০৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
আস্থার সংকটে বিনিয়োগ ঃঝুঁকিতে কর্মসংস্থান অ্যাম্বুলেন্সেই রক্ত দেওয়ার নতুন উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রে, প্রাণ বাঁচাতে বড় পরিবর্তনের আশা ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ৫১২ রোগী জুলাই শহীদ গেজেট পেতে জালিয়াতি করলে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, ৫ বছর কারাদণ্ড স্কটল্যান্ডের সমুদ্রে জেলিফিশের আতঙ্ক কতটা, সাঁতার কাটতে কি সত্যিই ভয় পাওয়ার দরকার? হলি উইলবির নতুন ইউটিউব শো: বদলে যাওয়া ইমেজেও সমালোচকদের মন জয় করতে পারেননি অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান তদন্তে স্বাধীন নিরীক্ষক চান ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পদত্যাগের পরও ওডিশায় বিজেপির ‘শক্তিমান’ ধমেন্দ্র প্রধান দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ জায়ান্টদের ৯৫০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি, এনভিডিয়া-ওপেনএআইসহ মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ বাড়ছে ইন্দোনেশিয়ায় চাহিদার মাত্র ৮ শতাংশ সয়াবিন উৎপাদন, আমদানিনির্ভরতা কমাতে ভর্তুকির পথে সরকার

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা: ১৪ বছর পর তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরে ২০১২ সালে এক সবজি ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর জেলা শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আয়ুব আলী সরদারের ছেলে চান সরদার (৪২) ও তারা সরদার (৩৫), এবং জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই দণ্ডপ্রাপ্ত চান সরদার ও তারা সরদার পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি

মামলার তথ্য অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের মধ্যে সবজি ব্যবসায়ী ফয়সাল শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

নিহত ফয়সাল শেখ আলীপুর এলাকার আকু শেখের ছেলে এবং পেশায় সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনার পর তার মা ফিরোজা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত ও বিচার

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে মামলার এক আসামি শাহীন সরদার মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়।

অবশিষ্ট তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক দুই দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরে ২০১২ সালের আলোচিত এই হত্যা মামলার রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সমাপ্তি হলো।

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, ২০১২ সালের হত্যাকাণ্ডে দীর্ঘ বিচার শেষে আদালতের রায় ঘোষণা।

জনপ্রিয় সংবাদ

আস্থার সংকটে বিনিয়োগ ঃঝুঁকিতে কর্মসংস্থান

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা: ১৪ বছর পর তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

০৫:৪০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরে ২০১২ সালে এক সবজি ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর জেলা শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আয়ুব আলী সরদারের ছেলে চান সরদার (৪২) ও তারা সরদার (৩৫), এবং জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই দণ্ডপ্রাপ্ত চান সরদার ও তারা সরদার পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি

মামলার তথ্য অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের মধ্যে সবজি ব্যবসায়ী ফয়সাল শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

নিহত ফয়সাল শেখ আলীপুর এলাকার আকু শেখের ছেলে এবং পেশায় সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনার পর তার মা ফিরোজা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত ও বিচার

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে মামলার এক আসামি শাহীন সরদার মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়।

অবশিষ্ট তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক দুই দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরে ২০১২ সালের আলোচিত এই হত্যা মামলার রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সমাপ্তি হলো।

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, ২০১২ সালের হত্যাকাণ্ডে দীর্ঘ বিচার শেষে আদালতের রায় ঘোষণা।