১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রশিক্ষণে তরুণদের চুক্তি আলোচনার দক্ষতা উন্নয়ন  ৭ জুন নিজস্ব সম্পদ রক্ষার স্মারক ও পথ হিসেবে সকলেরই পালন জরুরি  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চিপ উন্মাদনা: স্থায়ী শিল্পবিপ্লব নাকি আরেকটি বাজার-ভ্রম? মতিঝিলে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই, সিসিটিভি ফুটেজে খোঁজ চলছে দুর্বৃত্তদের গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার নতুন ৯ম পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়ন, বেতন-ভাতায় বড় সুবিধা পাবেন চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীরা শূন্যরেখায় ৪০ ঘণ্টা আটকা ১১ জন, অনিশ্চয়তায় নারী-শিশুসহ পুশইনের শিকার পরিবার লেবাননে ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ সাতক্ষীরায়, শোকে স্তব্ধ দুই পরিবার ময়মনসিংহে বেইলি সেতু ধসে বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ, নদীতে পড়ল বালুবাহী ট্রাক নওগাঁয় জমি বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪

 ৭ জুন নিজস্ব সম্পদ রক্ষার স্মারক ও পথ হিসেবে সকলেরই পালন জরুরি

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি। আর অর্থনৈতিক মুক্তি তখন হয় যখন একটি দেশ তার নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজের সম্পদ ব্যবহার করতে পারে ও অর্থনৈতিক যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

বাংলাদেশের যে সমৃদ্ধ হওয়ার মতো সম্পদ আছে ও তা যথাব্যবহার করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হতে পারে- তার সত্যতা পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদরা বার বার বলছেন। ইমরান খানের আমলে পাকিস্তান নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখালেও সে দেশের অর্থনীতিবিদরা বলেছিলেন, অত কিছু পাকিস্তানের দরকার নেই- শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশ তৈরি করেছে ওই বাংলাদেশের মতোই অর্থনীতি তৈরি করুন না। আর সর্বশেষ ১ জুন ২০২৬ ,পাকিস্তানের এইচ বি এল ব্যাংকের চেয়ারম্যান সুলতানা আলী আল্লানা তার লেখায় লিখেছেন, পাকিস্তানকে ১৯৭৪ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ করতে হয়েছিল, বাংলাদেশ সৃষ্টি হবার ফলে পাকিস্তানের সম্পদের অভাবে; কোনো নীতির কারণে নয়।

তাই ২০২৬ এসে নতুন করে বলার কোনো প্রয়োজন নেই, বাংলাদেশ বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বাস্তবেই ছিল পাকিস্তানের মূল সম্পদভূমি। আর নিজস্ব এই সম্পদ নিজের অধিকারে রাখার জন্যই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ৬ দফা দাবি দেন- আইয়ুব খানের ভাষায় যা বাস্তবায়ন করলে আর একক পাকিস্তান থাকে না।

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

১৯৭০ এর নির্বাচনের পরে বঙ্গবন্ধুও বলেছিলেন, ৬ দফার দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলনের সঙ্গেও আপোস করা হবে না। আর সে আপোস হয়নি বলেই আজকের বাংলাদেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ যে সঠিকভাবে পরিচালিত হলে অর্থনৈতিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় সব থেকে ভালো থাকে সেটা শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রমাণিত হয়েছিল। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিবেচিত হবার দিনক্ষণও ঠিক হয়ে যায়।

আজ বাংলাদেশের সে অবস্থা আর নেই। বাংলাদেশ নিজ উদ্যোগে আবেদন করেছে তাকে নিম্ন আয়ের দেশে রাখা হোক। আর সেটা থাকতেই পারলেই বাংলাদেশের জন্য এখন সুখবর। অন্যদিকে পত্রপত্রিকায় বাংলাদেশ- আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যতটুকু কথা আসছে তাতেই স্পষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশ তার সম্পদ নিজের ইচ্ছায় ব্যবহারের কিছুটা হলেও অধিকার হারিয়েছে।

অথচ এই নিজের সম্পদ নিজেই স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার জন্য ১৯৬৬ সালে ৭ জুন মনুমিয়া সহ অসংখ্য মানুষ ৬ দফার জন্য রাজপথে জীবন দিয়েছিলেন। দরিদ্র থাকবে না বলেই তারা জীবন দিয়েছিলেন।

