প্লেনটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল বরাবর গন্তব্যস্থলের দিকে ওড়ে….
এ দফায় চাকরি তিনি পান, অবশেষে মার্কিন এয়ার কর্প-এ যোগদানের স্বপ্ন তাঁর পূর্ণ হয়। আলাস্কায় তিন মাস ধরে লয়েড প্লেনের খেয়াতরীর কাজ করেন। তিন মাসের খেয়াতরী সম্পন্ন হলে তাঁকে ফ্লোরিডায় পাঠানো হয় “বি-২৪” বোমারু প্লেনের কো-পাইলটের ট্রেনিং-এর জন্য। ট্রেনিং শেষে লয়েড-কে নতুন নিয়োগপত্র দিয়ে ঢাকার তেজগাঁও’র ঘাঁটিতে পাঠানো হয়। এখানে তিনি ১৩৪৬তম এয়ার ট্রান্সপোর্ট কমান্ডে (এটিসি) যোগদান করেন।

ইউএসএস আরিজোনা পুড়ছে। পার্ল হার্বার আক্রান্ত: ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১।
লয়েডকে- টেনেসি-র ন্যাশভিল থেকে ঢাকার তেজগাঁও-তে পৌছুতে সুদীর্ঘ পথযাত্রা করতে হয়। আরো ছয়জন যাত্রীসমেত লয়েড “সি-৫৪” প্লেনে উঠে বসেন। প্লেনের পাইলট ক্যাপ্টেন স্টেলমেইখার (Stellmacher) ন্যাশভিল থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথমে আসেন ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বীচে, সেখান থেকে যান “পোর্টো রিকো”-তে।
পোর্টো রিকো থেকে প্লেনটির পরবর্তী গন্তব্যস্থল ছিল ব্রাজিলের “ন্যাটাল” শহর; এখান থেকে প্লেনটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল বরাবর গন্তব্যস্থলের দিকে ওড়ে এবং রাত্রিকালীন উড়বার সময় কয়েকটি বিমান বন্দরে যাত্রাবিরতি করে।

ইউএসএস ক্যালিফোর্নিয়া ডুবছে, পার্ল হার্বার আক্রান্ত; ৭ডিসেম্বর ১৯৪১।
লয়েড ও অন্যান্য যাত্রিসহ “ন্যাটাল” ত্যাগকারি প্লেনটি অতঃপর আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝখানে বিদ্যমান জনমানবহীন “অ্যাসেনশন দ্বীপ”-মুখী উড়তে থাকে। এবং যাত্রাবিরতি ঘটিয়ে ঘটিয়ে প্লেনটি নাইজেরিয়া-সুদান-এডেন-করাচি রুট অনুসরণ করে সর্বশেষ বিমান বন্দর “কুর্মিটোলা”য় অবতরণ করে।
(চলবে)
নাঈম হক 


















