০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬
শুভেচ্ছার অর্থ যখন হিসাবের খাতায় বন্দী সিউতার ট্র্যাজেডি: সীমান্ত ভেঙেছে শুধু মানুষ নয়, ভেঙেছে ডিজিটাল বিভ্রান্তির প্রতিরোধও মাত্র ২০ ডলারে বিশ্বতারকাদের কনসার্ট! বাড়তি টিকিটের দামে ভক্তদের স্বস্তি ফেরাতে নতুন উদ্যোগ আগুনে দুবার পুড়ে ধ্বংস: স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক শিল্পবিদ্যালয় কি আবারও ফিরে পাবে তার হারানো গৌরব? চীনের আগ্রাসন ঠেকাতে যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার তাইওয়ানের, শুরু ১০ দিনের বৃহৎ সামরিক মহড়া মিশিগানের প্রাইমারিকে ঘিরে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ইসরায়েল ও ইহুদিবিদ্বেষ বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় রেকর্ড আয়, তবু কমছে দর্শক: বদলে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা দেখার অভ্যাস কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৭, দুর্বল হয়ে পড়ছে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে অভিবাসন অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, আইসিইর পদক্ষেপে আপত্তি বিমান সংস্থাগুলোর শেখ হাসিনাকে ভারত এই সুযোগ কেন দিলো- প্রশ্ন বিএনপির

চট্টগ্রামে সশস্ত্র হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত আহত তিন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আরও তিনজন র‍্যাব সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার পরিচয়
নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার নাম আব্দুল মোতালেব। তিনি র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযানের সময় সশস্ত্র অপরাধীদের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত

আহতদের অবস্থা
হামলায় ল্যান্স নায়েক ইমাম, নায়েক আরিফ এবং কনস্টেবল রিফাত গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত, আহত ৩ | সকাল সংবাদ

অভিযানের সময় হামলার বিবরণ
চট্টগ্রাম পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) সিরাজুল ইসলাম জানান, অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অভিযানের মধ্যেই র‍্যাব-৭-এর সদস্যদের ওপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করা হয়। সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা আগে থেকেই এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বাস্তবতা
সীতাকুণ্ড ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা জানান, জঙ্গল সলিমপুর একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। গত চার দশকে সেখানে সরকারি ও খাস জমিতে হাজার হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা চক্র, সশস্ত্র অপরাধী ও ভূমিদস্যুদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতি
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকাটি এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বহিরাগতদের জন্য সেখানে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্যও সেখানে অভিযান চালানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুভেচ্ছার অর্থ যখন হিসাবের খাতায় বন্দী

চট্টগ্রামে সশস্ত্র হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত আহত তিন

১১:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আরও তিনজন র‍্যাব সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার পরিচয়
নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার নাম আব্দুল মোতালেব। তিনি র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযানের সময় সশস্ত্র অপরাধীদের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত

আহতদের অবস্থা
হামলায় ল্যান্স নায়েক ইমাম, নায়েক আরিফ এবং কনস্টেবল রিফাত গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত, আহত ৩ | সকাল সংবাদ

অভিযানের সময় হামলার বিবরণ
চট্টগ্রাম পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) সিরাজুল ইসলাম জানান, অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অভিযানের মধ্যেই র‍্যাব-৭-এর সদস্যদের ওপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করা হয়। সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা আগে থেকেই এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বাস্তবতা
সীতাকুণ্ড ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা জানান, জঙ্গল সলিমপুর একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। গত চার দশকে সেখানে সরকারি ও খাস জমিতে হাজার হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা চক্র, সশস্ত্র অপরাধী ও ভূমিদস্যুদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতি
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকাটি এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বহিরাগতদের জন্য সেখানে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্যও সেখানে অভিযান চালানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।