০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবন ধসে নিহত অন্তত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নিটওয়্যার শিল্প, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ঝুঁকি বাড়ালে সামনে কী স্মার্ট চশমার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বাড়ছে গোপনে ভিডিও ধারণের ভয় রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে বিদেশি যোদ্ধারা, সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর গল্প ছুটির দিনেও পাসপোর্ট সেবা, স্বস্তি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের চীনের বিরুদ্ধে ইরানকে সহায়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ব্রিকস নৈশভোজে শুধু নিরামিষ খাবার, ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ট্রাম্পের দাবি, এআই নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে ‘নেতিবাচক শক্তি’ আয়ারল্যান্ড এক হওয়ার পক্ষে আবারও ট্রাম্প, স্কটল্যান্ড নিয়ে এখনই কথা নয়

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৭)

আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিউ পিকড়ার হাউজ

আরমানীটোলায় অবস্থিত ‘নিউ পিয়ার ঘাটন ঢাকার প্রাচীনতম প্রেক্ষাগৃহ। এখানে ছিল সেজন নামে এক ইংরেজের পাটের গুলাম। তিনি অপান্তর করেন দিনেমা হলে, নাম দেন’ পিকচার হাউজ । তাঁর থেকে এটি কিনে নেন উর্দুভাষী তরং নামে এক মাড়োয়ারী। তার থেকে এটি কিনে নেন মতিলাল বসু ও রাজেন্দ্রকুমার বসু। এটি নাম দেন ‘নিউ পিকচার হাউজ’। আরো পরে মে মোস্তফা এটি কিনে নাম যেন শাবিস্তান নামটিই বহাল ছিল শেষ পর্যন্ত।

নিউ পিকচার হাউজ/শানিস্তান।

নিউ মার্কেট

১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী দুী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একটি শাহবগ হোটেল নির্মাণ ও অন্যটি নিউ মার্কেট স্থাপন। ঐ সময় এ দুটি স্থাপনাকে কেন্দ্র করে নন সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু, পরে প্রমাণিত হয়েছিন দুটি সিদ্ধান্তই সঠিক।

আমাদের যৌবনে ষাটের দশক থেকে সত্তরের শুরু পর্যন্ত অবসর কাটানোর জায়গা ছিল নিউ মার্কেট।

এক সারি বইয়ের দোকান, নভেলটি আইসক্রিম আর রেস্তোরা। ১৯৫২ সালে প্রধানত ধানমন্ডি, আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩৫ একর জমিতে ৪৪০টি দোকান স্থাপনের জন্য নকশা করা হয়। এর বিশেষত্ব ছিল তিনটি আর্চওয়ে বা ফটক। এর মধ্যে গোলাকৃতি একতলা ভবন। চারদিকে ঘুরে বেড়াবার জন্য প্রচুর স্পেস। ভেতরে ছিল ত্রিকোণ একটি ঘাসের লন।

ইসলামীকরণের জেরে এখানে নির্মিত হয় মসজিদ। দোকানের শ্রেণিবিভাগ ছিল। যেমন শাড়ির দোকান একদিকে, বইয়ের ও স্টেশনারির দোকান আরেক দিকে। নিউ মার্কেটে যাবার রাস্তায় দুপাশে ছিল বটের সারি। এটির নাম দেয়া হয়েছিল নিউ মার্কেট। পঞ্চাশ দশক থেকে নিউ মার্কেট হয়ে ওঠে ঢাকার প্রধান বিপণন কেন্দ্র।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৭)

০৯:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিউ পিকড়ার হাউজ

আরমানীটোলায় অবস্থিত ‘নিউ পিয়ার ঘাটন ঢাকার প্রাচীনতম প্রেক্ষাগৃহ। এখানে ছিল সেজন নামে এক ইংরেজের পাটের গুলাম। তিনি অপান্তর করেন দিনেমা হলে, নাম দেন’ পিকচার হাউজ । তাঁর থেকে এটি কিনে নেন উর্দুভাষী তরং নামে এক মাড়োয়ারী। তার থেকে এটি কিনে নেন মতিলাল বসু ও রাজেন্দ্রকুমার বসু। এটি নাম দেন ‘নিউ পিকচার হাউজ’। আরো পরে মে মোস্তফা এটি কিনে নাম যেন শাবিস্তান নামটিই বহাল ছিল শেষ পর্যন্ত।

নিউ পিকচার হাউজ/শানিস্তান।

নিউ মার্কেট

১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রী দুী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একটি শাহবগ হোটেল নির্মাণ ও অন্যটি নিউ মার্কেট স্থাপন। ঐ সময় এ দুটি স্থাপনাকে কেন্দ্র করে নন সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু, পরে প্রমাণিত হয়েছিন দুটি সিদ্ধান্তই সঠিক।

আমাদের যৌবনে ষাটের দশক থেকে সত্তরের শুরু পর্যন্ত অবসর কাটানোর জায়গা ছিল নিউ মার্কেট।

এক সারি বইয়ের দোকান, নভেলটি আইসক্রিম আর রেস্তোরা। ১৯৫২ সালে প্রধানত ধানমন্ডি, আজিমপুর প্রভৃতি এলাকার চাহিদা মেটানোর জন্য একটি বাজার/মার্কেট/মল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩৫ একর জমিতে ৪৪০টি দোকান স্থাপনের জন্য নকশা করা হয়। এর বিশেষত্ব ছিল তিনটি আর্চওয়ে বা ফটক। এর মধ্যে গোলাকৃতি একতলা ভবন। চারদিকে ঘুরে বেড়াবার জন্য প্রচুর স্পেস। ভেতরে ছিল ত্রিকোণ একটি ঘাসের লন।

ইসলামীকরণের জেরে এখানে নির্মিত হয় মসজিদ। দোকানের শ্রেণিবিভাগ ছিল। যেমন শাড়ির দোকান একদিকে, বইয়ের ও স্টেশনারির দোকান আরেক দিকে। নিউ মার্কেটে যাবার রাস্তায় দুপাশে ছিল বটের সারি। এটির নাম দেয়া হয়েছিল নিউ মার্কেট। পঞ্চাশ দশক থেকে নিউ মার্কেট হয়ে ওঠে ঢাকার প্রধান বিপণন কেন্দ্র।

(চলবে)