মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় বিশ্বের আর্থিক বাজারে ব্যাপক স্বস্তির হাওয়া বইছে। বুধবার একদিনেই তেলের দাম ১৬ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলারে নেমে এসেছে, যেখানে মঙ্গলবার তা ১১৭ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডও ১৭ শতাংশ পড়েছে।

শেয়ারবাজারে বিশাল উত্থান
ওয়াল স্ট্রিটে ডাউ জোনস ১ হাজার ৩০০ পয়েন্টেরও বেশি বেড়েছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং নাসডাক উভয়ই ২.৫ থেকে ৩.৫ শতাংশ উঠেছে। এশিয়াতে সবচেয়ে বড় উত্থান ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপিতে — প্রায় ৭ শতাংশ। জাপানের নিক্কেই বেড়েছে ৫.৪ শতাংশ। ইউরোপেও জার্মানির ডাক্স ৫ শতাংশ বেড়েছে।
স্বস্তি আছে, কিন্তু বিপদ যায়নি
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে এই স্বস্তি সাময়িক হতে পারে। দুই সপ্তাহের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হলে বাজার আবার ধাক্কা খাবে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলার কারণে ইরান হরমুজ আবার বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছে। জেপিমরগ্যান চেজের বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজার শান্তির মূল্য নির্ধারণ করছে না — করছে কেবল দুই সপ্তাহের আলোচনার সুযোগের।
বাংলাদেশের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি তেলের দাম কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমবে, আমদানি বিল হ্রাস পাবে এবং মুদ্রার ওপর চাপ কিছুটা কমবে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















