১২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী-ছাত্রদের হেলমেট পরিধান, ছাদ ভেঙে পড়ার আতঙ্ক লক্ষ্মীপুরে স্কুলের ছাদ ধসে তিন শিক্ষার্থী আহত চীনের দূরদর্শী শক্তি নীতি হঠাৎ তেলের দাম বৃদ্ধির মধ্যেও অটল, বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছে রেকর্ড লাভ দিল্লিতে রেঁস্তোরাস্দাম বাড়ানোর চিন্তা রাশিয়ার উরালস ক্রুডের দাম $১২৩.৪৫-এ পৌঁছালো, ব্রেন্ট $১০৯ ইরানে মার্কিন হামলা কি যুদ্ধাপরাধ? শতাধিক আইন বিশেষজ্ঞের তীব্র অভিযোগে নতুন বিতর্ক হরমুজ প্রণালী ঘিরে বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা, ট্রাম্প-ইরান হুমকিতে তেলের দামে ঝাঁকুনি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত, মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝেই নাটকীয় সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের ঝটকা সিদ্ধান্তে অ্যাটর্নি জেনারেল পদচ্যুত পাম বন্ডি, বিতর্কের কেন্দ্রে এপস্টিন ফাইল

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা প্রত্যাহারের দাবি সম্পাদক পরিষদের

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা এবং পরে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো গুরুতর উদ্বেগজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ডিবিতে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, রোববার কোনো অভিযোগ ছাড়াই আনিস আলমগীরকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে তলব করা হয়। সেখানে তাঁকে আটকে রাখা হয় এবং পরদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

অতীতের দমন-পীড়নের স্মৃতি ফেরার আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের স্মৃতি নতুন করে জাগিয়ে তোলে। সম্পাদক পরিষদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও নির্বিচার গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমান ঘটনাটি সেই দুঃখজনক বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি বলে মনে হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান
সম্পাদক পরিষদ জোর দিয়ে বলেছে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়া ডিবিতে ডেকে নেওয়া, আটক রাখা এবং পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভুয়া মামলার প্রসঙ্গ ও সরকারের প্রতিশ্রুতি
পরিষদ আরও জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনো কারাগারে রয়েছেন। সম্পাদক পরিষদ আগেও এসব ভুয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল। সরকারের আইন উপদেষ্টা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

সব ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের দাবি
এই প্রেক্ষাপটে সম্পাদক পরিষদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে: আসিফ মাহমুদ

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা প্রত্যাহারের দাবি সম্পাদক পরিষদের

০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা এবং পরে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো গুরুতর উদ্বেগজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ডিবিতে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, রোববার কোনো অভিযোগ ছাড়াই আনিস আলমগীরকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে তলব করা হয়। সেখানে তাঁকে আটকে রাখা হয় এবং পরদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

অতীতের দমন-পীড়নের স্মৃতি ফেরার আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের স্মৃতি নতুন করে জাগিয়ে তোলে। সম্পাদক পরিষদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও নির্বিচার গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমান ঘটনাটি সেই দুঃখজনক বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি বলে মনে হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান
সম্পাদক পরিষদ জোর দিয়ে বলেছে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়া ডিবিতে ডেকে নেওয়া, আটক রাখা এবং পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভুয়া মামলার প্রসঙ্গ ও সরকারের প্রতিশ্রুতি
পরিষদ আরও জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনো কারাগারে রয়েছেন। সম্পাদক পরিষদ আগেও এসব ভুয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল। সরকারের আইন উপদেষ্টা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

সব ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের দাবি
এই প্রেক্ষাপটে সম্পাদক পরিষদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।