০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
খুলনায় গৃহকর্মী নির্যাতন: গ্রেপ্তার পুলিশ দম্পতি, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা শুধু পানি নয়, উন্নত রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি জলনিরাপত্তা ইসলামাবাদ সমঝোতা নিয়ে মোদিকে নিশানা, ভারতের কূটনীতিতে ধাক্কার অভিযোগ কংগ্রেসের শুধু ‘লুক ইস্ট’ নয়: অনিশ্চিত বিশ্বে জাপান–মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অর্থ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক, দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাকর্মী সরানোয় তৃণমূলের ক্ষোভ শিশুদের সুরক্ষা নাকি ডিজিটাল স্বাধীনতার সংকোচন? ফাঁস হওয়া নথিতে টিকটকের অন্ধকার দিক: রাতভর স্ক্রলিংয়ে আসক্ত কোটি তরুণ গ্রামীণ কিশোরীদের ৬৪ শতাংশ মাসিকজনিত সমস্যায় ভোগে, স্কুল ফাঁকি দিতে বাধ্য এক-চতুর্থাংশ সিলেট-সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় আকস্মিক বন্যার শঙ্কা, সতর্কবার্তা জারি গাজীপুরে কারখানার পানি পান করে অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক

হামে ভয়াবহতা বাড়ছে, মৃতের সংখ্যা ৬৬৬

DinajpurTV |

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় মৃত্যুর সংখ্যাও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, নতুন করে যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের সবাইকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সন্দেহভাজন হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৩ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৩ জন।

নতুন সংক্রমণও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ৯ জন নতুন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে সারা দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনে।

একই সময়ে পরীক্ষাগারে আরও ১৩৯ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে দেশে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ৭৭৩ জনে পৌঁছেছে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৪ হাজার ১৮৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এর মধ্যে ৭০ হাজার ৫০৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে নতুন রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সতর্কতার ওপর জোর

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা, জ্বর ও র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা রোগটির বিস্তার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশজুড়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যসেবার ওপরও চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় গৃহকর্মী নির্যাতন: গ্রেপ্তার পুলিশ দম্পতি, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা

হামে ভয়াবহতা বাড়ছে, মৃতের সংখ্যা ৬৬৬

০৫:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় মৃত্যুর সংখ্যাও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, নতুন করে যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের সবাইকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সন্দেহভাজন হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৩ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৩ জন।

নতুন সংক্রমণও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১ হাজার ৯ জন নতুন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে সারা দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনে।

একই সময়ে পরীক্ষাগারে আরও ১৩৯ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে দেশে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ৭৭৩ জনে পৌঁছেছে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৪ হাজার ১৮৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এর মধ্যে ৭০ হাজার ৫০৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে নতুন রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সতর্কতার ওপর জোর

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা, জ্বর ও র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা রোগটির বিস্তার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশজুড়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যসেবার ওপরও চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।