০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
তারকার ঝলক ছাপিয়ে গয়নার জাদু: রেড কার্পেটে নতুন ট্রেন্ডের গল্প ডিলান–লেননের লিমুজিন আলাপ: সঙ্গীতের বন্ধুত্ব, দ্বন্দ্ব আর এক অস্বস্তিকর সত্য প্রোটিন আতঙ্ক নাকি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন? স্মার্ট শহরের পথে বাংলাদেশ: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে নগরজীবন ক্যাটওয়াক শেখার নতুন ট্রেন্ড: হাঁটার ভঙ্গিতেই বদলে যাচ্ছে আত্মবিশ্বাস বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মাঝেও শেয়ারবাজারে চমক, বিনিয়োগকারীদের আয়ে বড় ধাক্কা নয় বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক ২১ এপ্রিল শুরু এসএসসি পরীক্ষা — রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৭৭ হাজার পরীক্ষার্থী প্রস্তুত অ্যান্টার্কটিকায় বিপদের সংকেত: জলবায়ু পরিবর্তনে সম্রাট পেঙ্গুইনসহ বন্যপ্রাণী ঝুঁকিতে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ বিবৃতি: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী বাজি কেন চীনের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক মেরামত করতে পারবে না

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী মাসের জাতীয় নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পাওয়ার আশায় এগোচ্ছেন। জনমত জরিপে উচ্চ সমর্থনকে ভিত্তি করে তিনি বিশ্বাস করছেন, এই জনপ্রিয়তা তাঁকে সংসদের নিম্নকক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেবে। তবে এই পথ মোটেও সহজ নয়। দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করা ডানপন্থী গোষ্ঠী এবং সদ্য গঠিত একটি নতুন রাজনৈতিক দল তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

নির্বাচনী ফল ও চীন নীতির অনিশ্চয়তা
বিশ্লেষকদের মতে, যদি তাকাইচি সংসদের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হন, তাহলে চীনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। নিম্নকক্ষেই মূলত সরকারের নীতিনির্ধারণ ও আইন পাসের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হারালে তাঁর রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।

তবে শুধু নির্বাচনী জয় পেলেই যে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক হবে, এমনটি নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে আস্থার ঘাটতি ও কৌশলগত দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা মেরামত করতে বহু বছর সময় লাগতে পারে। এমনকি তা তাকাইচির মেয়াদেরও বাইরে চলে যেতে পারে।

Offhand remark, symbolic suit signal long winter for Japan-China ties |  Reuters

আগাম নির্বাচনের ঘোষণা
সোমবার এক ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, তিনি শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেবেন এবং আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের মোট ৪৬৫টি আসনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। এই কক্ষটি জাপানের দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাবান।

China's moves may hurt Japan's economy, but actually boost Takaichi's  politics – Firstpost

 

রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কূটনৈতিক সীমাবদ্ধতা
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ যতই বদলাক না কেন, জাপান ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও পারস্পরিক সন্দেহ সহজে কাটবে না। নির্বাচনের ফল যাই হোক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামত একটি দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল প্রক্রিয়া হিসেবেই থেকে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তারকার ঝলক ছাপিয়ে গয়নার জাদু: রেড কার্পেটে নতুন ট্রেন্ডের গল্প

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী বাজি কেন চীনের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক মেরামত করতে পারবে না

০২:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী মাসের জাতীয় নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পাওয়ার আশায় এগোচ্ছেন। জনমত জরিপে উচ্চ সমর্থনকে ভিত্তি করে তিনি বিশ্বাস করছেন, এই জনপ্রিয়তা তাঁকে সংসদের নিম্নকক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেবে। তবে এই পথ মোটেও সহজ নয়। দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করা ডানপন্থী গোষ্ঠী এবং সদ্য গঠিত একটি নতুন রাজনৈতিক দল তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

নির্বাচনী ফল ও চীন নীতির অনিশ্চয়তা
বিশ্লেষকদের মতে, যদি তাকাইচি সংসদের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হন, তাহলে চীনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। নিম্নকক্ষেই মূলত সরকারের নীতিনির্ধারণ ও আইন পাসের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হারালে তাঁর রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।

তবে শুধু নির্বাচনী জয় পেলেই যে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক হবে, এমনটি নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে আস্থার ঘাটতি ও কৌশলগত দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা মেরামত করতে বহু বছর সময় লাগতে পারে। এমনকি তা তাকাইচির মেয়াদেরও বাইরে চলে যেতে পারে।

Offhand remark, symbolic suit signal long winter for Japan-China ties |  Reuters

আগাম নির্বাচনের ঘোষণা
সোমবার এক ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, তিনি শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেবেন এবং আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের মোট ৪৬৫টি আসনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। এই কক্ষটি জাপানের দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাবান।

China's moves may hurt Japan's economy, but actually boost Takaichi's  politics – Firstpost

 

রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কূটনৈতিক সীমাবদ্ধতা
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ যতই বদলাক না কেন, জাপান ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও পারস্পরিক সন্দেহ সহজে কাটবে না। নির্বাচনের ফল যাই হোক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামত একটি দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল প্রক্রিয়া হিসেবেই থেকে যাবে।