০৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
মোদির পাকিস্তান নীতি: সংলাপহীনতার আড়ালে কি আঞ্চলিক আধিপত্যের রাজনীতি? বিদ্যুৎ সংকটের নেপথ্যে জ্বালানি, ডলার, বকেয়া ও আস্থার সংকট উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে সংসদে অমিত শাহের লেকচার শুনতে আগ্রহী নই: রাহুল গান্ধী লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরে একদিনে তিন জাহাজে হামলা, নিহত ৬; ৩ পাকিস্তানি ট্রাম্পকে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয় এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে, ইরানি হামলার আশঙ্কায় চমকপ্রদ নিরাপত্তা অভিযান তালেবান শাসনে ২৪ লাখ আফগান কিশোরীর মাধ্যমিক শিক্ষা বন্ধ, অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান ইউনেস্কোর বাইডেনের স্বাস্থ্য সংকট ডেমোক্র্যাটদের গভীর রাজনৈতিক সংকটও উন্মোচন করছে লোডশেডিং ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎ অফিসে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আবেদন মশাখালীতে যমুনা এক্সপ্রেস থামিয়ে আন্দোলন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ

হরমুজ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বস্তির সুযোগ: প্রবাসী, রেমিট্যান্স ও জ্বালানির ভবিষ্যৎ

মার্কিন-ইরান শান্তিচুক্তির সুফলভোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ হতে পারে অন্যতম। গত চার মাসের হরমুজ সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি করেছে, এই চুক্তি সেটি কাটিয়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশের বার্ষিক রেমিট্যান্সের প্রায় ৫০ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। শুধু সৌদি আরব থেকে প্রতি মাসে আসে প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন ডলার। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ৭০ লাখেরও বেশি।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অনেক নির্মাণ প্রকল্প থেমে গেছে, ফ্লাইট বাতিলে অনেকে আটকে পড়েছেন, বেতনও বন্ধ হয়েছে অনেকের। ফলে চুক্তি কার্যকর হলে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যও ধীরে ধীরে স্বস্তির পথ খুলতে পারে।

বাংলাদেশ বার্ষিক প্রায় ৬২ লাখ টন জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ পথে আসে। গত চার মাসে শুধু জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হলে পরিস্থিতি ধীরে স্বাভাবিক হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারে কয়েক মাস লাগতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদির পাকিস্তান নীতি: সংলাপহীনতার আড়ালে কি আঞ্চলিক আধিপত্যের রাজনীতি?

হরমুজ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বস্তির সুযোগ: প্রবাসী, রেমিট্যান্স ও জ্বালানির ভবিষ্যৎ

০৬:১৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

মার্কিন-ইরান শান্তিচুক্তির সুফলভোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ হতে পারে অন্যতম। গত চার মাসের হরমুজ সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি করেছে, এই চুক্তি সেটি কাটিয়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশের বার্ষিক রেমিট্যান্সের প্রায় ৫০ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। শুধু সৌদি আরব থেকে প্রতি মাসে আসে প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন ডলার। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ৭০ লাখেরও বেশি।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অনেক নির্মাণ প্রকল্প থেমে গেছে, ফ্লাইট বাতিলে অনেকে আটকে পড়েছেন, বেতনও বন্ধ হয়েছে অনেকের। ফলে চুক্তি কার্যকর হলে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যও ধীরে ধীরে স্বস্তির পথ খুলতে পারে।

বাংলাদেশ বার্ষিক প্রায় ৬২ লাখ টন জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ পথে আসে। গত চার মাসে শুধু জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হলে পরিস্থিতি ধীরে স্বাভাবিক হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারে কয়েক মাস লাগতে পারে।