট্রাম্প পরিবারের ক্রিপ্টো সাম্রাজ্য: লাভের পাহাড়, ক্ষতিতে লাখো বিনিয়োগকারী মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় এশিয়ার শেয়ারবাজারে ধস, বাড়ছে তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির শঙ্কা মেইনের গুরুত্বপূর্ণ সিনেট লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাট মনোনয়ন পেলেন গ্রাহাম প্ল্যাটনার শিক্ষা নয়, আতঙ্ক: হিটলার-তুলনার রাজনীতি কেন বারবার ব্যর্থ হয় মার্কিন হামলা ও ইরানের পাল্টা জবাব, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা

হংকংয়ে আসন্ন আইনসভার নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটানোর যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান, বেইজিংয়ের

বেইজিং হংকংবাসীকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছে, যাতে আসন্ন আইনসভার (লেজিসলেটিভ কাউন্সিল) নির্বাচনে কোনো ধ্বংসাত্মক প্রচেষ্টা রোধ করা যায়। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নির্বাচনের স্থিতি নষ্টের চেষ্টায় কোনোভাবেই ‘নিষ্ক্রিয় থাকবে না’।


দুই দপ্তরের যৌথ সতর্কবার্তা

চীনের হংকং ও ম্যাকাও বিষয়ক দপ্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা দপ্তর শুক্রবার পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডিসেম্বরের সাতই তারিখের নির্বাচনের দুই সপ্তাহব্যাপী মনোনয়ন পর্ব শুরুর সঙ্গে সঙ্গে তারা যেকোনো অস্থিরতা বা অবৈধ কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করবে।


“গ্যাং আ’ও পিং” কলামে বেইজিংয়ের বার্তা

দপ্তরের প্রকাশিত মন্তব্যে, ‘গ্যাং আ’ও পিং’ ছদ্মনামে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, দুই হাজার বিশ সালে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং দুই হাজার একুশ সালে “দেশপ্রেমিকদের জন্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ” নীতি কার্যকরের পরও কিছু বিরোধী গোষ্ঠী এখনো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “‘বেইজিং নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে’— এমন ভুয়া দাবি, কথিত ‘আর্শীবাদ তালিকা’ প্রচার, সপ্তম দফার আইনপ্রণেতাদের কর্মক্ষমতা নিয়ে কটূক্তি, কিংবা নির্বাচনে বয়কটের আহ্বান— এগুলো আগের মতোই পুরনো কৌশল।”

Élections à Hong Kong: comment Pékin a détruit le système politique local

লক্ষ্য: অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও কর্তৃত্ব খর্ব করা

বেইজিংয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই সব প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হলো নতুন নির্বাচনী ব্যবস্থা অস্বীকার করা, বেইজিংয়ের সার্বিক এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করা এবং স্থানীয় সরকারের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে দুর্বল করে হংকংকে পুনরায় রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলায় ফেলা।”


আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর অবস্থান

বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে, শহরের আইনপ্রয়োগ ও বিচার বিভাগীয় সংস্থাগুলো কোনোভাবেই নিষ্ক্রিয় থাকবে না। উল্লেখ করা হয়, “যে কোনো বক্তব্য বা পদক্ষেপ, যা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ বা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নেওয়া হবে, তা আইনি তদন্ত ও শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না।”

হংকংয়ের আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেইজিংয়ের এই বার্তা শুধু রাজনৈতিক সতর্কতাই নয়, বরং সম্ভাব্য বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আগাম কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত। জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও “দেশপ্রেমিক শাসনব্যবস্থা” ধারণা আরও জোরদার হচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


# হংকং, বেইজিং, লেজকো নির্বাচন, জাতীয় নিরাপত্তা আইন, চীন রাজনীতি, সারাক্ষণ রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে চাপে বিদ্রোহীরা, পাল্টা আক্রমণে শক্তি বাড়াচ্ছে সেনাবাহিনী

হংকংয়ে আসন্ন আইনসভার নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটানোর যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান, বেইজিংয়ের

০৭:১৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বেইজিং হংকংবাসীকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছে, যাতে আসন্ন আইনসভার (লেজিসলেটিভ কাউন্সিল) নির্বাচনে কোনো ধ্বংসাত্মক প্রচেষ্টা রোধ করা যায়। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নির্বাচনের স্থিতি নষ্টের চেষ্টায় কোনোভাবেই ‘নিষ্ক্রিয় থাকবে না’।


দুই দপ্তরের যৌথ সতর্কবার্তা

চীনের হংকং ও ম্যাকাও বিষয়ক দপ্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা দপ্তর শুক্রবার পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডিসেম্বরের সাতই তারিখের নির্বাচনের দুই সপ্তাহব্যাপী মনোনয়ন পর্ব শুরুর সঙ্গে সঙ্গে তারা যেকোনো অস্থিরতা বা অবৈধ কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করবে।


“গ্যাং আ’ও পিং” কলামে বেইজিংয়ের বার্তা

দপ্তরের প্রকাশিত মন্তব্যে, ‘গ্যাং আ’ও পিং’ ছদ্মনামে প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, দুই হাজার বিশ সালে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং দুই হাজার একুশ সালে “দেশপ্রেমিকদের জন্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ” নীতি কার্যকরের পরও কিছু বিরোধী গোষ্ঠী এখনো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “‘বেইজিং নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে’— এমন ভুয়া দাবি, কথিত ‘আর্শীবাদ তালিকা’ প্রচার, সপ্তম দফার আইনপ্রণেতাদের কর্মক্ষমতা নিয়ে কটূক্তি, কিংবা নির্বাচনে বয়কটের আহ্বান— এগুলো আগের মতোই পুরনো কৌশল।”

Élections à Hong Kong: comment Pékin a détruit le système politique local

লক্ষ্য: অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও কর্তৃত্ব খর্ব করা

বেইজিংয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই সব প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হলো নতুন নির্বাচনী ব্যবস্থা অস্বীকার করা, বেইজিংয়ের সার্বিক এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করা এবং স্থানীয় সরকারের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে দুর্বল করে হংকংকে পুনরায় রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলায় ফেলা।”


আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর অবস্থান

বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে, শহরের আইনপ্রয়োগ ও বিচার বিভাগীয় সংস্থাগুলো কোনোভাবেই নিষ্ক্রিয় থাকবে না। উল্লেখ করা হয়, “যে কোনো বক্তব্য বা পদক্ষেপ, যা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ বা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নেওয়া হবে, তা আইনি তদন্ত ও শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না।”

হংকংয়ের আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেইজিংয়ের এই বার্তা শুধু রাজনৈতিক সতর্কতাই নয়, বরং সম্ভাব্য বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আগাম কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত। জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও “দেশপ্রেমিক শাসনব্যবস্থা” ধারণা আরও জোরদার হচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


# হংকং, বেইজিং, লেজকো নির্বাচন, জাতীয় নিরাপত্তা আইন, চীন রাজনীতি, সারাক্ষণ রিপোর্ট