০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি বৈদেশিক ঋণের চাপে বাংলাদেশ চরাচর মহানন্দা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের গাজীপুরে ২০ কিলোমিটার যানজট, ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি ঈদযাত্রায় বাড়তে পারে হামের সংক্রমণ, সতর্ক করলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ‘দ্য জাপানিজ ওয়ে অব প্যারেন্টিং’ বইয়ে জাপানি মাতৃত্বের অদৃশ্য শ্রম ও আধুনিক পরিবারের নতুন প্রশ্ন স্টার ওয়ার্সের বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন, ডিজনির সামনে এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা নিখোঁজ বৃদ্ধদের অদৃশ্য ট্র্যাজেডি: বার্ধক্য, ডিমেনশিয়া ও সমাজের ব্যর্থতা ই-কমার্স আইনে রাইড-হেইলিং অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক ইন্দোনেশিয়ায়

মোবাইল চুরিতে বাধা দেওয়ায় নারীকে হত্যা পরে গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন চোর

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক নারী নিহত হওয়ার পর সন্দেহভাজন চোরকে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

নিহতদের পরিচয়
নিহত নারী হলেন আমেনা বেগম, বয়স ৪৫ বছর। তিনি কেরাবো এলাকার বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অপর নিহত ব্যক্তি মেহেদী ইসলাম, বয়স ৩২ বছর, বিরাবো খালপার এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, মেহেদীকে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

মোবাইল চুরি নিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে খুনি নিহত « বাংলাখবর প্রতিদিন

ঘটনার পটভূমি
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবুজেল হোসেন জানান, বাবুল দেওয়ান এলাকার একজন মুদিদোকান মালিক। তিনি নিজের বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করছিলেন। সেই ভবনের টাইলস লাগানোর কাজের দায়িত্বে ছিলেন মেহেদী ইসলাম।

মোবাইল চুরির সময় ধরা পড়া
শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমেনা বেগম ঘরের ভেতর মেহেদী ইসলামকে মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করতে দেখেন। তিনি বাধা দিলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

রূপগঞ্জে চুরিতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক  | The Business Standard

নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মেহেদী একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমেনাকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।

গণপিটুনিতে চোরের মৃত্যু
স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে মেহেদীকে ধরে ফেলে এবং তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে পুলিশ জানায়।

নভেম্বরে ১৯ গণপিটুনিতে দশ জনের মৃত্যু, অজ্ঞাত ৪৪ লাশ

দুইজনেরই মৃত্যু
আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফলে একই ঘটনায় দুজনের প্রাণহানি ঘটে।

এলাকায় উত্তেজনা ও পুলিশের পদক্ষেপ
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

আইনি ব্যবস্থা
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রুপিয়ার দুর্বলতা শুধু মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, মধ্যবিত্তের ভঙ্গুর ভবিষ্যতেরও প্রতিচ্ছবি

মোবাইল চুরিতে বাধা দেওয়ায় নারীকে হত্যা পরে গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন চোর

০১:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক নারী নিহত হওয়ার পর সন্দেহভাজন চোরকে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

নিহতদের পরিচয়
নিহত নারী হলেন আমেনা বেগম, বয়স ৪৫ বছর। তিনি কেরাবো এলাকার বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অপর নিহত ব্যক্তি মেহেদী ইসলাম, বয়স ৩২ বছর, বিরাবো খালপার এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, মেহেদীকে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

মোবাইল চুরি নিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে খুনি নিহত « বাংলাখবর প্রতিদিন

ঘটনার পটভূমি
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবুজেল হোসেন জানান, বাবুল দেওয়ান এলাকার একজন মুদিদোকান মালিক। তিনি নিজের বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করছিলেন। সেই ভবনের টাইলস লাগানোর কাজের দায়িত্বে ছিলেন মেহেদী ইসলাম।

মোবাইল চুরির সময় ধরা পড়া
শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমেনা বেগম ঘরের ভেতর মেহেদী ইসলামকে মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করতে দেখেন। তিনি বাধা দিলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

রূপগঞ্জে চুরিতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক  | The Business Standard

নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মেহেদী একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমেনাকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।

গণপিটুনিতে চোরের মৃত্যু
স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে মেহেদীকে ধরে ফেলে এবং তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে পুলিশ জানায়।

নভেম্বরে ১৯ গণপিটুনিতে দশ জনের মৃত্যু, অজ্ঞাত ৪৪ লাশ

দুইজনেরই মৃত্যু
আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফলে একই ঘটনায় দুজনের প্রাণহানি ঘটে।

এলাকায় উত্তেজনা ও পুলিশের পদক্ষেপ
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

আইনি ব্যবস্থা
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।