জেনারেল টানার “এটিসি”-কে ব্যবসায়ী কায়দায় পরিচালনার জন্য কিছু রদবদল করেন…
কুর্মিটোলায় দিন কয়েক কাটিয়ে (১৯৪৪ সালের নভেম্বর মাসে) লয়েড তেজগাঁও ঘাঁটিতে প্রধান কাজ ছিল- মধ্যচীনে, ইত্যবসরেই যেসব “বি-২৯” বোমারু বিমান পার্ব চলে আসেন। এই তেজগাঁও-এ “টুর অব ডিউটি” থাকাকালীন সময়ে লয়েডের করা ছিল, সেগুলোকে উড্ডয়ণক্ষম রাখার জন্য জ্বালানি পৌছে দেয়া; কুর্মিটোলা থেকে লয়েডকে তাই- নিয়মিতভাবে “সি-১০৯” এবং “সি-৫৪” কার্গো বিমান ভর্তি ‘১০০ অকটেন জ্বালানি’ পরিবহণ করতে হত।
“এটিসি”-র নতুন কমান্ডার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে লয়েডের তেজগাঁও-তে জয়েন করার তিন মাস পূর্বে জেনারেল টানার হিমালয় পর্বতমালার উঁচু-নিচু শিখরের তথা “হাম্প”-এর উপর দিয়ে অধিক পরিমাণ মাল পরিবহণ নিশ্চিত করবেন এবং অনিবার্যভাবেই “হাম্পে” যে প্রচুর সংখ্যক বিমান দুর্ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে, সেগুলোর সংখ্যা কমিয়ে আনার পদক্ষেপ নেবেন।
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য জেনারেল টানার “এটিসি”-কে ব্যবসায়ী কায়দায় পরিচালনার জন্য কিছু রদবদল করেন। রদবদলের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তিনি “এটিসি বেঙ্গল উইং” নামক নতুন ‘উইং’ সৃষ্টি করেন যার হেড অফিস হয় তেজগাঁও বিমান ঘাঁটিতে; পরিচালনার দায়িত্ব দেন কর্ণেল ক্যানন-কে।
(চলবে)
নাঈম হক 


















