দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট শিল্পখাতে বড় চাপ তৈরি করেছে। উৎপাদন, রপ্তানি ও বিনিয়োগে এর নেতিবাচক প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। ডিসিসিআই ও সানেম আয়োজিত এক আলোচনায় বক্তারা বলেন, টেকসই শিল্পায়নের জন্য সমন্বিত জ্বালানি নীতি, নবায়নযোগ্য শক্তির বিস্তার এবং সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি।
২০২৩–২৪ অর্থবছরে গ্যাসের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় টেক্সটাইল, স্টিল ও সার–সহ প্রধান শিল্পগুলোতে উৎপাদন ৩০–৫০ শতাংশ কমে গেছে। এসএমই খাত আরও সংকটে। দেশে গ্যাস–উৎপাদন না বাড়ায় আমদানি–নির্ভরতা বেড়েছে এবং জ্বালানি দক্ষতাও মাত্র ৩০ শতাংশে সীমাবদ্ধ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিড আধুনিকায়ন, জ্বালানি সাশ্রয়, বাধ্যতামূলক এনার্জি অডিট, প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য শক্তির দ্রুত প্রসার ছাড়া বর্তমান সংকট কমানো সম্ভব নয়। উদ্যোক্তারা বলেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় শিল্প উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এলপিজি ও সোলার–ভিত্তিক শক্তি ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও নীতি জটিলতা ও অর্থায়ন সমস্যা বড় বাধা হয়ে আছে।
সবার অভিমত—টেকসই শিল্পায়নের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা ফিরবে না।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















