০৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
মিনেসোটায় এক রাজ্য, দুই বাস্তবতা: রেনি গুডের মৃত্যুকে ঘিরে শহর ও গ্রামীণ আমেরিকার তীব্র বিভাজন দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্যুৎ সংকটে ভরসা ভাড়ার ব্যাটারি, বদলে যাচ্ছে জীবিকা ও দৈনন্দিন জীবন পেশোয়ারে নির্বাসিত সুরের শেষ অধ্যায়, আফগান সংগীত হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অর্থ ঢাললেই কি ফিরবে স্থিতিশীলতা তেলের দাম ও দুর্নীতির চক্রে আটকে উন্নয়ন গাজা শান্তি বোর্ডে তাড়াহুড়ো নয় কেন, ট্রাম্পের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ভারত ঝালকাঠিতে নিখোঁজের আট ঘণ্টা পর নারীর মরদেহ উদ্ধার ইভ্যালির এমডি রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন আবার গ্রেপ্তার নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতে সমন্বিত চক্রান্ত চলছে: মির্জা আব্বাস ভোটে ভূমিধস জয়ের অপেক্ষায় বিএনপি, নির্বাচন চায় না কিছু দল: মির্জা ফখরুল ভারতের চাপ মানা হবে না, আইসিসির অযৌক্তিক শর্ত প্রত্যাখ্যান করবে বাংলাদেশ

পাকিস্তান–সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ হবে যৌথ সিদ্ধান্তে, জানালেন খাজা আসিফ

ইসলামাবাদে পার্লামেন্ট ভবনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ স্পষ্ট করে বলেছেন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণের যেকোনো সিদ্ধান্ত দুই দেশ যৌথভাবে নেবে। ভবিষ্যতে অন্য কোনো দেশ যুক্ত হবে কি না, সেটিও নির্ভর করবে ইসলামাবাদ ও রিয়াদের সম্মতির ওপর। সারাক্ষণ রিপোর্ট।

যৌথ সমঝোতাই চূড়ান্ত কথা

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষায়, তুরস্ক কিংবা অন্য কোনো দেশ প্রতিরক্ষা কাঠামোর অংশ হতে পারে, তবে তা একতরফা নয়। দুই দেশের সম্মতি ছাড়া কোনো পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। তিনি জানান, পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তা স্বার্থ বিবেচনা করেই প্রতিটি পদক্ষেপ নেবে।

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সৌদির প্রতিবেশীদেরও যুক্ত করার ইঙ্গিত পাকিস্তানের

ত্রিপক্ষীয় খসড়া নিয়ে ব্যাখ্যা

এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উৎপাদনমন্ত্রী রাজা হায়াত হাররাজ জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক প্রায় এক বছর আলোচনা শেষে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। তবে খাজা আসিফের বক্তব্যে পরিষ্কার করা হয়, এই খসড়া আগের দ্বিপক্ষীয় পাকিস্তান–সৌদি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির বাইরে আলাদা উদ্যোগ। তিন দেশের মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য হলেই কেবল সেটি চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে।

তুরস্কের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক

পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বহু দশকের। পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ, বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান আধুনিকীকরণ এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে তুরস্কের সহযোগিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর মতে, এই সম্পর্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক

মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত নিরাপত্তা ভাবনা

খাজা আসিফ বলেন, মুসলিম দেশগুলোর উচিত বৃহত্তর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা কাঠামোর দিকে এগোনো। এতে একের পর এক দেশকে দুর্বল করার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে।

গাজা ও ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে অবস্থান

আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী গাজা শান্তি উদ্যোগে পাকিস্তানের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ফিলিস্তিন প্রশ্নে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে বিশ্বজুড়ে ঐকমত্য রয়েছে। এই সময়টিকে তিনি পাকিস্তানের জন্য একটি সোনালি সুযোগ বলে উল্লেখ করেন, যাতে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও মুক্তির পক্ষে জোরালো কণ্ঠ তোলা যায়।

পাকিস্তান-সৌদি আরব প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক সুরক্ষাও কি পাবে রিয়াদ? -  BBC News বাংলা

ইরান ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

ইরান প্রসঙ্গে খাজা আসিফ বলেন, দেশটি পাকিস্তানের প্রতিবেশী ও ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র। পাকিস্তানের অবস্থান সব সময়ই ছিল, ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অনেক দেশ ইসরায়েলকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখে, যা আঞ্চলিক বাস্তবতার অংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিনেসোটায় এক রাজ্য, দুই বাস্তবতা: রেনি গুডের মৃত্যুকে ঘিরে শহর ও গ্রামীণ আমেরিকার তীব্র বিভাজন

পাকিস্তান–সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ হবে যৌথ সিদ্ধান্তে, জানালেন খাজা আসিফ

০৪:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামাবাদে পার্লামেন্ট ভবনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ স্পষ্ট করে বলেছেন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণের যেকোনো সিদ্ধান্ত দুই দেশ যৌথভাবে নেবে। ভবিষ্যতে অন্য কোনো দেশ যুক্ত হবে কি না, সেটিও নির্ভর করবে ইসলামাবাদ ও রিয়াদের সম্মতির ওপর। সারাক্ষণ রিপোর্ট।

যৌথ সমঝোতাই চূড়ান্ত কথা

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষায়, তুরস্ক কিংবা অন্য কোনো দেশ প্রতিরক্ষা কাঠামোর অংশ হতে পারে, তবে তা একতরফা নয়। দুই দেশের সম্মতি ছাড়া কোনো পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। তিনি জানান, পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তা স্বার্থ বিবেচনা করেই প্রতিটি পদক্ষেপ নেবে।

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সৌদির প্রতিবেশীদেরও যুক্ত করার ইঙ্গিত পাকিস্তানের

ত্রিপক্ষীয় খসড়া নিয়ে ব্যাখ্যা

এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উৎপাদনমন্ত্রী রাজা হায়াত হাররাজ জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক প্রায় এক বছর আলোচনা শেষে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। তবে খাজা আসিফের বক্তব্যে পরিষ্কার করা হয়, এই খসড়া আগের দ্বিপক্ষীয় পাকিস্তান–সৌদি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির বাইরে আলাদা উদ্যোগ। তিন দেশের মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য হলেই কেবল সেটি চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে।

তুরস্কের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক

পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বহু দশকের। পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ, বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান আধুনিকীকরণ এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে তুরস্কের সহযোগিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর মতে, এই সম্পর্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক

মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত নিরাপত্তা ভাবনা

খাজা আসিফ বলেন, মুসলিম দেশগুলোর উচিত বৃহত্তর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা কাঠামোর দিকে এগোনো। এতে একের পর এক দেশকে দুর্বল করার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে।

গাজা ও ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে অবস্থান

আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী গাজা শান্তি উদ্যোগে পাকিস্তানের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ফিলিস্তিন প্রশ্নে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে বিশ্বজুড়ে ঐকমত্য রয়েছে। এই সময়টিকে তিনি পাকিস্তানের জন্য একটি সোনালি সুযোগ বলে উল্লেখ করেন, যাতে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও মুক্তির পক্ষে জোরালো কণ্ঠ তোলা যায়।

পাকিস্তান-সৌদি আরব প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক সুরক্ষাও কি পাবে রিয়াদ? -  BBC News বাংলা

ইরান ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

ইরান প্রসঙ্গে খাজা আসিফ বলেন, দেশটি পাকিস্তানের প্রতিবেশী ও ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র। পাকিস্তানের অবস্থান সব সময়ই ছিল, ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অনেক দেশ ইসরায়েলকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখে, যা আঞ্চলিক বাস্তবতার অংশ।