০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
টোকিও ট্রায়াল: অসমাপ্ত ন্যায়বিচারের দীর্ঘ ছায়া নতুন ‘কমিক’ নকশায় এয়ার জর্ডান ৪, অনলাইনে কিনতে পারবেন আজই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড় এত দ্রুত, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় এর নির্মাতারাও সৌদি আরবের পরমাণু চুক্তিতে বিশ্বজুড়ে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা নির্বাচনের মুখোশ খুলে ফেললে গণতন্ত্রের সামনে যে ভয়াবহ বিপদ অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে নতুন আশার আলো, ওষুধ উদ্ভাবনে আমেরিকার মডেল নিয়ে নতুন আলোচনা ইরানে ফের মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো অনিশ্চিত বজ্রপাতের পর কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, পুড়েছে ২৯ লাখ হেক্টর বন মেয়ের উচ্চতা বাড়াতে মাসে ৬৬ হাজার টাকা খরচ বাবার, চীনে তুমুল বিতর্ক বাংলাদেশে বছরে পানিতে ডুবে ৯ হাজার ৬০০ মানুষের মৃত্যু, সবচেয়ে ঝুঁকিতে শিশুরা

সৌদি আরবে ১৭ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট, আরও ৫১ হাজার প্রক্রিয়াধীন

সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত ১৭ হাজার ৩৯৪ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে আরও ৫১ হাজার ৬৯৮ জন রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ৯৯০ জনের পাসপোর্ট ইতিমধ্যে প্রিন্ট পর্যায়ে রয়েছে এবং আরও ২১ হাজার ৬৪৮ জনের বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করায় ১৪১ জনের পাসপপোর্ট প্রিন্ট প্রক্রিয়া আপাতত আটকে আছে।

পাসপোর্ট প্রদানের পটভূমি ও কূটনৈতিক চাপ

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সৌদি সরকারের কূটনৈতিক চাপের মুখেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তবে সরকারবিরোধী আন্দোলনের কারণে সেই প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সৌদি দূতাবাস আবারও বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে থাকে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে পাসপোর্ট দেয়ার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করে।

প্রথম দফায় পর্যায়ক্রমে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গার হাতে পাসপোর্ট হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তর হওয়া সব পাসপোর্টের তথ্য সৌদি কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করা হয়েছে।

সৌদি আরবে ১৭ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট হস্তান্তর, আরও ৫১ হাজারের প্রক্রিয়া চলছে

বিশেষ ক্যাটাগরির পাসপোর্ট ও ভ্রমণ সুবিধা

সূত্র জানায়, রোহিঙ্গাদের একটি বিশেষ ক্যাটাগরির পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে, যদিও সেটি ঠিক কী ধরনের পাসপোর্ট—তা স্পষ্ট করা হয়নি। পাসপোর্টের পাশাপাশি প্রত্যেককে একটি করে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা সৌদি আরব ছাড়াও অন্য দেশেও ভ্রমণ করতে পারবেন।

নাগরিকত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সৌদি সরকারের অনুরোধে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেয়া হলেও তাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, নাগরিকত্ব ছাড়া কীভাবে পাসপোর্ট দেয়া সম্ভব। জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পেলেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

সৌদি আরবে থাকা রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট নবায়নের সিদ্ধান্ত কেন নিলো বাংলাদেশ? - BBC News বাংলা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়া মানেই কার্যত তাদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। বাংলাদেশে ‘স্পেশাল পাসপোর্ট’ নামে আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই এবং নাগরিকত্ব ও প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ছাড়া বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ নেই। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন বিষয়ে কাজ করা একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, সরাসরি পাসপোর্ট না দিয়ে রোহিঙ্গাদের ট্রাভেল পারমিট বা আইডেন্টিটি সার্টিফিকেট দেয়া যেত, যা শরণার্থীদের ক্ষেত্রে অনেক দেশই ব্যবহার করে।

সৌদি আরবে রোহিঙ্গা ইস্যুর ইতিহাস

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৫ সাল থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পরিচয় ব্যবহার করে সৌদি আরবে যান। সেখানে গিয়ে অনেকে পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেন বা মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর নবায়ন করতে পারেননি। কেউ কেউ ২০১৩ ও ২০১৪ সালে হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গিয়ে পরে অবৈধ হয়ে পড়েন। এর ফলে অনেকে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন এবং সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন। রোহিঙ্গাদের মধ্যে অপরাধ বাড়তে থাকায় সৌদি সরকার ক্ষুব্ধ হয় এবং বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

পররাষ্ট্র সচিব নিজেই তার দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান: তৌহিদ হোসেন | জাতীয় | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

এক পর্যায়ে সৌদি আরব জানিয়ে দেয়, দ্রুত পাসপোর্ট না দেয়া হলে দেশটিতে বৈধভাবে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদেরও ফেরত পাঠানো হতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকায় কূটনৈতিক নোট পাঠানো হলে বাংলাদেশ সরকার সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।

