০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
নীরব জাঁকজমকের ভাষা: দুবাইয়ে দামিয়ানির নতুন অধ্যায়ে জেসিকা চ্যাস্টেইনের আলো ভাড়া না কেনা, কেনা না ভাড়া: সুদের ভবিষ্যৎ যেদিকে, সিদ্ধান্তও সেদিকেই ইউরোপের বন্ডে ধসের আভাস, ডাচ পেনশনের সরে দাঁড়ানোয় ঋণচাপে সরকারগুলো ভিয়েতনামের দ্রুত বৃদ্ধি, নড়বড়ে ভিত: উন্নয়নের জোয়ারে ঝুঁকির ছায়া আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে আবার নির্বাচনের দৌড়ে মান্না, বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সূচকের বড় পতনে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন কমল বাংলাদেশের অচলাবস্থা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা: এনডিটিভি প্রতিবেদন বিক্ষোভের চাপে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি

অ্যাশেজ ধাক্কার পরও হাল ছাড়ছেন না স্টোকস, ভুল শুধরানোর অঙ্গীকার

সিডনিতে শেষ টেস্টে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আবারও ভেঙে পড়েছে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ স্বপ্ন। সিরিজে চার এক ব্যবধানে হারলেও নেতৃত্ব ছাড়ছেন না ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস। বরং সামনে কঠিন সময়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি। ম্যাচ শেষে স্টোকস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা তার অটুট এবং কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম-এর ওপরও তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ভরাডুবির শুরু
নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়ার সময় ইংল্যান্ড শিবিরে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল না। দুই হাজার দশ-এগারোর পর প্রথমবার অ্যাশেজ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দলটি। কিন্তু বাস্তবতা ছিল নির্মম। পার্থে মাত্র দুই দিনে আট উইকেটে হার এবং ব্রিসবেনে দিবা-রাত্রির টেস্টেও একই ব্যবধানে পরাজয় সফরের শুরুতেই চাপ বাড়িয়ে দেয়। অ্যাডিলেডে বিরাশি রানে হার মানার পর তিন টেস্টেই সিরিজ হাতছাড়া হয়ে যায়।

Image

বাজবল কৌশলের কঠিন পরীক্ষা
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ইংল্যান্ডের অতিআক্রমণাত্মক ব্যাটিং দর্শন পুরোপুরি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে এই কৌশল যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তবু দলের দুর্দিনে ব্যাটে ও নেতৃত্বে স্টোকস ছিলেন ব্যতিক্রমী এক আলোর রেখা। সিডনিতে শেষ টেস্টে পাঁচ উইকেটে হারলেও তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ তাকে আরও এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে।

স্টোকসের দৃঢ় বার্তা
পরাজয়ের পর স্টোকস জানান, দলের আগের মানে ফেরাই এখন তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। সামনে দেশে ফিরে কঠোর মূল্যায়নের মুখে পড়বে দল, বোর্ডের ওপরও থাকবে সিদ্ধান্তের চাপ। তবু স্টোকস বিশ্বাস করেন, জুনে পরবর্তী টেস্ট সিরিজ শুরুর আগ পর্যন্ত সময়টাই হবে ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ।

Image

কোচ ম্যাককালামের অবস্থান
স্টোকসের আশা, আগামী টেস্টেও দায়িত্বে থাকবেন ম্যাককালাম। অধিনায়কের ভাষায়, তার সঙ্গে কাজ করতে তিনি ভালোবাসেন এবং কোচ হিসেবে ম্যাককালামের দক্ষতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অন্যদিকে ম্যাককালাম নিজেও স্বীকার করেছেন উন্নতির জায়গা রয়েছে, তবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তিনি তা মানতে রাজি নন।

