১২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নড়াইলে বাড়ি থেকে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার, ভ্যানচালক খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য ১৪ উড়োজাহাজ কেনার পথে বাংলাদেশ, ২০৩৫ সালের আগে বহর বাড়ানোর বড় পরিকল্পনা টাকা, ধর্ম ও পেশিশক্তির ছায়ায় নির্বাচন, গণভোটে বিতর্ক—টিআইবির কঠোর পর্যবেক্ষণ নির্বাচন সামনে রেখে ৯৬ ঘণ্টা এনপিএসবিতে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বন্ধ, সীমিত থাকছে এমএফএস লেনদেন শান্তভাবে ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মানুষ: নাহিদের দাবি, বৃহস্পতিবারই হবে ‘মহৎ কাজ’ কষ্ট, ক্লান্তি আর দৃঢ়তার পথ পেরিয়ে—নয় সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণে বদলে যাওয়া চার তরুণের গল্প ক্যামেরার ক্লিকের বাইরে জীবনের আসল স্পর্শ গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর অভিযোগে চীনকে ঘিরে নতুন অস্ত্রনিয়ন্ত্রণ চুক্তির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের ফ্লার্ট শেখান, তারপর কী হলো? ভাইরাল ভিডিওর পর তদন্তে ব্যবসায়ী মালয়েশিয়ায় স্বর্ণের দাম বাড়ায় নগদ সংকটে পড়েছে বন্ধকী দোকান

জাপানের সহস্রাব্দপ্রাচীন প্রতিষ্ঠানগুলোর টিকে থাকার রহস্য

হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে টিকে থাকা কিছু জাপানি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস কেবল ব্যবসার সাফল্যের গল্প নয়, বরং সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সামাজিক ধারাবাহিকতার অনন্য উদাহরণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক সংকট—সবকিছুর মধ্য দিয়েও তারা নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রেখেছে।

প্রাচীন নির্মাণঐতিহ্য থেকে বিশ্বের প্রাচীনতম কোম্পানি

ষষ্ঠ শতকে বৌদ্ধধর্ম জাপানে নতুনভাবে বিস্তার লাভের সময় কোরিয়ার বেকজে রাজ্য থেকে আগত একদল কারিগরের মধ্যে কঙ্গো শিগেমিৎসু জাপানের অন্যতম প্রাচীন মন্দির শিতেন্নোজি নির্মাণে ভূমিকা রাখেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে ওঠে কঙ্গো গুমি, যা বিশ্বের প্রাচীনতম কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মন্দির নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছে এই প্রতিষ্ঠান। আগুনে ধ্বংস হওয়ার পরও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে শেখানো কাঠের জোড়া লাগানোর বিশেষ কৌশলে মন্দির পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। তবে মেইজি পুনর্গঠনের পর ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন প্রতিষ্ঠানটিকে কঠিন সংকটে ফেলে। পরবর্তী সময়ে আর্থিক বিপর্যয়, যুদ্ধকালীন উৎপাদন পরিবর্তন এবং নির্মাণক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ঘাটতিও তাদের টিকে থাকার লড়াইকে কঠিন করে তোলে।

A modern-day Kongo Gumi craftsman gets to work. The company employs one member of the Kongo family, a descendant of the 40th-generation head and now the family’s 41st-generation successor.

শেষ পর্যন্ত একটি নির্মাণগোষ্ঠীর সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটি টিকে যায় এবং ঐতিহ্য বজায় রেখেই আধুনিক কার্যক্রমে যুক্ত হয়। উত্তরাধিকার নির্ধারণে রক্তসম্পর্কের বদলে যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া—এই নীতিও দীর্ঘস্থায়ীত্বের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

সহস্র বছরের পুরোনো উষ্ণ প্রস্রবণ সরাইখানা

ইয়ামানাশি প্রদেশের পাহাড়ঘেরা উপত্যকায় অবস্থিত নিশিয়ামা অনসেন কেইউনকান ৭০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বের প্রাচীনতম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হোটেল হিসেবে স্বীকৃত। পঞ্চাশের বেশি প্রজন্ম ধরে একই পরিবার এটি পরিচালনা করেছে।

