০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
উপসাগরের অমিল: ইরান যুদ্ধ দেখিয়ে দিল আরব ঐক্যের সীমাবদ্ধতা  নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস

ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় দিয়ে সেভেন সিস্টার্স আলাদা করে দেব

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে পরিচিত রাজ্যগুলোকে আলাদা করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে জড়িতদের ভারত আশ্রয় ও সহায়তা দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই তিনি এমন বক্তব্য দেন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সর্বদলীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ইনকিলাব মঞ্চ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, সন্ত্রাস চালাচ্ছে, ভোটাধিকার হরণ করছে এবং হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত—তাদের আশ্রয়, প্রশ্রয় ও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে ভারত। তাঁর দাবি, দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীল করে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চলছে।

ভারতকে সরাসরি উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে বিশ্বাস করে না, তাদের আশ্রয় দিলে আমরাও বাংলাদেশে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় দিয়ে সেভেন সিস্টার্স আলাদা করে দেব।

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারত অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি পক্ষকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তাঁর মতে, ভারতকে আর শুধু ‘পার্শ্ববর্তী দেশ’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; দেশটির অবস্থান স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে, একই দিন এক অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে মানুষের মৃত্যু কেবল একটি সংখ্যা। তাঁর ভাষ্য, কমিশনের এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতারই প্রতিফলন।

জনপ্রিয় সংবাদ

উপসাগরের অমিল: ইরান যুদ্ধ দেখিয়ে দিল আরব ঐক্যের সীমাবদ্ধতা

ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় দিয়ে সেভেন সিস্টার্স আলাদা করে দেব

০৮:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে পরিচিত রাজ্যগুলোকে আলাদা করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে জড়িতদের ভারত আশ্রয় ও সহায়তা দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই তিনি এমন বক্তব্য দেন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সর্বদলীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ইনকিলাব মঞ্চ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, সন্ত্রাস চালাচ্ছে, ভোটাধিকার হরণ করছে এবং হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত—তাদের আশ্রয়, প্রশ্রয় ও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে ভারত। তাঁর দাবি, দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীল করে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চলছে।

ভারতকে সরাসরি উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারকে বিশ্বাস করে না, তাদের আশ্রয় দিলে আমরাও বাংলাদেশে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় দিয়ে সেভেন সিস্টার্স আলাদা করে দেব।

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারত অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি পক্ষকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তাঁর মতে, ভারতকে আর শুধু ‘পার্শ্ববর্তী দেশ’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; দেশটির অবস্থান স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে, একই দিন এক অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে মানুষের মৃত্যু কেবল একটি সংখ্যা। তাঁর ভাষ্য, কমিশনের এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতারই প্রতিফলন।