০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ১৮.৫৭ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শুরু হলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বুরিমারি স্থলবন্দর চার দিন বন্ধ, পশ্চিমবঙ্গের ভোটের প্রভাব তীব্র গরমে হাঁসফাঁস ঢাকা, ছায়া আর পানির খোঁজে ছুটছে মানুষ ঢাকাজুড়ে গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা, টার্মিনাল বিকল হয়ে কমলো ৪০০ এমএমসিএফডি অস্ত্রোপচারের পর পেটে গজ রেখে দেওয়ার অভিযোগে রংপুরের চিকিৎসক, ভুক্তভোগীর তীব্র যন্ত্রণা খুলনা নগরীতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাভার–আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টার গ্যাস বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার ইরান যুদ্ধ-সমঝোতার আশায় তেলের দাম কমল, শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১০ জন নিহত

উদ্ধার তৎপরতা ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
সোমবার ভোরে আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের মাজার-ই-শরিফের কাছে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত ও প্রায় ২৬০ জন আহত হয়েছেন। কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি ধসে পড়ায় বহু মানুষ আটকা পড়েন, কয়েকটি প্রধান সড়কে ফাটল দেখা গেছে। ঐতিহাসিক নীল মসজিদের টাইল ও দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাসপাতালগুলো জরুরি সেবা চালু করেছে; অধিকাংশ রোগীই হাড়ভাঙা ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া আঘাতে ভুগছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ‘অরেঞ্জ’ সতর্কতা জারি করে উচ্চ প্রাণহানির আশঙ্কা জানিয়েছে।

ত্রাণ তৎপরতা ও পরাঘাতের আশঙ্কা
উদ্ধারকর্মীরা রাতভর ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন; দুর্গম এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরাঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে নতুন করে ধসের ঝুঁকি রয়েছে। শীতল আবহাওয়ায় আশ্রয়হীন মানুষদের জন্য তাবু ও চিকিৎসাসামগ্রীর জরুরি প্রয়োজন পড়েছে। সেতু, ক্লিনিক ও পানিসম্পদ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। দারিদ্র্য ও মানবিক সংকটে জর্জরিত আফগানিস্তানের জন্য এই ভূমিকম্প আবারও দুর্বল প্রস্তুতির বাস্তবতা চোখে আনে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১০ জন নিহত

০৫:০০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

উদ্ধার তৎপরতা ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র
সোমবার ভোরে আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের মাজার-ই-শরিফের কাছে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত ও প্রায় ২৬০ জন আহত হয়েছেন। কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি ধসে পড়ায় বহু মানুষ আটকা পড়েন, কয়েকটি প্রধান সড়কে ফাটল দেখা গেছে। ঐতিহাসিক নীল মসজিদের টাইল ও দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাসপাতালগুলো জরুরি সেবা চালু করেছে; অধিকাংশ রোগীই হাড়ভাঙা ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া আঘাতে ভুগছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ‘অরেঞ্জ’ সতর্কতা জারি করে উচ্চ প্রাণহানির আশঙ্কা জানিয়েছে।

ত্রাণ তৎপরতা ও পরাঘাতের আশঙ্কা
উদ্ধারকর্মীরা রাতভর ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন; দুর্গম এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরাঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে নতুন করে ধসের ঝুঁকি রয়েছে। শীতল আবহাওয়ায় আশ্রয়হীন মানুষদের জন্য তাবু ও চিকিৎসাসামগ্রীর জরুরি প্রয়োজন পড়েছে। সেতু, ক্লিনিক ও পানিসম্পদ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। দারিদ্র্য ও মানবিক সংকটে জর্জরিত আফগানিস্তানের জন্য এই ভূমিকম্প আবারও দুর্বল প্রস্তুতির বাস্তবতা চোখে আনে।