বিশ্বের অন্যতম সফল জিমন্যাস্ট সিমোন বাইলস হঠাৎই এক রহস্যময় স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, চলতি সপ্তাহে এমন একটি অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, যেখানে তিনি নিজেকে ‘প্রায় মৃত্যুর কাছাকাছি’ বলে অনুভব করেছেন।
তবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই মার্কিন ক্রীড়াতারকা। তার এই বার্তা ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ও কৌতূহল দুটোই তৈরি করেছে।
ভয়াবহ অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত
২৯ বছর বয়সী বাইলস জানান, ব্যক্তিগত বিষয় সাধারণত প্রকাশ্যে আনতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা এতটাই ভয়ংকর ছিল যে তা নিয়ে কিছুটা হলেও কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি বলেন, সপ্তাহের শুরুতে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে যা তার জীবনের সবচেয়ে ভীতিকর অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। বর্তমানে তিনি বিশ্রামে আছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
হাসপাতালের ছবি, কিন্তু কারণ অজানা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাইলস হাসপাতালের রোগীদের হাতে ব্যবহৃত কয়েকটি পরিচয় ব্যান্ডের ছবিও শেয়ার করেছেন। পাশাপাশি তিনি ফুলের তোড়ার ছবিও প্রকাশ করেন এবং কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তার ভাষায়, এই সময়ে অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন, হাসপাতালে গিয়েছেন এবং মানসিক সমর্থন দিয়েছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্বামী ছিলেন অন্য শহরে
বাইলস ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ঘটনার সময় তার স্বামী জোনাথন ওয়েন্স পেশাগত দায়িত্বে অন্য শহরে ছিলেন। ফলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল।
তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে পুরো ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন।
ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম সেরা
সিমোন বাইলসকে আধুনিক জিমন্যাস্টিক্স ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ক্রীড়াবিদদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অলিম্পিক ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে তার ঝুলিতে রয়েছে ৪১টি পদক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য বাধা অতিক্রম করে তিনি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছেন।
তার সাম্প্রতিক স্বাস্থ্যসংকটের খবর প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে ভক্তরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। যদিও ঘটনাটির প্রকৃত কারণ এখনও অজানা, তবু বাইলসের বার্তা থেকে স্পষ্ট যে এটি তার জীবনের অত্যন্ত কঠিন ও আতঙ্কজনক একটি অধ্যায় ছিল।
সিমোন বাইলসের রহস্যময় স্বাস্থ্যসংকট নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ‘প্রায় মারা যাচ্ছিলাম’ মন্তব্যে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















