০৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধের পরও নীলনদ সংকটের সমাধান হয়নি জয়ন্ত রায় চৌধুরী ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়ার ইংরেজি সংবাদসেবার সম্পাদক হুথি হামলা ঠেকাতে সৌদি জেটে জ্বালানি দেবে ব্রিটিশ বিমানবাহিনী নাসার চন্দ্র-আমন্ত্রণ ফিরিয়ে বিশ্বকে ডাকল ভারত নিজের চন্দ্রাভিযানে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ স্থগিত করল জামায়াতে ইসলামি ক্যারিবীয় সাগরে মাদক নৌযানে মার্কিন হামলা, জাতিসংঘের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ ট্রাম্প-শি বৈঠকে বড় চুক্তির চেয়ে ছোট সমঝোতার সম্ভাবনাই বেশি এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে ভয়, ৭৩ শতাংশের মতে বিপদ ঠেকাতে যথেষ্ট করছে না কোম্পানিগুলো যুক্তরাজ্যের ঋণ বেড়ে চাপে চ্যান্সেলর, বাজেটের আর্থিক সুযোগ কমছে তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে চাপ দেবেন শি, ১৯৮২ সালের চুক্তির দোহাইয়ে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি

চীনের সঙ্গে ড্রোন উৎপাদনে কোনো দেশের ক্ষতি করবে না বাংলাদেশ

চীনের সঙ্গে যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদনের উদ্যোগে বাংলাদেশ এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না, যাতে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন আশ্বাস দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে পরিচালিত হয়। সরকার এমন কোনো উদ্যোগ নেবে না, যা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। চীনের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে সামরিক ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে তার এই মন্তব্য আসে।

চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ড্রোন কারখানা স্থাপন করছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সব সময় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখে এবং কোনো পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়—এমন কিছু করে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর এই উদ্যোগের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বিমান বাহিনীর অনেক ব্যবহৃত বিমান পুরোনো হয়ে গেছে এবং কিছু বিমান আর কার্যক্ষম অবস্থায় নেই। এ কারণে ন্যূনতম পর্যায়ে হলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করা অপরিহার্য।

তিনি আরও জানান, কোন দেশ থেকে কত পরিমাণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে রয়েছে ইরান -  Parstoday

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটির নাম ‘মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) উৎপাদন কারখানা স্থাপন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

জোটে যোগদানের বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছরে বাংলাদেশ কোনো নতুন জোটে যোগ দেয়নি। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, যদি কোনো জোটে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত হয় এবং দেশ উপকৃত হয়, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। অন্যথায় কোনো জোটে যুক্ত হওয়ার প্রশ্ন নেই।

ড্রোন উৎপাদনে চীনের সঙ্গে চুক্তি

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্র্যান্ড রেনেসাঁ বাঁধের পরও নীলনদ সংকটের সমাধান হয়নি

চীনের সঙ্গে ড্রোন উৎপাদনে কোনো দেশের ক্ষতি করবে না বাংলাদেশ

১২:০০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের সঙ্গে যৌথভাবে ড্রোন উৎপাদনের উদ্যোগে বাংলাদেশ এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না, যাতে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন আশ্বাস দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে পরিচালিত হয়। সরকার এমন কোনো উদ্যোগ নেবে না, যা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। চীনের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে সামরিক ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে তার এই মন্তব্য আসে।

চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ড্রোন কারখানা স্থাপন করছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সব সময় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখে এবং কোনো পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়—এমন কিছু করে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর এই উদ্যোগের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বিমান বাহিনীর অনেক ব্যবহৃত বিমান পুরোনো হয়ে গেছে এবং কিছু বিমান আর কার্যক্ষম অবস্থায় নেই। এ কারণে ন্যূনতম পর্যায়ে হলেও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করা অপরিহার্য।

তিনি আরও জানান, কোন দেশ থেকে কত পরিমাণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে রয়েছে ইরান -  Parstoday

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটির নাম ‘মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) উৎপাদন কারখানা স্থাপন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

জোটে যোগদানের বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছরে বাংলাদেশ কোনো নতুন জোটে যোগ দেয়নি। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, যদি কোনো জোটে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত হয় এবং দেশ উপকৃত হয়, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। অন্যথায় কোনো জোটে যুক্ত হওয়ার প্রশ্ন নেই।

ড্রোন উৎপাদনে চীনের সঙ্গে চুক্তি