০৭:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
আগামী দশকে জাপানি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হবে ভারত পথের বাধা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া: দক্ষিণ এশিয়ার আট নারীর বদলে দেওয়ার গল্প ভারতে তুলা উৎপাদন কমছে, আমদানি বাড়ছে—চাপে বস্ত্রশিল্প চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভারসাম্য, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নতুন কৌশলে ভারত দুবাইয়ের আসল শক্তি করছাড় নয়, আস্থার প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে বড় স্বস্তি, তবে বেড়েছে বিমান জ্বালানির দাম হাম ভাইরাসে জিনগত পরিবর্তনের প্রমাণ মেলেনি, টিকার সুরক্ষা এখনও কার্যকর: আইসিডিডিআর,বি আগুনের বিরুদ্ধে ইউরোপের নতুন ‘নীরব সেনা’—বন রক্ষায় গাধার অভিনব ব্যবহার হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪৪ ‘তেলাপোকা’ থেকে তুমুল গণজাগরণ: তিন তরুণের হাত ধরে কাঁপল ভারতের ছাত্র আন্দোলন

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৭)

আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিউ পিকড়ার হাউজ

আরমানীটোলায় অবস্থিত ‘নিউ পিয়ার ঘাটন ঢাকার প্রাচীনতম প্রেক্ষাগৃহ। এখানে ছিল সেজন নামে এক ইংরেজের পাটের গুলাম। তিনি অপান্তর করেন দিনেমা হলে, নাম দেন’ পিকচার হাউজ । তাঁর থেকে এটি কিনে নেন উর্দুভাষী তরং নামে এক মাড়োয়ারী। তার থেকে এটি কিনে নেন মতিলাল বসু ও রাজেন্দ্রকুমার বসু। এটি নাম দেন ‘নিউ পিকচার হাউজ’। আরো পরে মে মোস্তফা এটি কিনে নাম যেন শাবিস্তান নামটিই বহাল ছিল শেষ পর্যন্ত।

নিউ পিকচার হাউজ/শানিস্তান।

নিউ মার্কেট

১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী দুী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একটি শাহবগ হোটেল নির্মাণ ও অন্যটি নিউ মার্কেট স্থাপন। ঐ সময় এ দুটি স্থাপনাকে কেন্দ্র করে নন সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু, পরে প্রমাণিত হয়েছিন দুটি সিদ্ধান্তই সঠিক।

আমাদের যৌবনে ষাটের দশক থেকে সত্তরের শুরু পর্যন্ত অবসর কাটানোর জায়গা ছিল নিউ মার্কেট।

এক সারি বইয়ের দোকান, নভেলটি আইসক্রিম আর রেস্তোরা। ১৯৫২ সালে প্রধানত ধানমন্ডি, আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩৫ একর জমিতে ৪৪০টি দোকান স্থাপনের জন্য নকশা করা হয়। এর বিশেষত্ব ছিল তিনটি আর্চওয়ে বা ফটক। এর মধ্যে গোলাকৃতি একতলা ভবন। চারদিকে ঘুরে বেড়াবার জন্য প্রচুর স্পেস। ভেতরে ছিল ত্রিকোণ একটি ঘাসের লন।

ইসলামীকরণের জেরে এখানে নির্মিত হয় মসজিদ। দোকানের শ্রেণিবিভাগ ছিল। যেমন শাড়ির দোকান একদিকে, বইয়ের ও স্টেশনারির দোকান আরেক দিকে। নিউ মার্কেটে যাবার রাস্তায় দুপাশে ছিল বটের সারি। এটির নাম দেয়া হয়েছিল নিউ মার্কেট। পঞ্চাশ দশক থেকে নিউ মার্কেট হয়ে ওঠে ঢাকার প্রধান বিপণন কেন্দ্র।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী দশকে জাপানি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হবে ভারত

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৭)

০৯:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিউ পিকড়ার হাউজ

আরমানীটোলায় অবস্থিত ‘নিউ পিয়ার ঘাটন ঢাকার প্রাচীনতম প্রেক্ষাগৃহ। এখানে ছিল সেজন নামে এক ইংরেজের পাটের গুলাম। তিনি অপান্তর করেন দিনেমা হলে, নাম দেন’ পিকচার হাউজ । তাঁর থেকে এটি কিনে নেন উর্দুভাষী তরং নামে এক মাড়োয়ারী। তার থেকে এটি কিনে নেন মতিলাল বসু ও রাজেন্দ্রকুমার বসু। এটি নাম দেন ‘নিউ পিকচার হাউজ’। আরো পরে মে মোস্তফা এটি কিনে নাম যেন শাবিস্তান নামটিই বহাল ছিল শেষ পর্যন্ত।

নিউ পিকচার হাউজ/শানিস্তান।

নিউ মার্কেট

১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী দুী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একটি শাহবগ হোটেল নির্মাণ ও অন্যটি নিউ মার্কেট স্থাপন। ঐ সময় এ দুটি স্থাপনাকে কেন্দ্র করে নন সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু, পরে প্রমাণিত হয়েছিন দুটি সিদ্ধান্তই সঠিক।

আমাদের যৌবনে ষাটের দশক থেকে সত্তরের শুরু পর্যন্ত অবসর কাটানোর জায়গা ছিল নিউ মার্কেট।

এক সারি বইয়ের দোকান, নভেলটি আইসক্রিম আর রেস্তোরা। ১৯৫২ সালে প্রধানত ধানমন্ডি, আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩৫ একর জমিতে ৪৪০টি দোকান স্থাপনের জন্য নকশা করা হয়। এর বিশেষত্ব ছিল তিনটি আর্চওয়ে বা ফটক। এর মধ্যে গোলাকৃতি একতলা ভবন। চারদিকে ঘুরে বেড়াবার জন্য প্রচুর স্পেস। ভেতরে ছিল ত্রিকোণ একটি ঘাসের লন।

ইসলামীকরণের জেরে এখানে নির্মিত হয় মসজিদ। দোকানের শ্রেণিবিভাগ ছিল। যেমন শাড়ির দোকান একদিকে, বইয়ের ও স্টেশনারির দোকান আরেক দিকে। নিউ মার্কেটে যাবার রাস্তায় দুপাশে ছিল বটের সারি। এটির নাম দেয়া হয়েছিল নিউ মার্কেট। পঞ্চাশ দশক থেকে নিউ মার্কেট হয়ে ওঠে ঢাকার প্রধান বিপণন কেন্দ্র।

(চলবে)