০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর সীমান্তে সতর্ক বিজিবি, ‘পুশ-ইন’ ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি বক্স অফিসের নায়ক থেকে তামিল রাজনীতির বিস্ময়, কীভাবে ‘থালাপতি’ বিজয় বদলে দিলেন তামিলনাড়ুর সমীকরণ ক্রেনশর পথ ও “আন্তঃসংযোগ”-এর জন্ম চীনা কোম্পানির বৈশ্বিক আয় রেকর্ডে, শীর্ষে ফক্সকন ও বিওয়াইডি ভারসাম্যের কূটনীতিতে ভারত-ভিয়েতনাম ঘনিষ্ঠতা, সুপারপাওয়ার নির্ভরতা কমানোর বার্তা চিপ জুয়ার ধস: এআই বুমের মাঝেই শেনজেনের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি ইউয়ান গায়েব মধ্যবিত্ত পৃথিবীর শেষ আশ্রয়: বারো বছরের কিশোরীরা কেন এখনও ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে চীনের ক্ষোভ, ৮০ বছর পর বিদেশে ‘অফেনসিভ’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল জাপান বি পজিটিভ রক্তের জরুরি আহ্বান, সিজার-পরবর্তী সংকটে তরুণী মৌসুমির জন্য প্রয়োজন ৮ ব্যাগ রক্ত ভারতীয় গলফে দীর্ঘ খরা, তবু আশার আলো দেখছেন সাবেক তারকারা

ভারত থেকে অবৈধভাবে ইলিশ আমদানি, বেনাপোলে আটক ৩ টন

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ইলিশ মাছ আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছিল একটি চক্র। বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অভিযানে প্রায় সাড়ে তিন টন ভারতীয় ইলিশ মাছসহ পুরো চালানটি আটক করা হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্র জানায়, সাদা মাছ আমদানির ঘোষণা দিয়ে চালানটিতে গোপনে উচ্চমূল্যের ইলিশ মাছ আনা হচ্ছিল। পচনশীল পণ্য বিবেচনায় অন্যান্য মাছ খালাসের অনুমতি দেওয়া হলেও অবৈধভাবে আমদানি করা ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ৩১ নম্বর কাঁচামাল শেডে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালান। এ সময় দুটি ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ দেখা দিলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কায়িক পরীক্ষা করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ, ভারতে বাড়ছে দাম

পরীক্ষায় দেখা যায়, ঘোষণাপত্রে ‘সুইট ফিশ’ হিসেবে বোয়াল, ফলিও ও বাঘাড় মাছ উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ২২৫ প্যাকেজের মধ্যে ৫৪ প্যাকেজে প্রায় সাড়ে তিন টন ভারতীয় ইলিশ মাছ রয়েছে। জব্দ করা ইলিশের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চালানটির ভারতীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরজে ইন্টারন্যাশনাল এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরাভিত্তিক মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ। উভয় পক্ষের যোগসাজশে ঘোষণাপত্রে পণ্যের প্রকৃতি গোপন রেখে কম শুল্কে নিয়ন্ত্রিত পণ্য খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

দেশের বাজারের চেয়ে কম দরে ভারতে কীভাবে ইলিশ রপ্তানি হচ্ছে | প্রথম আলো

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, ঘোষণাপত্রের তথ্যের সঙ্গে কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া পণ্যের স্পষ্ট অমিল রয়েছে, যা শুল্ক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এ ঘটনায় আমদানিকারক, রফতানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সি-অ্যান্ড-এফ এজেন্টের ভূমিকা তদন্ত করা হচ্ছে। দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর সীমান্তে সতর্ক বিজিবি, ‘পুশ-ইন’ ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি

ভারত থেকে অবৈধভাবে ইলিশ আমদানি, বেনাপোলে আটক ৩ টন

১২:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ইলিশ মাছ আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছিল একটি চক্র। বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অভিযানে প্রায় সাড়ে তিন টন ভারতীয় ইলিশ মাছসহ পুরো চালানটি আটক করা হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্র জানায়, সাদা মাছ আমদানির ঘোষণা দিয়ে চালানটিতে গোপনে উচ্চমূল্যের ইলিশ মাছ আনা হচ্ছিল। পচনশীল পণ্য বিবেচনায় অন্যান্য মাছ খালাসের অনুমতি দেওয়া হলেও অবৈধভাবে আমদানি করা ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ৩১ নম্বর কাঁচামাল শেডে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালান। এ সময় দুটি ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ দেখা দিলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কায়িক পরীক্ষা করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ, ভারতে বাড়ছে দাম

পরীক্ষায় দেখা যায়, ঘোষণাপত্রে ‘সুইট ফিশ’ হিসেবে বোয়াল, ফলিও ও বাঘাড় মাছ উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ২২৫ প্যাকেজের মধ্যে ৫৪ প্যাকেজে প্রায় সাড়ে তিন টন ভারতীয় ইলিশ মাছ রয়েছে। জব্দ করা ইলিশের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চালানটির ভারতীয় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরজে ইন্টারন্যাশনাল এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরাভিত্তিক মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ। উভয় পক্ষের যোগসাজশে ঘোষণাপত্রে পণ্যের প্রকৃতি গোপন রেখে কম শুল্কে নিয়ন্ত্রিত পণ্য খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

দেশের বাজারের চেয়ে কম দরে ভারতে কীভাবে ইলিশ রপ্তানি হচ্ছে | প্রথম আলো

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, ঘোষণাপত্রের তথ্যের সঙ্গে কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া পণ্যের স্পষ্ট অমিল রয়েছে, যা শুল্ক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। এ ঘটনায় আমদানিকারক, রফতানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সি-অ্যান্ড-এফ এজেন্টের ভূমিকা তদন্ত করা হচ্ছে। দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।