চিকিৎসা সুবিধা সীমিত থাকা সময়ে খনিজসমৃদ্ধ উষ্ণ পানির আরোগ্যক্ষমতার জন্য এই স্থান খ্যাতি পায়। ইতিহাসজুড়ে সম্রাট, সামন্তপ্রভু ও কবিদের আগমন এর মর্যাদা বাড়িয়েছে। তবে বন্যা ও পাহাড়ধসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বারবার ক্ষতির কারণ হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল দর্শন ছিল একটিমাত্র ব্যবসায় মনোযোগ রাখা এবং অতিরিক্ত সম্প্রসারণ এড়িয়ে চলা। এখনও ঐতিহ্যবাহী জাপানি আতিথেয়তা—তাতামি মাদুরে ঘুম, ফুতোন বিছানা ও স্বকীয় খাবার—অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে, যদিও বিদেশি অতিথির সংখ্যা বাড়ছে।

Shopping streets in Japan, such as this one in **Gifu, give off an air of old‑school charm. If you want to find the truly old companies, you will have better luck in Kyoto.

ইকেবানা শিল্পের ধারাবাহিকতা

জাপানি ফুল সাজানোর প্রাচীন শিল্প ইকেবানার সবচেয়ে পুরোনো ও বৃহৎ বিদ্যালয় ইকেনোবো। এর শিকড় প্রায় ১,৪০০ বছর আগে কিয়োটোর এক মন্দিরকেন্দ্রিক ধর্মীয় আচার থেকে শুরু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নান্দনিক ও আধ্যাত্মিক দর্শনের বিকাশ ঘটিয়ে এটি স্বতন্ত্র শিল্পরূপ পায়।

মেইজি যুগে সামন্তপৃষ্ঠপোষকতা বিলুপ্ত হওয়ায় বহু ঐতিহ্যবাহী শিল্পের মতো ইকেবানাও সংকটে পড়ে। পরে নারীশিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি নতুন ভিত্তি লাভ করে এবং দেশজুড়ে বিস্তার লাভ করে। বর্তমানে জাপানজুড়ে শত শত শাখা ও বিদেশে বহু কেন্দ্র এই শিল্পচর্চা চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘস্থায়ী প্রতিষ্ঠানের সাধারণ বৈশিষ্ট্য

জাপানে শত বছরের বেশি পুরোনো প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কয়েক দশ হাজার, যার একটি বড় অংশ বিশ্বের মোট দীর্ঘস্থায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পড়ে। পারিবারিক পরিচালনা, মিতব্যয়িতা, মানের প্রতি আপসহীনতা এবং স্থানীয় সমাজের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক—এসব বৈশিষ্ট্য তাদের টিকিয়ে রেখেছে।

Natural disasters are not uncommon at the five-story pagoda of Shitennoji in Osaka, a site central to Kongo Gumi’s work for centuries.

তবে জনসংখ্যা হ্রাস, উত্তরসূরি সংকট, ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়াও হয়েছে। তবু স্থানীয় আর্থিক সহায়তা বা একই খাতের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ঐতিহ্য রক্ষার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সন্ধিক্ষণ

প্রাচীন নির্মাণশিল্প, উষ্ণ প্রস্রবণের আতিথেয়তা কিংবা ফুল সাজানোর নন্দনতত্ত্ব—এসবের প্রতি আন্তর্জাতিক আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। জাপানের স্বতন্ত্র সৌন্দর্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতাই এই আগ্রহের মূল কারণ।

দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেও শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কীভাবে ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে ভবিষ্যতের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো যায়। তাদের দীর্ঘ ইতিহাস ইঙ্গিত দেয়, অভিযোজন ও মূল্যবোধের ভারসাম্যই টিকে থাকার প্রকৃত চাবিকাঠি।

Members of Kongo Gumi prepare for a traditional ceremony marking the start of construction this year.

