০১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
ভ্যালেন্তিনোর বিদায়, লাল রঙে ফ্যাশনের যে সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল নীরবে থামল তার যাত্রা আফগানিস্তানে শীত আর সহায়তা সংকটে বাড়ছে ক্ষুধা ও মৃত্যু চীনের রপ্তানি সাফল্যের আড়ালে চাপা কষ্ট, মার্কিন অর্ডার কমতেই নতুন বাজারে কঠিন লড়াইয়ে বিক্রয়কর্মীরা গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের হুমকি, নোবেল ক্ষোভে উত্তাল ইউরোপ-আমেরিকা সম্পর্ক শান্তির নোবেল না পাওয়ার ক্ষোভে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের, পাল্টা শুল্কের প্রস্তুতিতে ইউরোপ ভারত–আমিরাত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানিতে দ্রুত চুক্তির পথে মোদি ও এমবিজেড আমির হামজার সব ওয়াজ ও তাফসির মাহফিল স্থগিত, জানালেন নিরাপত্তা সংকটের কথা ঝিনাইদহে এক বছরে ৩০১ আত্মহত্যা, সবচেয়ে বেশি ভুগছেন নারীরা পাকিস্তানে সোনার দাম ছুঁতে চলেছে ৫ লাখ রুপি ৫ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসলামাবাদ ও উত্তর পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা

চট্টগ্রামে সশস্ত্র হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত আহত তিন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আরও তিনজন র‍্যাব সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার পরিচয়
নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার নাম আব্দুল মোতালেব। তিনি র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযানের সময় সশস্ত্র অপরাধীদের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত

আহতদের অবস্থা
হামলায় ল্যান্স নায়েক ইমাম, নায়েক আরিফ এবং কনস্টেবল রিফাত গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত, আহত ৩ | সকাল সংবাদ

অভিযানের সময় হামলার বিবরণ
চট্টগ্রাম পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) সিরাজুল ইসলাম জানান, অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অভিযানের মধ্যেই র‍্যাব-৭-এর সদস্যদের ওপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করা হয়। সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা আগে থেকেই এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বাস্তবতা
সীতাকুণ্ড ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা জানান, জঙ্গল সলিমপুর একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। গত চার দশকে সেখানে সরকারি ও খাস জমিতে হাজার হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা চক্র, সশস্ত্র অপরাধী ও ভূমিদস্যুদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতি
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকাটি এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বহিরাগতদের জন্য সেখানে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্যও সেখানে অভিযান চালানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্যালেন্তিনোর বিদায়, লাল রঙে ফ্যাশনের যে সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল নীরবে থামল তার যাত্রা

চট্টগ্রামে সশস্ত্র হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত আহত তিন

১১:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আরও তিনজন র‍্যাব সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার পরিচয়
নিহত র‍্যাব কর্মকর্তার নাম আব্দুল মোতালেব। তিনি র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযানের সময় সশস্ত্র অপরাধীদের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত

আহতদের অবস্থা
হামলায় ল্যান্স নায়েক ইমাম, নায়েক আরিফ এবং কনস্টেবল রিফাত গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত, আহত ৩ | সকাল সংবাদ

অভিযানের সময় হামলার বিবরণ
চট্টগ্রাম পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) সিরাজুল ইসলাম জানান, অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অভিযানের মধ্যেই র‍্যাব-৭-এর সদস্যদের ওপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করা হয়। সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা আগে থেকেই এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বাস্তবতা
সীতাকুণ্ড ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা জানান, জঙ্গল সলিমপুর একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। গত চার দশকে সেখানে সরকারি ও খাস জমিতে হাজার হাজার অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কাটা চক্র, সশস্ত্র অপরাধী ও ভূমিদস্যুদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতি
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকাটি এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বহিরাগতদের জন্য সেখানে প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্যও সেখানে অভিযান চালানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।