হারের মাঝেও আশার আলো
ভারি পরাজয়ের মাঝেও কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছে ইংল্যান্ড। ইনজুরির কারণে মার্ক উড, জফরা আর্চার ও গাস অ্যাটকিনসনকে হারালেও নতুন মুখরা নজর কাড়েন। জশ টাং দায়িত্ব পেয়ে দারুণ বোলিং করেন। সিডনিতে মাত্র বাইশ বছর বয়সী জ্যাকব বেথেলের অনবদ্য একশ চুয়ান্ন রানের ইনিংস ছিল সিরিজের উজ্জ্বল মুহূর্তগুলোর একটি। স্টোকসের মতে, এই তরুণদের পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী করে তুলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীরব জাঁকজমকের ভাষা: দুবাইয়ে দামিয়ানির নতুন অধ্যায়ে জেসিকা চ্যাস্টেইনের আলো

অ্যাশেজ ধাক্কার পরও হাল ছাড়ছেন না স্টোকস, ভুল শুধরানোর অঙ্গীকার

০৬:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

সিডনিতে শেষ টেস্টে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আবারও ভেঙে পড়েছে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ স্বপ্ন। সিরিজে চার এক ব্যবধানে হারলেও নেতৃত্ব ছাড়ছেন না ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস। বরং সামনে কঠিন সময়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি। ম্যাচ শেষে স্টোকস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা তার অটুট এবং কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম-এর ওপরও তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ভরাডুবির শুরু
নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়ার সময় ইংল্যান্ড শিবিরে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল না। দুই হাজার দশ-এগারোর পর প্রথমবার অ্যাশেজ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দলটি। কিন্তু বাস্তবতা ছিল নির্মম। পার্থে মাত্র দুই দিনে আট উইকেটে হার এবং ব্রিসবেনে দিবা-রাত্রির টেস্টেও একই ব্যবধানে পরাজয় সফরের শুরুতেই চাপ বাড়িয়ে দেয়। অ্যাডিলেডে বিরাশি রানে হার মানার পর তিন টেস্টেই সিরিজ হাতছাড়া হয়ে যায়।

Image

বাজবল কৌশলের কঠিন পরীক্ষা
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ইংল্যান্ডের অতিআক্রমণাত্মক ব্যাটিং দর্শন পুরোপুরি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে এই কৌশল যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তবু দলের দুর্দিনে ব্যাটে ও নেতৃত্বে স্টোকস ছিলেন ব্যতিক্রমী এক আলোর রেখা। সিডনিতে শেষ টেস্টে পাঁচ উইকেটে হারলেও তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ তাকে আরও এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে।

স্টোকসের দৃঢ় বার্তা
পরাজয়ের পর স্টোকস জানান, দলের আগের মানে ফেরাই এখন তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। সামনে দেশে ফিরে কঠোর মূল্যায়নের মুখে পড়বে দল, বোর্ডের ওপরও থাকবে সিদ্ধান্তের চাপ। তবু স্টোকস বিশ্বাস করেন, জুনে পরবর্তী টেস্ট সিরিজ শুরুর আগ পর্যন্ত সময়টাই হবে ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ।

Image

কোচ ম্যাককালামের অবস্থান
স্টোকসের আশা, আগামী টেস্টেও দায়িত্বে থাকবেন ম্যাককালাম। অধিনায়কের ভাষায়, তার সঙ্গে কাজ করতে তিনি ভালোবাসেন এবং কোচ হিসেবে ম্যাককালামের দক্ষতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অন্যদিকে ম্যাককালাম নিজেও স্বীকার করেছেন উন্নতির জায়গা রয়েছে, তবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তিনি তা মানতে রাজি নন।

হারের মাঝেও আশার আলো
ভারি পরাজয়ের মাঝেও কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছে ইংল্যান্ড। ইনজুরির কারণে মার্ক উড, জফরা আর্চার ও গাস অ্যাটকিনসনকে হারালেও নতুন মুখরা নজর কাড়েন। জশ টাং দায়িত্ব পেয়ে দারুণ বোলিং করেন। সিডনিতে মাত্র বাইশ বছর বয়সী জ্যাকব বেথেলের অনবদ্য একশ চুয়ান্ন রানের ইনিংস ছিল সিরিজের উজ্জ্বল মুহূর্তগুলোর একটি। স্টোকসের মতে, এই তরুণদের পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী করে তুলছে।