 

Nishiyama Onsen Keiunkan in Yamanashi Prefecture, founded in 705, has operated continuously for more than 1,300 years, weathering floods, landslides and shifting eras of Japanese history.

 

Founded more than a millennium ago, Keiunkan offers travelers a stay shaped by its remarkable history.

 

The Ikenobo school of ikebana, Japan’s oldest and largest tradition of flower arrangement, spans formal exhibitions and everyday practice.

 

People visit an Ikenobo exhibition featuring works created at one of the school’s 400 branches nationwide.

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নড়াইলে বাড়ি থেকে রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার, ভ্যানচালক খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

জাপানের সহস্রাব্দপ্রাচীন প্রতিষ্ঠানগুলোর টিকে থাকার রহস্য

১০:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে টিকে থাকা কিছু জাপানি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস কেবল ব্যবসার সাফল্যের গল্প নয়, বরং সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সামাজিক ধারাবাহিকতার অনন্য উদাহরণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক সংকট—সবকিছুর মধ্য দিয়েও তারা নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রেখেছে।

প্রাচীন নির্মাণঐতিহ্য থেকে বিশ্বের প্রাচীনতম কোম্পানি

ষষ্ঠ শতকে বৌদ্ধধর্ম জাপানে নতুনভাবে বিস্তার লাভের সময় কোরিয়ার বেকজে রাজ্য থেকে আগত একদল কারিগরের মধ্যে কঙ্গো শিগেমিৎসু জাপানের অন্যতম প্রাচীন মন্দির শিতেন্নোজি নির্মাণে ভূমিকা রাখেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে ওঠে কঙ্গো গুমি, যা বিশ্বের প্রাচীনতম কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মন্দির নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছে এই প্রতিষ্ঠান। আগুনে ধ্বংস হওয়ার পরও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে শেখানো কাঠের জোড়া লাগানোর বিশেষ কৌশলে মন্দির পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। তবে মেইজি পুনর্গঠনের পর ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন প্রতিষ্ঠানটিকে কঠিন সংকটে ফেলে। পরবর্তী সময়ে আর্থিক বিপর্যয়, যুদ্ধকালীন উৎপাদন পরিবর্তন এবং নির্মাণক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ঘাটতিও তাদের টিকে থাকার লড়াইকে কঠিন করে তোলে।

A modern-day Kongo Gumi craftsman gets to work. The company employs one member of the Kongo family, a descendant of the 40th-generation head and now the family’s 41st-generation successor.

শেষ পর্যন্ত একটি নির্মাণগোষ্ঠীর সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটি টিকে যায় এবং ঐতিহ্য বজায় রেখেই আধুনিক কার্যক্রমে যুক্ত হয়। উত্তরাধিকার নির্ধারণে রক্তসম্পর্কের বদলে যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া—এই নীতিও দীর্ঘস্থায়ীত্বের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

সহস্র বছরের পুরোনো উষ্ণ প্রস্রবণ সরাইখানা

ইয়ামানাশি প্রদেশের পাহাড়ঘেরা উপত্যকায় অবস্থিত নিশিয়ামা অনসেন কেইউনকান ৭০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বের প্রাচীনতম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হোটেল হিসেবে স্বীকৃত। পঞ্চাশের বেশি প্রজন্ম ধরে একই পরিবার এটি পরিচালনা করেছে।

চিকিৎসা সুবিধা সীমিত থাকা সময়ে খনিজসমৃদ্ধ উষ্ণ পানির আরোগ্যক্ষমতার জন্য এই স্থান খ্যাতি পায়। ইতিহাসজুড়ে সম্রাট, সামন্তপ্রভু ও কবিদের আগমন এর মর্যাদা বাড়িয়েছে। তবে বন্যা ও পাহাড়ধসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বারবার ক্ষতির কারণ হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল দর্শন ছিল একটিমাত্র ব্যবসায় মনোযোগ রাখা এবং অতিরিক্ত সম্প্রসারণ এড়িয়ে চলা। এখনও ঐতিহ্যবাহী জাপানি আতিথেয়তা—তাতামি মাদুরে ঘুম, ফুতোন বিছানা ও স্বকীয় খাবার—অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে, যদিও বিদেশি অতিথির সংখ্যা বাড়ছে।

