০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
সানড্যান্সের শেষ অধ্যায়: পাহাড় ছাড়ছে স্বাধীন সিনেমার সবচেয়ে বড় উৎসব কেরালার বিনিয়োগে দাভোস সাফল্য, প্রতিশ্রুতি এক লাখ সতেরো হাজার কোটি টাকা আবুধাবিতে গঠনমূলক ত্রিপক্ষীয় আলোচনা, শান্তির পথে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেন জেলেনস্কি দুবাইয়ের শিল্পমেলায় শেখ মোহাম্মদের উপস্থিতি, সৃজনশীলতার কেন্দ্রবিন্দুতে কুজ আর্টস ফেস্ট ডেটা সেন্টারেই স্মার্ট নগরীর মস্তিষ্ক, বিনিয়োগে গতি বাড়াচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত শারজাহতে স্মৃতি আর আবেগের মেলবন্ধন, ক্লাসিক গাড়ির গল্পে ভরে উঠল উৎসব আবুধাবিতে উর্বরতা চিকিৎসার ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা, আইভিএফ গবেষণায় নেতৃত্বের বার্তা শারজাহর অগ্রযাত্রার পাঁচ দশক: শেখ সুলতান বিন মোহাম্মদ আল কাসিমির নেতৃত্বে উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের গল্প গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার আহ্বান, রাফাহ সীমান্ত খোলার আলোচনায় ইসরায়েল সিরিয়ায় কুর্দি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আরও ১৫ দিনের জন্য বাড়াল সরকার

ইইউ’র সতর্কতা: যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু নীতিপিছুটায় কপ৩০-এর গতি কমতে পারে

বেলেম সম্মেলনের আগে উদ্বেগ
ইউরোপীয় কমিশনার ভপকে হোকস্ত্রা যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসাকে ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, কপ৩০-এ মার্কিন নেতৃত্ব অনুপস্থিত থাকলে বৈশ্বিক ঐকমত্য দুর্বল হবে। তবু যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ও বেসরকারি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতি কিছুটা ভারসাম্য আনতে পারে। ইউরোপীয় আলোচকরা দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে অটল থাকার বার্তা দিয়েছেন।

নতুন সবুজ অংশীদারিত্বের সুযোগ
হোকস্ত্রা মনে করেন, এ পরিবর্তন নতুন সুযোগও এনে দিয়েছে। অন্যান্য দেশ ব্যাটারি, গ্রিড ও সবুজ শিল্পনীতিতে নতুন জোট গড়তে পারে। কমে আসা নবায়নযোগ্য জ্বালানির খরচ বাণিজ্য-বিন্যাস বদলে দিচ্ছে। বেলেম সম্মেলনে অভিযোজন তহবিল, মিথেন নিয়ন্ত্রণ ও টেকসই অবকাঠামো গড়ার বাস্তব ফলাফলই হবে মূল পরীক্ষা—ওয়াশিংটন ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু সহযোগিতা কতটা টিকে থাকে, সেটিই এখন দেখার।

জনপ্রিয় সংবাদ

সানড্যান্সের শেষ অধ্যায়: পাহাড় ছাড়ছে স্বাধীন সিনেমার সবচেয়ে বড় উৎসব

ইইউ’র সতর্কতা: যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু নীতিপিছুটায় কপ৩০-এর গতি কমতে পারে

০৫:০৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

বেলেম সম্মেলনের আগে উদ্বেগ
ইউরোপীয় কমিশনার ভপকে হোকস্ত্রা যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসাকে ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, কপ৩০-এ মার্কিন নেতৃত্ব অনুপস্থিত থাকলে বৈশ্বিক ঐকমত্য দুর্বল হবে। তবু যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ও বেসরকারি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতি কিছুটা ভারসাম্য আনতে পারে। ইউরোপীয় আলোচকরা দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে অটল থাকার বার্তা দিয়েছেন।

নতুন সবুজ অংশীদারিত্বের সুযোগ
হোকস্ত্রা মনে করেন, এ পরিবর্তন নতুন সুযোগও এনে দিয়েছে। অন্যান্য দেশ ব্যাটারি, গ্রিড ও সবুজ শিল্পনীতিতে নতুন জোট গড়তে পারে। কমে আসা নবায়নযোগ্য জ্বালানির খরচ বাণিজ্য-বিন্যাস বদলে দিচ্ছে। বেলেম সম্মেলনে অভিযোজন তহবিল, মিথেন নিয়ন্ত্রণ ও টেকসই অবকাঠামো গড়ার বাস্তব ফলাফলই হবে মূল পরীক্ষা—ওয়াশিংটন ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু সহযোগিতা কতটা টিকে থাকে, সেটিই এখন দেখার।