০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ত্বকের যত্নে নতুন চমক, একসঙ্গে আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দেবে টোনার প্যাড এইডস প্রতিরোধে অর্থসংকট, বিশ্বজুড়ে আবারও এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা চাকরি পেতে যোগ্যতার পাশাপাশি আপনার পোশাক-পরিচ্ছদও কি গুরুত্বপূর্ণ? হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরান-ওমানের তৎপরতা, যুদ্ধের উত্তেজনা কমার আশায় বিশ্ব এসঅ্যান্ডপি’র সতর্কবার্তা: বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ আগুনে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, আহত আরও একজন ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও ২০২৮ সালে জেডি ভ্যান্সই কেন এগিয়ে, রুবিওর সম্ভাবনা কতটা যুদ্ধের ক্ষত পেরিয়ে ইরান: শোক, ক্ষোভ আর টিকে থাকার লড়াই ইবোলা ঠেকাতে সীমান্তে দড়ি, কঙ্গোর পাশের উগান্ডার শহরে নেই নতুন সংক্রমণ চার শিল্পীর ভিন্ন ভাবনায় নতুন আলোচনায় কোরিয়ার শিল্পজগৎ

প্রথম আলোর কারওয়ান বাজার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিচার দাবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় এই দৈনিকের সাংবাদিকরা।

শুক্রবার দুপুরে কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়। আগের রাতের হামলার প্রতিবাদ জানাতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কবি ও লেখক সাজ্জাদ শরিফ। তিনি প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদকও। তিনি বলেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার আমরা চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

হামলার পটভূমি ও পরিস্থিতি

সাজ্জাদ শরিফ বলেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে যখন প্রথম আলোর সাংবাদিকরা পরদিনের পত্রিকা প্রস্তুতের কাজে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এতে কর্মরত সাংবাদিকদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, সাংবাদিকদের কাজ বন্ধ করে কার্যালয় ছাড়তে বাধ্য হতে হয়। এর ফলে পত্রিকাটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

প্রকাশনা বন্ধ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

সাজ্জাদ শরিফ আরও বলেন, প্রথম আলোর ২৭ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম পত্রিকাটি ছাপা আকারে প্রকাশ করা যায়নি। শুধু তাই নয়, হামলার পর থেকে অনলাইন সংস্করণও বন্ধ রয়েছে।

তার ভাষায়, এটি শুধু একটি সংবাদপত্রে হামলা নয়; এটি বাংলাদেশের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

তিনি আরও বলেন, একই সময়ে প্রথম আলো ছাড়াও দ্য ডেইলি স্টার আক্রান্ত হয়েছে। এই ঘটনাকে তিনি গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্বকের যত্নে নতুন চমক, একসঙ্গে আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দেবে টোনার প্যাড

প্রথম আলোর কারওয়ান বাজার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিচার দাবি

০৮:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় এই দৈনিকের সাংবাদিকরা।

শুক্রবার দুপুরে কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়। আগের রাতের হামলার প্রতিবাদ জানাতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কবি ও লেখক সাজ্জাদ শরিফ। তিনি প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদকও। তিনি বলেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার আমরা চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

হামলার পটভূমি ও পরিস্থিতি

সাজ্জাদ শরিফ বলেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে যখন প্রথম আলোর সাংবাদিকরা পরদিনের পত্রিকা প্রস্তুতের কাজে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এতে কর্মরত সাংবাদিকদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, সাংবাদিকদের কাজ বন্ধ করে কার্যালয় ছাড়তে বাধ্য হতে হয়। এর ফলে পত্রিকাটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

প্রকাশনা বন্ধ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

সাজ্জাদ শরিফ আরও বলেন, প্রথম আলোর ২৭ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম পত্রিকাটি ছাপা আকারে প্রকাশ করা যায়নি। শুধু তাই নয়, হামলার পর থেকে অনলাইন সংস্করণও বন্ধ রয়েছে।

তার ভাষায়, এটি শুধু একটি সংবাদপত্রে হামলা নয়; এটি বাংলাদেশের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

তিনি আরও বলেন, একই সময়ে প্রথম আলো ছাড়াও দ্য ডেইলি স্টার আক্রান্ত হয়েছে। এই ঘটনাকে তিনি গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।