০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পাকিস্তানের ৮০ কোম্পানির উজবেকিস্তানে স্থানান্তর, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন গতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পাকিস্তানকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান শ্রীলঙ্কার সৌদি আরবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হজ ভিসা শুরু, চার মাস আগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন লাহোরের আকাশে আবার বসন্তের রঙ, দুই দশকের বেশি নিষেধাজ্ঞা শেষে ঘুড়ির উৎসব ফিরল কঠোর নিরাপত্তায় ধানের শীষে ভোট দিয়ে ‘আমরা পাকিস্তান’—বক্তব্যে নাটোরে তীব্র বিতর্ক চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থা সাময়িক স্থগিত, সমাধান না হলে ফের কর্মসূচির হুঁশিয়ারি চীনের ক্ষমতার অন্দরে নতুন ঝড়, শি জিনপিংয়ের শুদ্ধি অভিযানে বাড়ছে অনিশ্চয়তা গাজীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনী শিবির ভাঙচুর, উত্তেজনার পর পুলিশি হস্তক্ষেপ ‘রাজনীতি খুবই কম বুঝি, আমরা বুঝি পেট নীতি’ ভারতের প্রতিরক্ষায় বাড়তি অর্থ, এখন দরকার প্রক্রিয়ার সংস্কার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৮)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • 105

গাড়ি থেকে নামার সময় খেয়াল করেন যে এক ক্রুদ্ধ জনতার দল ক্যাথিড্রাল আক্রমণ করেছে।

তিনি তখন জিআই-এর কাউকে টাওয়ারে উঠে বাঁদরটিকে জলাধার থেকে টেনে বের করার জন্য হুমকিধামকি করতে থাকেন, কিন্তু কেউ তো তার আদেশ শোনে না। সৌভাগ্যক্রমে ঘটনাস্থলে এক ক্যাপ্টেন এসে হাজির, তিনি তখন বলেন যে “লেফটেন্যান্ট সাহেব সিও (কমান্ডিং অফিসার) জ্ঞাত হওয়ার পূর্বেই, ভালোয় ভালোয় তোমার কি করণীয় হবে ভেবে স্থির করে নাও, নয়তো তোমাকে পস্তাতে হবে।

এখানে আমরা কেউ ধেড়ে বাঁদরকে গুলি করে হত্যা করি না, অন্য কোনো প্রাণিকেও হত্যা করি না। ইত্যবসরে সিও-র কানে ঘটনাটি যায় এবং তিনি হন্তদন্ত হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেই লেফটেন্যান্টকে টাওয়ারে উঠে জলের ট্যাঙ্ক থেকে মৃত বাঁদরটিকে টেনে বের করার আদেশ দেন।

আরেকটি মজার গল্প বলেন ইভো। হ্যান্ড বল খেলতে ইভো ঢাকার নটর ডেম “ক্যাথিড্রালে” যেতেন, সেখানে তাঁর খেলার সঙ্গিরা ছিলেন ‘ব্রাদার’ ও পাদরির দল। একবার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ইভো সেখানে যান, গাড়ি থেকে নামার সময় খেয়াল করেন যে এক ক্রুদ্ধ জনতার দল ক্যাথিড্রাল আক্রমণ করেছে। তাঁরা তখন পিস্তল হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে “ক্যাথিড্রালের” দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। ইভো ও তার বন্ধুর হাতে পিস্তল দেখামাত্রই জনতার দল দৌড়ে পালিয়ে যায়।

নটর ডেম ক্যাথিড্রালে ইভোর সঙ্গে স্থানীয় এক ভদ্রলোকের পরিচয় হয়: ভদ্রলোক ঢাকার জল সরবরাহ সংস্থার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ইভো ও তাঁর ভদ্রলোকের বাড়িতে যান, সেখানে ভদ্রলোকের স্ত্রী, কন্যা ও পুত্রের সঙ্গে ইভোর বন্ধুকে নিজের বাড়িতে দুপুরের খাবার খাওয়ার দাওয়াত করেন। তাঁরা পরিচয় হয়। কন্যা ও পুত্র সমেত ইভো জল সরবরাহ সংস্থার জলাধারে সাঁতার কন্যাসহ ইভোর একটি ছবি তোলেন। ইভোের ধারণা যে ভদ্রলোক তাঁর সঙ্গে কাটতে যান। গরমের দিন, সাঁতার কেটে খুব ভালো লাগে তাঁর। ভদ্রলোক নিজের কন্যাটিকে বিয়ে দিতে আগ্রহী ছিলেন!

