০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
গাজার অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে গুলিতে নিহত ছাত্রী, যুদ্ধে শিশু ও শিক্ষার অনিশ্চয়তা আবার সামনে আফ্রিকা সফরে পোপ লিও, শান্তি ও সংলাপের বার্তায় ভ্যাটিকানের নতুন কূটনৈতিক জোর রংপুরে মাদক দ্বন্দ্বের জেরে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু বিএনপির, জমজমাট নয়াপল্টন কার্যালয় প্রণয় ভার্মা ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত, ঢাকা ছাড়ার প্রস্তুতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল প্রধান: হরমুজ প্রণালী খোলা হয়নি, নিয়ন্ত্রিত ও শর্তসাপেক্ষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধাক্কা: নিরাপত্তার ভাঙন, নতুন বাস্তবতায় উপসাগরীয় দেশগুলো বাগদাদ বিমানবন্দরে ইরানপন্থী মিলিশিয়ার হামলা, যুদ্ধবিরতির মধ্যেই উত্তেজনা ইসলামাবাদ বৈঠকের আগে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অনিশ্চয়তার ছায়া ইরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন ম্যাপ প্রকাশ করেছে, স্বাভাবিক শিপিং রুটকে বিপদ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত

সিডনিতে হানুকা উদযাপনে সন্ত্রাসী হামলা, সৌদি আরবের তীব্র নিন্দা

সিডনির সমুদ্রতটে হানুকা উদযাপনকে লক্ষ্য করে চালানো সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। হামলায় নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে রিয়াদ জানিয়েছে, সব ধরনের সহিংসতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান অটল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া
রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সিডনিতে সংঘটিত নৃশংস হামলায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবার, অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের প্রতি সৌদি আরবের আন্তরিক সমবেদনা রয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার সব রূপের বিরুদ্ধেই সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট ও দৃঢ়।

হানুকা উদযাপনে রক্তক্ষয়ী হামলা
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি জনপ্রিয় সমুদ্রতটে হানুকা উদযাপন চলাকালে দুই বন্দুকধারী গুলি চালালে অন্তত এগারো জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। ঘটনাটি দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ গণগুলিবর্ষণের একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজি ঘটনাটিকে ইহুদিবিদ্বেষ ও সন্ত্রাসবাদের প্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই পুলিশের গুলিতে এক হামলাকারী নিহত হয় এবং অপরজনকে আটক করা হয়েছে, যিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজনদের একজন আগেই নিরাপত্তা সংস্থার নজরে ছিলেন, যদিও হামলার আগে নির্দিষ্ট কোনো গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল না।

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের কমিশনার ম্যাল ল্যানিয়ন জানান, আহতের সংখ্যা অন্তত ঊনত্রিশ জন, যার মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তকারীরা সন্দেহভাজনদের একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি সন্দেহজনক বস্তু পরীক্ষা করছেন, যার মধ্যে তাৎক্ষণিক বিস্ফোরকও রয়েছে।

কঠোর অস্ত্র আইন সত্ত্বেও উদ্বেগ
অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বের অন্যতম কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর রয়েছে, যা উনিশশো ছিয়ানব্বই সালের পোর্ট আর্থার হত্যাকাণ্ডের পর চালু হয়। তবুও সিডনির এই হামলা গত প্রায় তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী গণগুলিবর্ষণ হিসেবে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত এক বছরে দেশে ইহুদিবিদ্বেষী ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে, যদিও এই হামলার সঙ্গে আগের ঘটনাগুলোর সরাসরি যোগসূত্র এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজার অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে গুলিতে নিহত ছাত্রী, যুদ্ধে শিশু ও শিক্ষার অনিশ্চয়তা আবার সামনে

সিডনিতে হানুকা উদযাপনে সন্ত্রাসী হামলা, সৌদি আরবের তীব্র নিন্দা

০৬:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সিডনির সমুদ্রতটে হানুকা উদযাপনকে লক্ষ্য করে চালানো সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। হামলায় নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে রিয়াদ জানিয়েছে, সব ধরনের সহিংসতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান অটল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া
রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সিডনিতে সংঘটিত নৃশংস হামলায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবার, অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের প্রতি সৌদি আরবের আন্তরিক সমবেদনা রয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার সব রূপের বিরুদ্ধেই সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট ও দৃঢ়।

হানুকা উদযাপনে রক্তক্ষয়ী হামলা
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি জনপ্রিয় সমুদ্রতটে হানুকা উদযাপন চলাকালে দুই বন্দুকধারী গুলি চালালে অন্তত এগারো জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। ঘটনাটি দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ গণগুলিবর্ষণের একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজি ঘটনাটিকে ইহুদিবিদ্বেষ ও সন্ত্রাসবাদের প্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই পুলিশের গুলিতে এক হামলাকারী নিহত হয় এবং অপরজনকে আটক করা হয়েছে, যিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজনদের একজন আগেই নিরাপত্তা সংস্থার নজরে ছিলেন, যদিও হামলার আগে নির্দিষ্ট কোনো গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল না।

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের কমিশনার ম্যাল ল্যানিয়ন জানান, আহতের সংখ্যা অন্তত ঊনত্রিশ জন, যার মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তকারীরা সন্দেহভাজনদের একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি সন্দেহজনক বস্তু পরীক্ষা করছেন, যার মধ্যে তাৎক্ষণিক বিস্ফোরকও রয়েছে।

কঠোর অস্ত্র আইন সত্ত্বেও উদ্বেগ
অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বের অন্যতম কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর রয়েছে, যা উনিশশো ছিয়ানব্বই সালের পোর্ট আর্থার হত্যাকাণ্ডের পর চালু হয়। তবুও সিডনির এই হামলা গত প্রায় তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী গণগুলিবর্ষণ হিসেবে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত এক বছরে দেশে ইহুদিবিদ্বেষী ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে, যদিও এই হামলার সঙ্গে আগের ঘটনাগুলোর সরাসরি যোগসূত্র এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।