মার্কিন-ইরান শান্তিচুক্তির সুফলভোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ হতে পারে অন্যতম। গত চার মাসের হরমুজ সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি করেছে, এই চুক্তি সেটি কাটিয়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে।
বাংলাদেশের বার্ষিক রেমিট্যান্সের প্রায় ৫০ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। শুধু সৌদি আরব থেকে প্রতি মাসে আসে প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন ডলার। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা ৭০ লাখেরও বেশি।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অনেক নির্মাণ প্রকল্প থেমে গেছে, ফ্লাইট বাতিলে অনেকে আটকে পড়েছেন, বেতনও বন্ধ হয়েছে অনেকের। ফলে চুক্তি কার্যকর হলে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যও ধীরে ধীরে স্বস্তির পথ খুলতে পারে।
বাংলাদেশ বার্ষিক প্রায় ৬২ লাখ টন জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ পথে আসে। গত চার মাসে শুধু জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হলে পরিস্থিতি ধীরে স্বাভাবিক হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারে কয়েক মাস লাগতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















