০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসায় ক্রিস্টোফার নোলান, ‘ভারতের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতা’ পাকিস্তানে মৌসুমি বৃষ্টির তাণ্ডব: আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষয়ক্ষতি, আরও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা যুক্তরাজ্যে ধনীদের সংখ্যা কমছে: আর্থিক সংকটের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে মিলিয়নিয়ার, কারণ কী? জাপানের কুমামোতোতে শক্তিশালী ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প, ভবন ধস-আগুন, আরও বড় কম্পনের সতর্কতা লেনদেনের কূটনীতি নয়, টেকসই শান্তির জন্য চাই রাজনৈতিক সমঝোতা সুপ্রিম নেতা মোজতাবা খামেনির খোঁজে সিআইএ-মোসাদের গোপন অভিযান, আড়ালে ইরানের নতুন ক্ষমতার কেন্দ্র ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ‘পাকিস্তান যুদ্ধজয়ীর মতো’ সংবর্ধনা, লোকসভায় বিজেপিকে কটাক্ষ কংগ্রেসের খাগড়াছড়ির পাহাড়ি এলাকায় ইউপিডিএফ ও জেএসএসের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি, ছোড়া হয় ২০০-৩০০ রাউন্ড গুলি ট্রাম্প-পরবর্তী বিশ্বে এশিয়া কেন দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছে, আর ইউরোপ কেন এখনও অতীত আঁকড়ে? রাষ্ট্রের শক্তি কি দমন-পীড়নে, নাকি জনগণের আস্থায়?

ভোজ্যতেলের প্যাকেট হবে নির্দিষ্ট মাপে, দাম তুলনা সহজ করতে নতুন নিয়ম ভারতের

ভারতে ভোজ্যতেলের বাজারে মূল্য তুলনা আরও সহজ করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে দেশটিতে ভোজ্যতেল উৎপাদক ও আমদানিকারকদের নির্দিষ্ট কিছু মানসম্মত প্যাকেট আকারে পণ্য বিক্রি করতে হবে। সরকারের মতে, এই উদ্যোগের ফলে ভোক্তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তেলের দাম সহজে তুলনা করতে পারবেন এবং কোন পণ্য বেশি সাশ্রয়ী তা দ্রুত বুঝতে পারবেন।

বর্তমানে ভারতের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভোজ্যতেল নানা ধরনের অস্বাভাবিক ও ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বিক্রি হয়। ফলে একই ধরনের পণ্যের দাম তুলনা করা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ে। সরকার বলছে, এই পরিস্থিতি দূর করতেই নতুন মান নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দিষ্ট নয়টি প্যাকেট আকার

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোজ্যতেল শুধুমাত্র নয়টি নির্ধারিত আকারের প্যাকেটে বিক্রি করা যাবে। এসব প্যাকেটের পরিমাণ ২০০ মিলিলিটার থেকে শুরু করে ২০ লিটার পর্যন্ত হবে। এর মাধ্যমে বর্তমানে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন অনিয়মিত আকারের প্যাকেটের পরিবর্তে একটি অভিন্ন মানদণ্ড চালু হবে।

নিয়মটি দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত—উভয় ধরনের ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এর আওতায় পাম তেল, সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, সরিষার তেল এবং চিনাবাদাম তেলসহ প্রধান ভোজ্যতেলগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিন মাসের সময় পেল কোম্পানিগুলো

নতুন নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য উৎপাদক ও আমদানিকারকদের তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাদের প্যাকেজিং ব্যবস্থা নতুন মান অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।

সরকার জানিয়েছে, যেসব পণ্যের পরিমাণ আয়তন বা ভলিউম হিসেবে উল্লেখ করা হবে, সেসব প্যাকেটের গায়ে সমপরিমাণ ওজনও উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা আরও সহজে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রকৃত মূল্য তুলনা করতে পারবেন।

কিছু পণ্যে ছাড়

তবে ২০০ মিলিলিটারের কম আকারের প্যাকেট এবং তুলনামূলক কম ব্যবহৃত কিছু ভোজ্যতেলকে এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য, স্বল্প আয়ের ভোক্তাদের জন্য ছোট আকারের সাশ্রয়ী প্যাকেট বাজারে বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।

