০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
সংকটের অপেক্ষা না সংস্কারের সাহস: ব্রিটেনের সামনে কঠিন প্রশ্ন দিনাজপুরে ঈদের আনন্দযাত্রা থামল সড়কে, প্রাণ গেল দুই কলেজপড়ুয়া বন্ধুর মেরিলিন মনরোর মৃত্যুর রহস্যে নতুন দাবি, চিকিৎসকের ভুলেই কি ঘটেছিল ট্র্যাজেডি? প্যারিসে উল্লাস থেকে সহিংসতা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের রাতে আটক চার শতাধিক জাপান-যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইনের নতুন উদ্যোগ, লুজনে গড়ে উঠছে এআই ও চিপ শিল্পের আঞ্চলিক কেন্দ্র আলুর পাহাড়ে বিপদে বেলজিয়াম, কোটি কোটি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের কাঁচামাল ফেলতে বাধ্য কৃষক ভাষার নতুন সাম্রাজ্য: কেন ‘মগিং’ শুধু একটি শব্দ নয় ভারতের কফি বিপ্লব: বিশেষায়িত কফির উত্থানে বদলে যাচ্ছে চাষিদের ভবিষ্যৎ ট্রাম্প কি মধ্যবর্তী নির্বাচন জিততে চান, নাকি রিপাবলিকান পার্টির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণই তাঁর আসল লক্ষ্য? ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার পর্যটন খাতে নতুন সংকট, ভ্রমণ ব্যয় বাড়ায় কমছে পর্যটক

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা প্রত্যাহারের দাবি সম্পাদক পরিষদের

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা এবং পরে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো গুরুতর উদ্বেগজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ডিবিতে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, রোববার কোনো অভিযোগ ছাড়াই আনিস আলমগীরকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে তলব করা হয়। সেখানে তাঁকে আটকে রাখা হয় এবং পরদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

অতীতের দমন-পীড়নের স্মৃতি ফেরার আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের স্মৃতি নতুন করে জাগিয়ে তোলে। সম্পাদক পরিষদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও নির্বিচার গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমান ঘটনাটি সেই দুঃখজনক বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি বলে মনে হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান
সম্পাদক পরিষদ জোর দিয়ে বলেছে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়া ডিবিতে ডেকে নেওয়া, আটক রাখা এবং পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভুয়া মামলার প্রসঙ্গ ও সরকারের প্রতিশ্রুতি
পরিষদ আরও জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনো কারাগারে রয়েছেন। সম্পাদক পরিষদ আগেও এসব ভুয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল। সরকারের আইন উপদেষ্টা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

সব ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের দাবি
এই প্রেক্ষাপটে সম্পাদক পরিষদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংকটের অপেক্ষা না সংস্কারের সাহস: ব্রিটেনের সামনে কঠিন প্রশ্ন

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা প্রত্যাহারের দাবি সম্পাদক পরিষদের

০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা এবং পরে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো গুরুতর উদ্বেগজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ডিবিতে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, রোববার কোনো অভিযোগ ছাড়াই আনিস আলমগীরকে গোয়েন্দা শাখার কার্যালয়ে তলব করা হয়। সেখানে তাঁকে আটকে রাখা হয় এবং পরদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

অতীতের দমন-পীড়নের স্মৃতি ফেরার আশঙ্কা
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের স্মৃতি নতুন করে জাগিয়ে তোলে। সম্পাদক পরিষদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও নির্বিচার গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমান ঘটনাটি সেই দুঃখজনক বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি বলে মনে হচ্ছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান
সম্পাদক পরিষদ জোর দিয়ে বলেছে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়া ডিবিতে ডেকে নেওয়া, আটক রাখা এবং পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভুয়া মামলার প্রসঙ্গ ও সরকারের প্রতিশ্রুতি
পরিষদ আরও জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনো কারাগারে রয়েছেন। সম্পাদক পরিষদ আগেও এসব ভুয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল। সরকারের আইন উপদেষ্টা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

সব ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের দাবি
এই প্রেক্ষাপটে সম্পাদক পরিষদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।