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৭)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের ৮০ কোম্পানির উজবেকিস্তানে স্থানান্তর, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন গতি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৮)

০৯:০০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

গাড়ি থেকে নামার সময় খেয়াল করেন যে এক ক্রুদ্ধ জনতার দল ক্যাথিড্রাল আক্রমণ করেছে।

তিনি তখন জিআই-এর কাউকে টাওয়ারে উঠে বাঁদরটিকে জলাধার থেকে টেনে বের করার জন্য হুমকিধামকি করতে থাকেন, কিন্তু কেউ তো তার আদেশ শোনে না। সৌভাগ্যক্রমে ঘটনাস্থলে এক ক্যাপ্টেন এসে হাজির, তিনি তখন বলেন যে “লেফটেন্যান্ট সাহেব সিও (কমান্ডিং অফিসার) জ্ঞাত হওয়ার পূর্বেই, ভালোয় ভালোয় তোমার কি করণীয় হবে ভেবে স্থির করে নাও, নয়তো তোমাকে পস্তাতে হবে।

এখানে আমরা কেউ ধেড়ে বাঁদরকে গুলি করে হত্যা করি না, অন্য কোনো প্রাণিকেও হত্যা করি না। ইত্যবসরে সিও-র কানে ঘটনাটি যায় এবং তিনি হন্তদন্ত হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেই লেফটেন্যান্টকে টাওয়ারে উঠে জলের ট্যাঙ্ক থেকে মৃত বাঁদরটিকে টেনে বের করার আদেশ দেন।

আরেকটি মজার গল্প বলেন ইভো। হ্যান্ড বল খেলতে ইভো ঢাকার নটর ডেম “ক্যাথিড্রালে” যেতেন, সেখানে তাঁর খেলার সঙ্গিরা ছিলেন ‘ব্রাদার’ ও পাদরির দল। একবার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ইভো সেখানে যান, গাড়ি থেকে নামার সময় খেয়াল করেন যে এক ক্রুদ্ধ জনতার দল ক্যাথিড্রাল আক্রমণ করেছে। তাঁরা তখন পিস্তল হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে “ক্যাথিড্রালের” দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। ইভো ও তার বন্ধুর হাতে পিস্তল দেখামাত্রই জনতার দল দৌড়ে পালিয়ে যায়।

নটর ডেম ক্যাথিড্রালে ইভোর সঙ্গে স্থানীয় এক ভদ্রলোকের পরিচয় হয়: ভদ্রলোক ঢাকার জল সরবরাহ সংস্থার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ইভো ও তাঁর ভদ্রলোকের বাড়িতে যান, সেখানে ভদ্রলোকের স্ত্রী, কন্যা ও পুত্রের সঙ্গে ইভোর বন্ধুকে নিজের বাড়িতে দুপুরের খাবার খাওয়ার দাওয়াত করেন। তাঁরা পরিচয় হয়। কন্যা ও পুত্র সমেত ইভো জল সরবরাহ সংস্থার জলাধারে সাঁতার কন্যাসহ ইভোর একটি ছবি তোলেন। ইভোের ধারণা যে ভদ্রলোক তাঁর সঙ্গে কাটতে যান। গরমের দিন, সাঁতার কেটে খুব ভালো লাগে তাঁর। ভদ্রলোক নিজের কন্যাটিকে বিয়ে দিতে আগ্রহী ছিলেন!

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৭)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৫৭)