প্রথমবার তো নেয়নি, স্রেফ বাদ দিয়ে দেয়! এবারেও যদি করে! মরিয়া লয়েড কি করতে পারেন?
১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে একযোগে জাপানের রাজকীয় নৌবহর ও বিমানবহর (হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের) হনোলুলুর অদূরে পার্ল হার্বারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে অতর্কিত হামলা চালায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র তার নিরপেক্ষতার ভূমিকা বর্জন করে এবং ৮ ডিসেম্বর বাজকীয় জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং রণাঙ্গণে অবতীর্ণ হয়।

হিমালয় পর্বতমালার শিখরগুলোকে মার্কিন বিমান ক্রু’রা “হাম্প” নামে সম্বোধন করতেন। হিমালয় পর্বতমালার এই ছবিটি আন্তর্জাতিক মহাশূন্য স্টেশন থেকে তোলা। ছবিটির সৃষ্টিকাল: ২৮ জানুয়ারি ২০০৪ সাল।
ঠিক এমন এক ক্রিটিকেল মুহূর্তে লয়েড তখন একজন পুরোদস্তুর পাইলট এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ফ্লাইট প্রোগ্রামের চার চারটি কোর্সও তিনি সমাপ্ত করেছেন। সঙ্গত কারণেই লয়েড ইউএস এয়ার কর্প-এ যোগদান করতে চান, কিন্তু ‘অ্যাভিয়েশন ক্যাডেট ট্রেনিং প্রোগ্রাম’ থেকে তাঁকে বাদ দেয়া হয়। অগত্যা তিনি এক বছরের জন্য অর্থাৎ ১৯৪২ সালটি অতিবাহিত করেন ফ্লোরিডার লেইকল্যান্ডে অবস্থিত ‘অ্যাভিয়েশন ক্যাডেটের” ক্যাডেটদের ফ্লাইং শেখানোর ইন্ট্রাটরের চাকরি করে।
১৯৪৩ সালে, মার্কিন এয়ার কর্প হন্যে হয়ে পাইলটের খোঁজ করতে শুরু করে। কারণ, “লেন্ডলীজ প্রোগ্রামের” অধীনে (ইউরোপে) জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সোভিয়েত রেড আর্মিকে প্রতিশ্রুত ফাইটার প্লেনের ডেলিভারি আলাস্কায় পৌঁছে দিতে হবে- তাই এইসব ডেলিভারি প্লেনের জন্য পাইলটের জরুরি প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
লয়েড অবশ্য “পি-৩৮” ফাইটার প্লেন ছাড়া আর সব ধরনের প্লেন চালাতে পারেন বটে কিন্তু এই চাকরিটি অর্থাৎ প্লেন চালানোর কাজটি তাঁকে পেতেই হবে! প্রথমবার তো নেয়নি, স্রেফ বাদ দিয়ে দেয়! এবারেও যদি করে! মরিয়া লয়েড কি করতে পারেন? যা করতে পারেন তাই করেন তিনি- চাকরিদাতাদের মনোপুতঃ হওয়ার মতো করে নিজের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যাদি ও প্রয়োজনীয় ফ্লাইং টাইমের তথ্য পেশ করেন।
(চলবে)
নাঈম হক 


















