জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী মাসের জাতীয় নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পাওয়ার আশায় এগোচ্ছেন। জনমত জরিপে উচ্চ সমর্থনকে ভিত্তি করে তিনি বিশ্বাস করছেন, এই জনপ্রিয়তা তাঁকে সংসদের নিম্নকক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেবে। তবে এই পথ মোটেও সহজ নয়। দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করা ডানপন্থী গোষ্ঠী এবং সদ্য গঠিত একটি নতুন রাজনৈতিক দল তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
নির্বাচনী ফল ও চীন নীতির অনিশ্চয়তা
বিশ্লেষকদের মতে, যদি তাকাইচি সংসদের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হন, তাহলে চীনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। নিম্নকক্ষেই মূলত সরকারের নীতিনির্ধারণ ও আইন পাসের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হারালে তাঁর রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।
তবে শুধু নির্বাচনী জয় পেলেই যে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক হবে, এমনটি নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে আস্থার ঘাটতি ও কৌশলগত দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা মেরামত করতে বহু বছর সময় লাগতে পারে। এমনকি তা তাকাইচির মেয়াদেরও বাইরে চলে যেতে পারে।

আগাম নির্বাচনের ঘোষণা
সোমবার এক ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, তিনি শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেবেন এবং আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের মোট ৪৬৫টি আসনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। এই কক্ষটি জাপানের দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাবান।
)
রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কূটনৈতিক সীমাবদ্ধতা
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ যতই বদলাক না কেন, জাপান ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও পারস্পরিক সন্দেহ সহজে কাটবে না। নির্বাচনের ফল যাই হোক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামত একটি দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল প্রক্রিয়া হিসেবেই থেকে যাবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















