০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙন: গৃহহীন ৫০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ সাতক্ষীরায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব: শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, অন্ধকারে বহু এলাকা এক-এগারোর ডিজিএফআই প্রধান আফজাল নাছের গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ শুরু গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে, ১২ এপ্রিলের পর আর থাকছে না সিলেটে হামের আতঙ্ক: হাসপাতালে ভর্তি ১২ শিশু, বাড়ছে সংক্রমণ তেলের দামে ঝড়: ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারে ব্রেন্ট, হুথি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট কুয়েতে বিদ্যুৎ ও পানি প্ল্যান্টে ইরানি হামলা, নিহত ভারতীয় কর্মী মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন, ইরান ইস্যুতে পরবর্তী পদক্ষেপ ভাবছেন ট্রাম্প ইরানি উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাতে সমুদ্রে চলাচল নিষিদ্ধ করল বাহরাইন

ডোনাল্ড লূ’র ভিজিট কি নিতান্তই রুটিন ওয়ার্ক! 

  • Sarakhon Report
  • ০২:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪
  • 119

ঢাকায় পৌঁছেছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন মার্কিন এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় অবতরণ করেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিন ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র সফরটিকে নিতান্তই একটি রুটিন সফর হিসেবে মনে করছেন বাংলাদেশে কাজ করে গেছেন এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত। 

তিনি বলেন,  যে দায়িত্বে ডোনাল্ড লু আছেন এই দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় এটাই তাঁর ওই এলাকাগুলোতে শেষ ভিজিট। এবং সাধারণত দ্বায়িত্বের শেষ মেয়াদে সকলে এটা করে থাকেন। তাই এই ভিজিটকে রুটিন ভিজিটের বেশি বাড়তি কোন সিদ্ধান্তমূলক ভিজিট হিসেবে দেখার খুব বেশি যুক্তি নেই বা সাধারণত ঘটে না।

তিনি বলেন, যদিও তিনি এখন সিস্টেমের বাইরে। তাই তার কাছে ওইভাবে কোন তথ্য নেই। তবে তারপরেও তিনি মনে করে, এখানে প্রথম বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নতুন সরকারের সঙ্গে দেখা করেলেন ও লু তার শেষ ভিজিটিও শেষ করলেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ও মার্কিনিদের যে পারস্পারিক বিষয়গুলো আছে তা কিছুটা আলোচনায় আসবেই। সেগুলোকেও তিনি মনে করেন একটা রুটিন ওয়ার্ক।

তাছাড়া মার্কিন পরারাষ্ট্রনীতিতে যেহেতু ডেমেক্রেসি ও মানবাধিকারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়া হয়। সেগুলো এ কোন পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কোন দেশ সফর করলে অবশ্যই ওই বিষয়ে কথা বলেন। এবং মার্কিন এই উদার গণতান্ত্রিক নীতি যাতে এগিয়ে যায় সে জন্য তার বক্তব্য ও চেষ্টা থাকে।

রোহিঙ্গা সমস্যা অত্যন্ত জটিল। এ নিয়ে এ মুহূর্তে তাদের কিছু করার আছে বলে তিনি মনে করেন না।তবে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময়্  এ ধরনের বিষয়ে কাজ করে। যে কোন উদ্বাস্তুদের জন্যে কাজ করা তাদের মানবাধিকার নীতির মধ্যে পড়ে। এ সফরে এ বিষয়টি নিয়ে খুব কিছু এগোনেরা সুযোগ আছে বলে তিনি মনে করেন না।

তবে ইন্দো প্যাসিফিকে বাংলাদেশ যাতে শান্তির পক্ষে অর্থাত্‌ আমেরিকার ও তার মিত্ররা যে শান্তির পথ তৈরি করার চেষ্টা করছে সেই পথে থাকে সেটা স্মরন করিয়ে দেয়া তার অনান্য বারের সফরের মত তিনি আবারও একটি রুটিন ওয়ার্ক।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙন: গৃহহীন ৫০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক

ডোনাল্ড লূ’র ভিজিট কি নিতান্তই রুটিন ওয়ার্ক! 

০২:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিন ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র সফরটিকে নিতান্তই একটি রুটিন সফর হিসেবে মনে করছেন বাংলাদেশে কাজ করে গেছেন এমন একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত। 

তিনি বলেন,  যে দায়িত্বে ডোনাল্ড লু আছেন এই দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় এটাই তাঁর ওই এলাকাগুলোতে শেষ ভিজিট। এবং সাধারণত দ্বায়িত্বের শেষ মেয়াদে সকলে এটা করে থাকেন। তাই এই ভিজিটকে রুটিন ভিজিটের বেশি বাড়তি কোন সিদ্ধান্তমূলক ভিজিট হিসেবে দেখার খুব বেশি যুক্তি নেই বা সাধারণত ঘটে না।

তিনি বলেন, যদিও তিনি এখন সিস্টেমের বাইরে। তাই তার কাছে ওইভাবে কোন তথ্য নেই। তবে তারপরেও তিনি মনে করে, এখানে প্রথম বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নতুন সরকারের সঙ্গে দেখা করেলেন ও লু তার শেষ ভিজিটিও শেষ করলেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ও মার্কিনিদের যে পারস্পারিক বিষয়গুলো আছে তা কিছুটা আলোচনায় আসবেই। সেগুলোকেও তিনি মনে করেন একটা রুটিন ওয়ার্ক।

তাছাড়া মার্কিন পরারাষ্ট্রনীতিতে যেহেতু ডেমেক্রেসি ও মানবাধিকারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয়া হয়। সেগুলো এ কোন পর্যায়ের কোন কর্মকর্তা কোন দেশ সফর করলে অবশ্যই ওই বিষয়ে কথা বলেন। এবং মার্কিন এই উদার গণতান্ত্রিক নীতি যাতে এগিয়ে যায় সে জন্য তার বক্তব্য ও চেষ্টা থাকে।

রোহিঙ্গা সমস্যা অত্যন্ত জটিল। এ নিয়ে এ মুহূর্তে তাদের কিছু করার আছে বলে তিনি মনে করেন না।তবে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময়্  এ ধরনের বিষয়ে কাজ করে। যে কোন উদ্বাস্তুদের জন্যে কাজ করা তাদের মানবাধিকার নীতির মধ্যে পড়ে। এ সফরে এ বিষয়টি নিয়ে খুব কিছু এগোনেরা সুযোগ আছে বলে তিনি মনে করেন না।

তবে ইন্দো প্যাসিফিকে বাংলাদেশ যাতে শান্তির পক্ষে অর্থাত্‌ আমেরিকার ও তার মিত্ররা যে শান্তির পথ তৈরি করার চেষ্টা করছে সেই পথে থাকে সেটা স্মরন করিয়ে দেয়া তার অনান্য বারের সফরের মত তিনি আবারও একটি রুটিন ওয়ার্ক।