০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
লাজুক জুঁই তেলবাজারে স্বস্তির আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি, দীর্ঘ সংঘাতে নতুন সংকটের আশঙ্কা চীনা ই-ট্রাক স্টার্টআপ উইন্ডরোজে বেতন বকেয়ার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন গুগলের এআই বিপ্লব: বিজ্ঞাপন শিল্পে কেন বাড়ছে অনিশ্চয়তা? দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন পরিকল্পনা, নতুন প্রতিযোগিতার মুখে ইন্দো-প্যাসিফিক চীন-উত্তর কোরিয়া শীর্ষ বৈঠকে সবচেয়ে বড় বার্তা: পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে নীরবতা রাজস্ব ঘাটতির পেছনে মূল্যস্ফীতি, ব্যবসায় লোকসান ও উৎপাদন কমার প্রভাব: সংসদে অর্থমন্ত্রী বিশাখাপত্তনম ইস্পাত কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ শ্রমিক রমনা থানা যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত, আরও এক নেতাকে বহিষ্কার ইন্ডিয়া জোটের নতুন কৌশল, প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট প্রাণহানি ৬৩১

দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর খবর জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ জোরদার করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৮০ জন আক্রান্ত হয়েছে।

মৃত্যু ও সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের কারণে এবং হামের উপসর্গে মোট ৬৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত ৯২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৫৩৯ জন। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩১ জনে পৌঁছেছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৩ জনে।

এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬ হাজার ১৭০ জন। আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর এই সংখ্যা সংক্রমণের বিস্তারের চিত্র তুলে ধরছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, সারাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে, যাতে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায় এবং রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংক্রমণ ও মৃত্যুর ধারাবাহিক বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি নিবিড় নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লাজুক জুঁই

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট প্রাণহানি ৬৩১

০৫:৪২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর খবর জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ জোরদার করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৮০ জন আক্রান্ত হয়েছে।

মৃত্যু ও সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের কারণে এবং হামের উপসর্গে মোট ৬৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত ৯২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৫৩৯ জন। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩১ জনে পৌঁছেছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৩ জনে।

এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬ হাজার ১৭০ জন। আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর এই সংখ্যা সংক্রমণের বিস্তারের চিত্র তুলে ধরছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, সারাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে, যাতে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায় এবং রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংক্রমণ ও মৃত্যুর ধারাবাহিক বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি নিবিড় নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।