০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্যারাকোয়াটের মরণফাঁদ: সস্তা আগাছানাশকে ঝরছে শত শত প্রাণ নীতিনির্ধারকদের জন্য বাজারের সতর্কবার্তা: ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতিতে আস্থার সংকট কতটা গভীর? পেটের মেদ বাড়লে বাড়ে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি, জানুন নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় ধর্ষণ মামলার পর আত্মগোপন, অপহরণের দাবিও ভুয়া: শিবির নেতার বিরুদ্ধে নতুন বিতর্ক সিঙ্গুরে টাটাদের ফেরানোর আশ্বাস, বিনিয়োগ টানতে নতুন রোডম্যাপের ইঙ্গিত ইরানঘেঁষা তেলবাহী জাহাজে হামলা ঘিরে উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া প্রতিবাদ ভারতের ব্রিটেনে রাষ্ট্রীয় মালিকানা বিতর্ক নতুন করে জোরালো, কিন্তু সমাধান কি সত্যিই সেখানে?  ভারতে  খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ায় মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৩.৯ শতাংশে, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ন্যাটোর দিকে ঝুঁকছে তুরস্ক, বদলে যাচ্ছে আঙ্কারার কৌশল বিশ্বকাপের ইতিহাসে বিতর্কের ছায়া, কেলেঙ্কারি পেরিয়েই ফুটবলের মহোৎসব

ডোনাল্ড লূ’র ভিজিট কি নিতান্তই রুটিন ওয়ার্ক! 

  • Sarakhon Report
  • ০২:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪
  • 148

ঢাকায় পৌঁছেছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন মার্কিন এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় অবতরণ করেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিন ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র সফরটিকে নিতান্তই একটি রুটিন সফর হিসেবে মনে করছেন বাংলাদেশে কাজ করে গেছেন এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত। 

তিনি বলেন,  যে দায়িত্বে ডোনাল্ড লু আছেন এই দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় এটাই তাঁর ওই এলাকাগুলোতে শেষ ভিজিট। এবং সাধারণত দ্বায়িত্বের শেষ মেয়াদে সকলে এটা করে থাকেন। তাই এই ভিজিটকে রুটিন ভিজিটের বেশি বাড়তি কোন সিদ্ধান্তমূলক ভিজিট হিসেবে দেখার খুব বেশি যুক্তি নেই বা সাধারণত ঘটে না।

তিনি বলেন, যদিও তিনি এখন সিস্টেমের বাইরে। তাই তার কাছে ওইভাবে কোন তথ্য নেই। তবে তারপরেও তিনি মনে করে, এখানে প্রথম বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নতুন সরকারের সঙ্গে দেখা করেলেন ও লু তার শেষ ভিজিটিও শেষ করলেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ও মার্কিনিদের যে পারস্পারিক বিষয়গুলো আছে তা কিছুটা আলোচনায় আসবেই। সেগুলোকেও তিনি মনে করেন একটা রুটিন ওয়ার্ক।

তাছাড়া মার্কিন পরারাষ্ট্রনীতিতে যেহেতু ডেমেক্রেসি ও মানবাধিকারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়া হয়। সেগুলো এ কোন পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কোন দেশ সফর করলে অবশ্যই ওই বিষয়ে কথা বলেন। এবং মার্কিন এই উদার গণতান্ত্রিক নীতি যাতে এগিয়ে যায় সে জন্য তার বক্তব্য ও চেষ্টা থাকে।

রোহিঙ্গা সমস্যা অত্যন্ত জটিল। এ নিয়ে এ মুহূর্তে তাদের কিছু করার আছে বলে তিনি মনে করেন না।তবে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময়্  এ ধরনের বিষয়ে কাজ করে। যে কোন উদ্বাস্তুদের জন্যে কাজ করা তাদের মানবাধিকার নীতির মধ্যে পড়ে। এ সফরে এ বিষয়টি নিয়ে খুব কিছু এগোনেরা সুযোগ আছে বলে তিনি মনে করেন না।

তবে ইন্দো প্যাসিফিকে বাংলাদেশ যাতে শান্তির পক্ষে অর্থাত্‌ আমেরিকার ও তার মিত্ররা যে শান্তির পথ তৈরি করার চেষ্টা করছে সেই পথে থাকে সেটা স্মরন করিয়ে দেয়া তার অনান্য বারের সফরের মত তিনি আবারও একটি রুটিন ওয়ার্ক।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্যারাকোয়াটের মরণফাঁদ: সস্তা আগাছানাশকে ঝরছে শত শত প্রাণ

ডোনাল্ড লূ’র ভিজিট কি নিতান্তই রুটিন ওয়ার্ক! 

০২:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিন ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র সফরটিকে নিতান্তই একটি রুটিন সফর হিসেবে মনে করছেন বাংলাদেশে কাজ করে গেছেন এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত। 

তিনি বলেন,  যে দায়িত্বে ডোনাল্ড লু আছেন এই দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় এটাই তাঁর ওই এলাকাগুলোতে শেষ ভিজিট। এবং সাধারণত দ্বায়িত্বের শেষ মেয়াদে সকলে এটা করে থাকেন। তাই এই ভিজিটকে রুটিন ভিজিটের বেশি বাড়তি কোন সিদ্ধান্তমূলক ভিজিট হিসেবে দেখার খুব বেশি যুক্তি নেই বা সাধারণত ঘটে না।

তিনি বলেন, যদিও তিনি এখন সিস্টেমের বাইরে। তাই তার কাছে ওইভাবে কোন তথ্য নেই। তবে তারপরেও তিনি মনে করে, এখানে প্রথম বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নতুন সরকারের সঙ্গে দেখা করেলেন ও লু তার শেষ ভিজিটিও শেষ করলেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ও মার্কিনিদের যে পারস্পারিক বিষয়গুলো আছে তা কিছুটা আলোচনায় আসবেই। সেগুলোকেও তিনি মনে করেন একটা রুটিন ওয়ার্ক।

তাছাড়া মার্কিন পরারাষ্ট্রনীতিতে যেহেতু ডেমেক্রেসি ও মানবাধিকারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়া হয়। সেগুলো এ কোন পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কোন দেশ সফর করলে অবশ্যই ওই বিষয়ে কথা বলেন। এবং মার্কিন এই উদার গণতান্ত্রিক নীতি যাতে এগিয়ে যায় সে জন্য তার বক্তব্য ও চেষ্টা থাকে।

রোহিঙ্গা সমস্যা অত্যন্ত জটিল। এ নিয়ে এ মুহূর্তে তাদের কিছু করার আছে বলে তিনি মনে করেন না।তবে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময়্  এ ধরনের বিষয়ে কাজ করে। যে কোন উদ্বাস্তুদের জন্যে কাজ করা তাদের মানবাধিকার নীতির মধ্যে পড়ে। এ সফরে এ বিষয়টি নিয়ে খুব কিছু এগোনেরা সুযোগ আছে বলে তিনি মনে করেন না।

তবে ইন্দো প্যাসিফিকে বাংলাদেশ যাতে শান্তির পক্ষে অর্থাত্‌ আমেরিকার ও তার মিত্ররা যে শান্তির পথ তৈরি করার চেষ্টা করছে সেই পথে থাকে সেটা স্মরন করিয়ে দেয়া তার অনান্য বারের সফরের মত তিনি আবারও একটি রুটিন ওয়ার্ক।