তাই আজ যখন দারিদ্র্য ধেয়ে আসছে ও সম্পদের ওপর অপরের নির্দেশনা ও খবরদারি এসে উপস্থিত হচ্ছে- সে সময়ে ৭ জুনের আদর্শই বাংলাদেশের সকল মানুষকে আবার মনে করিয়ে দেয়। সকলের জন্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায় দেশের স্বার্থে, দেশের সম্পদের স্বার্থে ৭ জুন পালন করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রশিক্ষণে তরুণদের চুক্তি আলোচনার দক্ষতা উন্নয়ন

 ৭ জুন নিজস্ব সম্পদ রক্ষার স্মারক ও পথ হিসেবে সকলেরই পালন জরুরি

০৮:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি। আর অর্থনৈতিক মুক্তি তখন হয় যখন একটি দেশ তার নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজের সম্পদ ব্যবহার করতে পারে ও অর্থনৈতিক যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

বাংলাদেশের যে সমৃদ্ধ হওয়ার মতো সম্পদ আছে ও তা যথাব্যবহার করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হতে পারে- তার সত্যতা পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদরা বার বার বলছেন। ইমরান খানের আমলে পাকিস্তান নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখালেও সে দেশের অর্থনীতিবিদরা বলেছিলেন, অত কিছু পাকিস্তানের দরকার নেই- শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশ তৈরি করেছে ওই বাংলাদেশের মতোই অর্থনীতি তৈরি করুন না। আর সর্বশেষ ১ জুন ২০২৬ ,পাকিস্তানের এইচ বি এল ব্যাংকের চেয়ারম্যান সুলতানা আলী আল্লানা তার লেখায় লিখেছেন, পাকিস্তানকে ১৯৭৪ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ করতে হয়েছিল, বাংলাদেশ সৃষ্টি হবার ফলে পাকিস্তানের সম্পদের অভাবে; কোনো নীতির কারণে নয়।

তাই ২০২৬ এসে নতুন করে বলার কোনো প্রয়োজন নেই, বাংলাদেশ বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বাস্তবেই ছিল পাকিস্তানের মূল সম্পদভূমি। আর নিজস্ব এই সম্পদ নিজের অধিকারে রাখার জন্যই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ৬ দফা দাবি দেন- আইয়ুব খানের ভাষায় যা বাস্তবায়ন করলে আর একক পাকিস্তান থাকে না।

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

১৯৭০ এর নির্বাচনের পরে বঙ্গবন্ধুও বলেছিলেন, ৬ দফার দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলনের সঙ্গেও আপোস করা হবে না। আর সে আপোস হয়নি বলেই আজকের বাংলাদেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ যে সঠিকভাবে পরিচালিত হলে অর্থনৈতিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় সব থেকে ভালো থাকে সেটা শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রমাণিত হয়েছিল। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিবেচিত হবার দিনক্ষণও ঠিক হয়ে যায়।

আজ বাংলাদেশের সে অবস্থা আর নেই। বাংলাদেশ নিজ উদ্যোগে আবেদন করেছে তাকে নিম্ন আয়ের দেশে রাখা হোক। আর সেটা থাকতেই পারলেই বাংলাদেশের জন্য এখন সুখবর। অন্যদিকে পত্রপত্রিকায় বাংলাদেশ- আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যতটুকু কথা আসছে তাতেই স্পষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশ তার সম্পদ নিজের ইচ্ছায় ব্যবহারের কিছুটা হলেও অধিকার হারিয়েছে।

অথচ এই নিজের সম্পদ নিজেই স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার জন্য ১৯৬৬ সালে ৭ জুন মনুমিয়া সহ অসংখ্য মানুষ ৬ দফার জন্য রাজপথে জীবন দিয়েছিলেন। দরিদ্র থাকবে না বলেই তারা জীবন দিয়েছিলেন।

তাই আজ যখন দারিদ্র্য ধেয়ে আসছে ও সম্পদের ওপর অপরের নির্দেশনা ও খবরদারি এসে উপস্থিত হচ্ছে- সে সময়ে ৭ জুনের আদর্শই বাংলাদেশের সকল মানুষকে আবার মনে করিয়ে দেয়। সকলের জন্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায় দেশের স্বার্থে, দেশের সম্পদের স্বার্থে ৭ জুন পালন করা।