০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তুমুল বিতর্ক, রাহুলের দাবি বদলের অভিযোগে কেন্দ্রের পাল্টা আক্রমণ তাপপ্রবাহে স্বাস্থ্যঝুঁকি কতটা? দক্ষিণ ভারতে শুরু বড় গবেষণা মধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পাস, তুমুল বিক্ষোভের মধ্যেই বিধানসভায় অনুমোদন আসামের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ, বাদ পড়াদের আপিল প্রক্রিয়া চালুর দাবি নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কে টানা অচল ভারতের সংসদ, শিক্ষার্থী দমন-পীড়নের অভিযোগে সরব বিরোধীরা প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা আটক বিশ্বকাপের হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পর রোজারিওতে ফিরলেন মেসি, বিশ্রামে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নাতাঞ্জের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলার হুমকি, টানা একাদশ রাতেও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল, নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মিখাইলো দ্রাপাতি ভারতে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, মোদির কঠোর বার্তার পরও রাজপথে হাজারো তরুণ

কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি, রয়েছে ৭৭ হাজার ৪০ জন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানালেন

দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি বন্দি রাখা হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে অনুমোদিত আসনের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি অবস্থান করছেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের ৭৫টি কারাগারের মোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জন। তবে বর্তমানে এসব কারাগারে বন্দি রয়েছেন ৭৭ হাজার ৪০ জন।

ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি বন্দি

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কারাগারগুলোতে বর্তমানে বন্দির সংখ্যা অনুমোদিত ধারণক্ষমতার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এতে কারাগার ব্যবস্থাপনার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, বিদ্যমান অবকাঠামোর তুলনায় বন্দির সংখ্যা প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ।

বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত বন্দির চাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে আলোচিত হয়ে আসছে। সংসদে উপস্থাপিত সর্বশেষ তথ্যেও সেই চিত্রই উঠে এসেছে।

বন্দিদের জন্য মুনাফার অংশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, কারাগারে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির মুনাফার ৫০ শতাংশ বন্দিদের দেওয়া হয়।

কারাগারে বন্দিদের বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরির উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য বিক্রির আয় থেকে বন্দিরা সরাসরি আর্থিকভাবে উপকৃত হওয়ার সুযোগ পান।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা এখনও ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি থাকলেও বন্দিদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ড এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফার অংশ বন্দিদের মধ্যে বণ্টনের বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।

কারাগারে বন্দি সংখ্যা ৭৭ হাজার ছাড়িয়েছে, যা দেশের কারা ব্যবস্থাপনার ওপর বিদ্যমান চাপের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তুমুল বিতর্ক, রাহুলের দাবি বদলের অভিযোগে কেন্দ্রের পাল্টা আক্রমণ

কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি, রয়েছে ৭৭ হাজার ৪০ জন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানালেন

০৮:২০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি বন্দি রাখা হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে অনুমোদিত আসনের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি অবস্থান করছেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের ৭৫টি কারাগারের মোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জন। তবে বর্তমানে এসব কারাগারে বন্দি রয়েছেন ৭৭ হাজার ৪০ জন।

ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি বন্দি

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কারাগারগুলোতে বর্তমানে বন্দির সংখ্যা অনুমোদিত ধারণক্ষমতার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এতে কারাগার ব্যবস্থাপনার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, বিদ্যমান অবকাঠামোর তুলনায় বন্দির সংখ্যা প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ।

বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত বন্দির চাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে আলোচিত হয়ে আসছে। সংসদে উপস্থাপিত সর্বশেষ তথ্যেও সেই চিত্রই উঠে এসেছে।

বন্দিদের জন্য মুনাফার অংশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, কারাগারে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির মুনাফার ৫০ শতাংশ বন্দিদের দেওয়া হয়।

কারাগারে বন্দিদের বিভিন্ন উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরির উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য বিক্রির আয় থেকে বন্দিরা সরাসরি আর্থিকভাবে উপকৃত হওয়ার সুযোগ পান।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা এখনও ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি থাকলেও বন্দিদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ড এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফার অংশ বন্দিদের মধ্যে বণ্টনের বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।

কারাগারে বন্দি সংখ্যা ৭৭ হাজার ছাড়িয়েছে, যা দেশের কারা ব্যবস্থাপনার ওপর বিদ্যমান চাপের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।