০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
বেগম জিয়ার বিদেশযাত্রা কি আর ভাবছে না বিএনপি ও পরিবার? ছাত্রদল কি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে? ফেমি ওটেডোলার শক্তি বিপ্লব: নাইজেরিয়ার বিদ্যুৎ ঘাটতি দূর করতে জ্বালানি সম্রাটের নতুন দৌড় দক্ষিণ কোরিয়ার রিয়েলিটি শো দখলে নেটফ্লিক্স–ডিজনি প্লাস এর দৌড় শুরু গাজীপুর-১ বিএনপি মনোনয়ন নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০ শরীরে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে পিনাট বাটার কি সত্যিই কার্যকর? বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা ও উপকারিতা সাবেক ম্যানেজারদের কোটি টাকার দাবিতে ঝড়—চুপ ভাঙলেন পার্ক না-রে! গাট ব্যাকটেরিয়ার নতুন যুগ: মৃত জীবাণুই কি দেবে ভালো স্বাস্থ্য? নারীর মস্তিষ্ক নিয়ে নতুন গবেষণা: এমআরআই স্ক্যান ৭৫ বার করে ভাঙলেন বহুদিনের মিথ এরশাদের উদ্যোগেই সাংবিধানিক স্থিতি নিশ্চিত হয়েছিল: জিএম কাদের

ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের মহড়া, নতুন উত্তেজনা

লাতিন আমেরিকার জলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পৌঁছানোয় কারাকাস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ‘বৃহৎ মোতায়েন’ ঘোষণায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, এটি রুটিন টহল ও প্রতিরক্ষামূলক উপস্থিতি—সমুদ্রপথের স্বাধীনতা ও জোট প্রতিশ্রুতি রক্ষার অংশ। তবে নৌ-মহড়ার পাল্টাপাল্টি প্রদর্শন ব্যস্ত নৌপথে ভুল বোঝাবুঝির ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে কূটনীতিকরা সতর্ক। জাহাজ বিমা দাতারা ঝুঁকিপ্রিমিয়াম দেখছেন; একই সঙ্গে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে কারাকাসের শক্তিশালী জোট এই টানাপোড়েনে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।

পরবর্তী কয়েক দিনে ফ্লাইট-ডেক কার্যক্রম, এসকর্ট-প্যাটার্ন ও অংশীদার দেশগুলোর যৌথ মহড়া নজরে থাকবে। কারাকাস উত্তেজনা না বাড়িয়ে সক্ষমতা দেখাতে বিমান-কোস্টাল প্রতিরক্ষা মহড়া করতে পারে; তথ্যযুদ্ধও তীব্র হতে পারে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা মাথায় রেখে ব্রাজিল-কলোম্বিয়া উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতা চাইছে। জ্বালানি বাজারও সতর্ক—প্রতীকী ঝুঁকিও যখন রিজার্ভ কম, তখন ক্রুড-দামে প্রভাব ফেলতে পারে। শেষ পর্যন্ত রুটিন হোক বা না হোক, বিমানবাহী জাহাজের আগমন সমীকরণ বদলে দেয়—কারও কাছে প্রতিরোধ, কারও কাছে বিপদ—যতক্ষণ না আলোচনার টেবিল, ডেস্ট্রয়ার নয়, প্রধান মঞ্চ দখল করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগম জিয়ার বিদেশযাত্রা কি আর ভাবছে না বিএনপি ও পরিবার?

ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের মহড়া, নতুন উত্তেজনা

০৫:০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

লাতিন আমেরিকার জলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পৌঁছানোয় কারাকাস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ‘বৃহৎ মোতায়েন’ ঘোষণায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, এটি রুটিন টহল ও প্রতিরক্ষামূলক উপস্থিতি—সমুদ্রপথের স্বাধীনতা ও জোট প্রতিশ্রুতি রক্ষার অংশ। তবে নৌ-মহড়ার পাল্টাপাল্টি প্রদর্শন ব্যস্ত নৌপথে ভুল বোঝাবুঝির ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে কূটনীতিকরা সতর্ক। জাহাজ বিমা দাতারা ঝুঁকিপ্রিমিয়াম দেখছেন; একই সঙ্গে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে কারাকাসের শক্তিশালী জোট এই টানাপোড়েনে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।

পরবর্তী কয়েক দিনে ফ্লাইট-ডেক কার্যক্রম, এসকর্ট-প্যাটার্ন ও অংশীদার দেশগুলোর যৌথ মহড়া নজরে থাকবে। কারাকাস উত্তেজনা না বাড়িয়ে সক্ষমতা দেখাতে বিমান-কোস্টাল প্রতিরক্ষা মহড়া করতে পারে; তথ্যযুদ্ধও তীব্র হতে পারে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা মাথায় রেখে ব্রাজিল-কলোম্বিয়া উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতা চাইছে। জ্বালানি বাজারও সতর্ক—প্রতীকী ঝুঁকিও যখন রিজার্ভ কম, তখন ক্রুড-দামে প্রভাব ফেলতে পারে। শেষ পর্যন্ত রুটিন হোক বা না হোক, বিমানবাহী জাহাজের আগমন সমীকরণ বদলে দেয়—কারও কাছে প্রতিরোধ, কারও কাছে বিপদ—যতক্ষণ না আলোচনার টেবিল, ডেস্ট্রয়ার নয়, প্রধান মঞ্চ দখল করে।