সরকারি অবস্থান

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে যেসব রোহিঙ্গা সৌদি আরবে গিয়েছিলেন, তাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য রিয়াদ থেকে চাপ আসে। দেশের স্বার্থে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এতে নাগরিকত্ব দেয়ার কোনো প্রশ্ন নেই।

এ বিষয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এটিএম আবু আসাদ জানান, রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নতুন নয় এবং বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় তিনি এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

টোকিও ট্রায়াল: অসমাপ্ত ন্যায়বিচারের দীর্ঘ ছায়া

সৌদি আরবে ১৭ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট, আরও ৫১ হাজার প্রক্রিয়াধীন

১০:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত ১৭ হাজার ৩৯৪ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে আরও ৫১ হাজার ৬৯৮ জন রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ৯৯০ জনের পাসপোর্ট ইতিমধ্যে প্রিন্ট পর্যায়ে রয়েছে এবং আরও ২১ হাজার ৬৪৮ জনের বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করায় ১৪১ জনের পাসপপোর্ট প্রিন্ট প্রক্রিয়া আপাতত আটকে আছে।

পাসপোর্ট প্রদানের পটভূমি ও কূটনৈতিক চাপ

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সৌদি সরকারের কূটনৈতিক চাপের মুখেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তবে সরকারবিরোধী আন্দোলনের কারণে সেই প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সৌদি দূতাবাস আবারও বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে থাকে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে পাসপোর্ট দেয়ার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করে।

প্রথম দফায় পর্যায়ক্রমে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গার হাতে পাসপোর্ট হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তর হওয়া সব পাসপোর্টের তথ্য সৌদি কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করা হয়েছে।

সৌদি আরবে ১৭ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট হস্তান্তর, আরও ৫১ হাজারের প্রক্রিয়া চলছে

বিশেষ ক্যাটাগরির পাসপোর্ট ও ভ্রমণ সুবিধা

সূত্র জানায়, রোহিঙ্গাদের একটি বিশেষ ক্যাটাগরির পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে, যদিও সেটি ঠিক কী ধরনের পাসপোর্ট—তা স্পষ্ট করা হয়নি। পাসপোর্টের পাশাপাশি প্রত্যেককে একটি করে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা সৌদি আরব ছাড়াও অন্য দেশেও ভ্রমণ করতে পারবেন।

নাগরিকত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সৌদি সরকারের অনুরোধে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেয়া হলেও তাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব দেয়া হবে না। এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, নাগরিকত্ব ছাড়া কীভাবে পাসপোর্ট দেয়া সম্ভব। জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ ছাড়া কোন প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পেলেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

সৌদি আরবে থাকা রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট নবায়নের সিদ্ধান্ত কেন নিলো বাংলাদেশ? - BBC News বাংলা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়া মানেই কার্যত তাদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। বাংলাদেশে ‘স্পেশাল পাসপোর্ট’ নামে আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই এবং নাগরিকত্ব ও প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ছাড়া বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ নেই। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন বিষয়ে কাজ করা একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, সরাসরি পাসপোর্ট না দিয়ে রোহিঙ্গাদের ট্রাভেল পারমিট বা আইডেন্টিটি সার্টিফিকেট দেয়া যেত, যা শরণার্থীদের ক্ষেত্রে অনেক দেশই ব্যবহার করে।

সৌদি আরবে রোহিঙ্গা ইস্যুর ইতিহাস

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৫ সাল থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পরিচয় ব্যবহার করে সৌদি আরবে যান। সেখানে গিয়ে অনেকে পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেন বা মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর নবায়ন করতে পারেননি। কেউ কেউ ২০১৩ ও ২০১৪ সালে হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে গিয়ে পরে অবৈধ হয়ে পড়েন। এর ফলে অনেকে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন এবং সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন। রোহিঙ্গাদের মধ্যে অপরাধ বাড়তে থাকায় সৌদি সরকার ক্ষুব্ধ হয় এবং বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

পররাষ্ট্র সচিব নিজেই তার দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান: তৌহিদ হোসেন | জাতীয় | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

এক পর্যায়ে সৌদি আরব জানিয়ে দেয়, দ্রুত পাসপোর্ট না দেয়া হলে দেশটিতে বৈধভাবে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদেরও ফেরত পাঠানো হতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকায় কূটনৈতিক নোট পাঠানো হলে বাংলাদেশ সরকার সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।

সরকারি অবস্থান

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে যেসব রোহিঙ্গা সৌদি আরবে গিয়েছিলেন, তাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য রিয়াদ থেকে চাপ আসে। দেশের স্বার্থে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এতে নাগরিকত্ব দেয়ার কোনো প্রশ্ন নেই।

এ বিষয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এটিএম আবু আসাদ জানান, রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নতুন নয় এবং বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় তিনি এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।