০২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুন্দরবনে ৩ মাস পর পর্যটক ও জেলেদের প্রবেশ, জীববৈচিত্র্যে মিলেছে স্বস্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, ৩ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল দেড় শতকের পথে দানাং বন্দর, ১২৫ বছরে স্মার্ট সামুদ্রিক বাণিজ্যকেন্দ্রে রূপান্তর ইনফ্লুয়েন্সার বাছাইয়ে বদলে যাচ্ছে ব্র্যান্ডের কৌশল মুখের যত্নেও বিলাসী সৌন্দর্যের যুগ, ডাইসনের প্রথম টুথব্রাশে নতুন ইঙ্গিত মায়ের পেনশন পেতে ঘুষের দাবি, প্রতিবাদে কিশোরের ‘ঘুষ’ ওয়েবসাইট—৯ দিনে অভিযোগ প্রায় ১০ হাজার সিন্ধু পানি চুক্তির সালিশি রায় প্রত্যাখ্যান ভারতের, আদালতকে বলল ‘অবৈধভাবে গঠিত’ যুক্তরাষ্ট্রে কলেজ সংকট: কমতে থাকা শিক্ষার্থী ও বাড়তি খরচে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে শত শত প্রতিষ্ঠান শি–পুতিন বৈঠক: কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার চীন ও রাশিয়ার শি-ট্রাম্প বৈঠকের আগে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্তে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চাপ

২০২৬ সালে স্থবির যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেন–রাশিয়া সংঘাত

শীতের প্রভাবেও থামেনি সংঘর্ষ
২০২৬ সালের শুরুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ কার্যত এক ধরনের শীতকালীন স্থবিরতায় প্রবেশ করেছে। তীব্র ঠান্ডা, বরফে ঢাকা রাস্তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে বড় ধরনের সামরিক অগ্রগতি কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে উভয় পক্ষই বর্তমানে অবস্থান ধরে রাখা ও শক্তি সংরক্ষণে মনোযোগ দিচ্ছে।
তবে সংঘর্ষ থেমে নেই। প্রতিদিন গোলাবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চলছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও পরিবহন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার খবর মিলছে, যা শীতকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কূটনীতিতে অচলাবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবতা
কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, আর মস্কো তাদের অবস্থানে অনড়। প্রকাশ্য বক্তব্যে কোনো পক্ষই ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে। প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ছে, জ্বালানি কৌশল বদলাচ্ছে, এবং অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে ৩ মাস পর পর্যটক ও জেলেদের প্রবেশ, জীববৈচিত্র্যে মিলেছে স্বস্তি

২০২৬ সালে স্থবির যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেন–রাশিয়া সংঘাত

০৭:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

শীতের প্রভাবেও থামেনি সংঘর্ষ
২০২৬ সালের শুরুতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ কার্যত এক ধরনের শীতকালীন স্থবিরতায় প্রবেশ করেছে। তীব্র ঠান্ডা, বরফে ঢাকা রাস্তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে বড় ধরনের সামরিক অগ্রগতি কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে উভয় পক্ষই বর্তমানে অবস্থান ধরে রাখা ও শক্তি সংরক্ষণে মনোযোগ দিচ্ছে।
তবে সংঘর্ষ থেমে নেই। প্রতিদিন গোলাবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চলছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও পরিবহন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার খবর মিলছে, যা শীতকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

কূটনীতিতে অচলাবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবতা
কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, আর মস্কো তাদের অবস্থানে অনড়। প্রকাশ্য বক্তব্যে কোনো পক্ষই ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে। প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ছে, জ্বালানি কৌশল বদলাচ্ছে, এবং অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিচ্ছে।