ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের এক বিস্ফোরক দাবির পর। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট **নিকোলাস মাদুরো**কে আটক করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলার সরকারি পক্ষ থেকে সরাসরি স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি।
সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন
এই দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য, অন্যদিকে কারাকাসের নীরবতা—সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, বর্তমানে ভেনেজুয়েলার প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিশ্চিত তথ্য না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও অস্থির হতে পারে।
ভেতরে ও বাইরে প্রতিক্রিয়া
ভেনেজুয়েলার ভেতরে সরকারপন্থী ও বিরোধী উভয় শিবিরেই উত্তেজনা বাড়ছে। বিরোধীরা একে ‘শাসনের শেষ অধ্যায়’ বললেও সরকারপন্থীরা এটিকে বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে। আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশ সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
সাধারণ মানুষের শঙ্কা
ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হলে তার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। খাদ্য সরবরাহ, জ্বালানি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা—সবকিছু নিয়েই নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















