০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
চীনের নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা: ব্রাসেলস এড়িয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নরম করতে বেইজিংয়ের কৌশল দুবাই চেম্বার্সের রপ্তানি রেকর্ড, অর্থনীতিতে আস্থার নতুন মাইলফলক ইইউ ইউক্রেনের জন্য দ্রুত কিন্তু সীমিত সদস্যপদের ধারণা বিবেচনা করছে বিপির কম-কার্বন বিনিয়োগে বড় ধাক্কা, তেল ও গ্যাসে ফেরার ইঙ্গিত মার্কিন শুল্কে চাপে চীনা সংস্থা, উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপ ব্যবহারে খরচ বাড়ার আশঙ্কা অভিনয়ের আপস না করার জেদই তাঁকে শীর্ষে তুলেছে: ওয়াগনার মৌরার গোল্ডেন গ্লোব জয় প্রযুক্তি স্বনির্ভরতার পথে চীনের কড়া অবস্থান, মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপে নতুন নিয়ন্ত্রণ শীতেও স্বস্তি নেই রান্নাঘরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নব্য ঔপনিবেশিকতা’,ভেনেজুয়েলা অভিযান  তিন বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুইজনের, আহত অন্তত দশ

মোবাইল চুরিতে বাধা দেওয়ায় নারীকে হত্যা পরে গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন চোর

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক নারী নিহত হওয়ার পর সন্দেহভাজন চোরকে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

নিহতদের পরিচয়
নিহত নারী হলেন আমেনা বেগম, বয়স ৪৫ বছর। তিনি কেরাবো এলাকার বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অপর নিহত ব্যক্তি মেহেদী ইসলাম, বয়স ৩২ বছর, বিরাবো খালপার এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, মেহেদীকে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

মোবাইল চুরি নিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে খুনি নিহত « বাংলাখবর প্রতিদিন

ঘটনার পটভূমি
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবুজেল হোসেন জানান, বাবুল দেওয়ান এলাকার একজন মুদিদোকান মালিক। তিনি নিজের বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করছিলেন। সেই ভবনের টাইলস লাগানোর কাজের দায়িত্বে ছিলেন মেহেদী ইসলাম।

মোবাইল চুরির সময় ধরা পড়া
শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমেনা বেগম ঘরের ভেতর মেহেদী ইসলামকে মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করতে দেখেন। তিনি বাধা দিলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

রূপগঞ্জে চুরিতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক  | The Business Standard

নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মেহেদী একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমেনাকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।

গণপিটুনিতে চোরের মৃত্যু
স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে মেহেদীকে ধরে ফেলে এবং তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে পুলিশ জানায়।

নভেম্বরে ১৯ গণপিটুনিতে দশ জনের মৃত্যু, অজ্ঞাত ৪৪ লাশ

দুইজনেরই মৃত্যু
আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফলে একই ঘটনায় দুজনের প্রাণহানি ঘটে।

এলাকায় উত্তেজনা ও পুলিশের পদক্ষেপ
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

আইনি ব্যবস্থা
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা: ব্রাসেলস এড়িয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নরম করতে বেইজিংয়ের কৌশল

মোবাইল চুরিতে বাধা দেওয়ায় নারীকে হত্যা পরে গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন চোর

০১:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক নারী নিহত হওয়ার পর সন্দেহভাজন চোরকে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

নিহতদের পরিচয়
নিহত নারী হলেন আমেনা বেগম, বয়স ৪৫ বছর। তিনি কেরাবো এলাকার বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অপর নিহত ব্যক্তি মেহেদী ইসলাম, বয়স ৩২ বছর, বিরাবো খালপার এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, মেহেদীকে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

মোবাইল চুরি নিয়ে গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে খুনি নিহত « বাংলাখবর প্রতিদিন

ঘটনার পটভূমি
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবুজেল হোসেন জানান, বাবুল দেওয়ান এলাকার একজন মুদিদোকান মালিক। তিনি নিজের বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করছিলেন। সেই ভবনের টাইলস লাগানোর কাজের দায়িত্বে ছিলেন মেহেদী ইসলাম।

মোবাইল চুরির সময় ধরা পড়া
শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আমেনা বেগম ঘরের ভেতর মেহেদী ইসলামকে মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করতে দেখেন। তিনি বাধা দিলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

রূপগঞ্জে চুরিতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক  | The Business Standard

নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মেহেদী একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমেনাকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।

গণপিটুনিতে চোরের মৃত্যু
স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে মেহেদীকে ধরে ফেলে এবং তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে পুলিশ জানায়।

নভেম্বরে ১৯ গণপিটুনিতে দশ জনের মৃত্যু, অজ্ঞাত ৪৪ লাশ

দুইজনেরই মৃত্যু
আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফলে একই ঘটনায় দুজনের প্রাণহানি ঘটে।

এলাকায় উত্তেজনা ও পুলিশের পদক্ষেপ
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

আইনি ব্যবস্থা
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।