শিল্পখাতের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত

ভারতের ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ জানিয়েছে, সিদ্ধান্তটি নেওয়ার আগে শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। যেসব শিল্প সংগঠন দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ ভোজ্যতেল খাতকে প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতেই এই নতুন নীতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সরকারের আশা, মানসম্মত প্যাকেট আকার চালুর ফলে বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে, ভোক্তারা আরও সচেতনভাবে কেনাকাটা করতে পারবেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে মূল্য প্রতিযোগিতাও স্পষ্ট হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসায় ক্রিস্টোফার নোলান, ‘ভারতের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতা’

ভোজ্যতেলের প্যাকেট হবে নির্দিষ্ট মাপে, দাম তুলনা সহজ করতে নতুন নিয়ম ভারতের

০৯:২৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

ভারতে ভোজ্যতেলের বাজারে মূল্য তুলনা আরও সহজ করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে দেশটিতে ভোজ্যতেল উৎপাদক ও আমদানিকারকদের নির্দিষ্ট কিছু মানসম্মত প্যাকেট আকারে পণ্য বিক্রি করতে হবে। সরকারের মতে, এই উদ্যোগের ফলে ভোক্তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তেলের দাম সহজে তুলনা করতে পারবেন এবং কোন পণ্য বেশি সাশ্রয়ী তা দ্রুত বুঝতে পারবেন।

বর্তমানে ভারতের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভোজ্যতেল নানা ধরনের অস্বাভাবিক ও ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বিক্রি হয়। ফলে একই ধরনের পণ্যের দাম তুলনা করা অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ে। সরকার বলছে, এই পরিস্থিতি দূর করতেই নতুন মান নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দিষ্ট নয়টি প্যাকেট আকার

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোজ্যতেল শুধুমাত্র নয়টি নির্ধারিত আকারের প্যাকেটে বিক্রি করা যাবে। এসব প্যাকেটের পরিমাণ ২০০ মিলিলিটার থেকে শুরু করে ২০ লিটার পর্যন্ত হবে। এর মাধ্যমে বর্তমানে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন অনিয়মিত আকারের প্যাকেটের পরিবর্তে একটি অভিন্ন মানদণ্ড চালু হবে।

নিয়মটি দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত—উভয় ধরনের ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এর আওতায় পাম তেল, সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, সরিষার তেল এবং চিনাবাদাম তেলসহ প্রধান ভোজ্যতেলগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিন মাসের সময় পেল কোম্পানিগুলো

নতুন নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য উৎপাদক ও আমদানিকারকদের তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাদের প্যাকেজিং ব্যবস্থা নতুন মান অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।

সরকার জানিয়েছে, যেসব পণ্যের পরিমাণ আয়তন বা ভলিউম হিসেবে উল্লেখ করা হবে, সেসব প্যাকেটের গায়ে সমপরিমাণ ওজনও উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা আরও সহজে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রকৃত মূল্য তুলনা করতে পারবেন।

কিছু পণ্যে ছাড়

তবে ২০০ মিলিলিটারের কম আকারের প্যাকেট এবং তুলনামূলক কম ব্যবহৃত কিছু ভোজ্যতেলকে এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য, স্বল্প আয়ের ভোক্তাদের জন্য ছোট আকারের সাশ্রয়ী প্যাকেট বাজারে বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে।

শিল্পখাতের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত

ভারতের ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ জানিয়েছে, সিদ্ধান্তটি নেওয়ার আগে শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। যেসব শিল্প সংগঠন দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ ভোজ্যতেল খাতকে প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতেই এই নতুন নীতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সরকারের আশা, মানসম্মত প্যাকেট আকার চালুর ফলে বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে, ভোক্তারা আরও সচেতনভাবে কেনাকাটা করতে পারবেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে মূল্য প্রতিযোগিতাও স্পষ্ট হবে।