Shopping streets in Japan, such as this one in **Gifu, give off an air of old‑school charm. If you want to find the truly old companies, you will have better luck in Kyoto.

ইকেবানা শিল্পের ধারাবাহিকতা

জাপানি ফুল সাজানোর প্রাচীন শিল্প ইকেবানার সবচেয়ে পুরোনো ও বৃহৎ বিদ্যালয় ইকেনোবো। এর শিকড় প্রায় ১,৪০০ বছর আগে কিয়োটোর এক মন্দিরকেন্দ্রিক ধর্মীয় আচার থেকে শুরু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নান্দনিক ও আধ্যাত্মিক দর্শনের বিকাশ ঘটিয়ে এটি স্বতন্ত্র শিল্পরূপ পায়।

মেইজি যুগে সামন্তপৃষ্ঠপোষকতা বিলুপ্ত হওয়ায় বহু ঐতিহ্যবাহী শিল্পের মতো ইকেবানাও সংকটে পড়ে। পরে নারীশিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে এটি নতুন ভিত্তি লাভ করে এবং দেশজুড়ে বিস্তার লাভ করে। বর্তমানে জাপানজুড়ে শত শত শাখা ও বিদেশে বহু কেন্দ্র এই শিল্পচর্চা চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘস্থায়ী প্রতিষ্ঠানের সাধারণ বৈশিষ্ট্য

জাপানে শত বছরের বেশি পুরোনো প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কয়েক দশ হাজার, যার একটি বড় অংশ বিশ্বের মোট দীর্ঘস্থায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পড়ে। পারিবারিক পরিচালনা, মিতব্যয়িতা, মানের প্রতি আপসহীনতা এবং স্থানীয় সমাজের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক—এসব বৈশিষ্ট্য তাদের টিকিয়ে রেখেছে।

Natural disasters are not uncommon at the five-story pagoda of Shitennoji in Osaka, a site central to Kongo Gumi’s work for centuries.

তবে জনসংখ্যা হ্রাস, উত্তরসূরি সংকট, ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়াও হয়েছে। তবু স্থানীয় আর্থিক সহায়তা বা একই খাতের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ঐতিহ্য রক্ষার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।

ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সন্ধিক্ষণ

প্রাচীন নির্মাণশিল্প, উষ্ণ প্রস্রবণের আতিথেয়তা কিংবা ফুল সাজানোর নন্দনতত্ত্ব—এসবের প্রতি আন্তর্জাতিক আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। জাপানের স্বতন্ত্র সৌন্দর্যবোধ ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতাই এই আগ্রহের মূল কারণ।

দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেও শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কীভাবে ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে ভবিষ্যতের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো যায়। তাদের দীর্ঘ ইতিহাস ইঙ্গিত দেয়, অভিযোজন ও মূল্যবোধের ভারসাম্যই টিকে থাকার প্রকৃত চাবিকাঠি।

Members of Kongo Gumi prepare for a traditional ceremony marking the start of construction this year.

 

Nishiyama Onsen Keiunkan in Yamanashi Prefecture, founded in 705, has operated continuously for more than 1,300 years, weathering floods, landslides and shifting eras of Japanese history.

 

Founded more than a millennium ago, Keiunkan offers travelers a stay shaped by its remarkable history.

 

The Ikenobo school of ikebana, Japan’s oldest and largest tradition of flower arrangement, spans formal exhibitions and everyday practice.

 

People visit an Ikenobo exhibition featuring works created at one of the school’s 400 branches nationwide.