০৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
ভারতের গরমে বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা, টিকে থাকার নতুন লড়াই মানুষের ঘৃণাবিরোধী বার্তায় ফিফার জোরালো উদ্যোগ, বিশ্বকাপের মঞ্চে ঐক্যের ডাক অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, সিআইডির জালে দুই তরুণ নীট পুনঃপরীক্ষার আগে টেলিগ্রাম সীমিত, কারণ ব্যাখ্যা করল ভারত সরকার মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তির অগ্রগতি, দ্রুত সমঝোতার নির্দেশ তৃণমূল ও শিবসেনার অস্থিরতায় সংসদে এগোচ্ছে এনডিএ, তবু সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্য এখনও দূরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদহার অপরিবর্তিত, মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসও কমল খুলনায় গৃহকর্মী নির্যাতন: গ্রেপ্তার পুলিশ দম্পতি, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা শুধু পানি নয়, উন্নত রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি জলনিরাপত্তা ইসলামাবাদ সমঝোতা নিয়ে মোদিকে নিশানা, ভারতের কূটনীতিতে ধাক্কার অভিযোগ কংগ্রেসের

গ্রামীণ কিশোরীদের ৬৪ শতাংশ মাসিকজনিত সমস্যায় ভোগে, স্কুল ফাঁকি দিতে বাধ্য এক-চতুর্থাংশ

বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলের প্রতি তিনজন কিশোরীর মধ্যে প্রায় দুজন মাসিকজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। এর মধ্যে তীব্র মাসিকব্যথা বা ডিসমেনোরিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, যা অনেকের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করছে এবং স্কুলে অনুপস্থিতির কারণ হচ্ছে। একই সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার (এসআরএইচআর) বিষয়ে জ্ঞানের বড় ঘাটতির বিষয়টিও সামনে এসেছে।

বুধবার ঢাকার কানাডা ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) পরিচালিত ‘অ্যাডসার্চ’ গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।

দুই বছরব্যাপী গবেষণার চিত্র

গবেষণাটি ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পরিচালিত ২৪ মাসের একটি কোহর্ট স্টাডির অংশ। এতে আইসিডিডিআর,বির বালিয়াকান্দি স্বাস্থ্য ও জনমিতি নজরদারি ব্যবস্থার (এইচডিএসএস) আওতায় ২ হাজার ৭১৩ জন কিশোর-কিশোরীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রতি চার মাস অন্তর তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

গবেষণার একটি অংশে ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১ হাজার ২৫৫ জন কিশোরীকে অনুসরণ করা হয়। এতে দেখা যায়, ৬৪ শতাংশ কিশোরী অন্তত একটি মাসিকজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ তীব্র মাসিকব্যথার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে। প্রতি তিনজনের একজন গবেষণাকালে অন্তত তিন বা তার বেশি মাসিক চক্রে ব্যথায় ভুগেছে এবং ৯ শতাংশ কিশোরী দীর্ঘস্থায়ী মাসিকব্যথার কথা জানিয়েছে।

শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব

গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪০ শতাংশ কিশোরী জানিয়েছে, মাসিকের ব্যথা তাদের স্বাভাবিক দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে প্রতি চারজনের একজন স্কুলে অনুপস্থিত থাকতে বাধ্য হয়েছে মাসিকের ব্যথা বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে।

যেসব কিশোরী দীর্ঘস্থায়ী মাসিকব্যথায় ভুগেছে, তাদের ৪৩ শতাংশের ক্ষেত্রে আরও অন্যান্য মাসিকজনিত জটিলতাও দেখা গেছে। গবেষকরা বলছেন, বিষয়টি কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষাজীবনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

কিশোরীদের শিক্ষায় ঋতুস্রাবের প্রভাব

প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে জ্ঞানের ঘাটতি

গবেষণার আরেকটি অংশে বালিয়াকান্দি ও রাজবাড়ীর ১৬ বছর বয়সী ১ হাজার ৭৭ জন অবিবাহিত কিশোর-কিশোরীর মধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্ঞান মূল্যায়ন করা হয়।

এতে দেখা যায়, ৩৪ শতাংশ ছেলে জানে না যে মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার পর গর্ভধারণ সম্ভব। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার ১৬ শতাংশ। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কেও জ্ঞানের ঘাটতি স্পষ্ট। যেখানে ৮৪ শতাংশ ছেলে কনডম সম্পর্কে জানে, সেখানে মেয়েদের মধ্যে এ হার মাত্র ৪৫ শতাংশ। জরুরি গর্ভনিরোধক বড়ি সম্পর্কে জানে মাত্র ৪ শতাংশ মেয়ে, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে এই হার ৩৮ শতাংশ।

বিয়ের আগের জ্ঞান কমাতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে ধারণা থাকা মেয়েদের অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। যাদের এ বিষয়ে জ্ঞান ছিল, তাদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের হার ছিল ৫ শতাংশ, আর জ্ঞান না থাকা মেয়েদের ক্ষেত্রে তা ছিল ১০ শতাংশ।

গবেষণাকালীন প্রায় ২০০ কিশোরীর বিয়ে হয়েছে এবং ৭২ জন গর্ভবতী হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, বিয়ের আগেই সঠিক প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ

সেমিনারে কিশোর-কিশোরীদের কাছে নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দিতে অ্যাডসার্চের দুটি উদ্যোগও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে স্মার্টফোনভিত্তিক শিক্ষামূলক প্রকল্প, যা ৮৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারীর পছন্দ পেয়েছে। এছাড়া ‘কৈশোর-কথা’ নামে একটি বিনামূল্যের বাংলা মোবাইল অ্যাপ রয়েছে, যেখানে অ্যানিমেটেড ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক এবং প্রচলিত ভুল ধারণা ও বাস্তব তথ্যভিত্তিক উপকরণ যুক্ত করা হয়েছে।

সেমিনারের আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা গ্রামীণ কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক সংকোচ দূর করা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিয়ের আগে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান এবং কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যশিক্ষা, মাসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং নির্ভরযোগ্য প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

গ্রামীণ কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য সংকট ও প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্ঞানের ঘাটতি তুলে ধরেছে আইসিডিডিআর,বির নতুন গবেষণা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের গরমে বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা, টিকে থাকার নতুন লড়াই মানুষের

গ্রামীণ কিশোরীদের ৬৪ শতাংশ মাসিকজনিত সমস্যায় ভোগে, স্কুল ফাঁকি দিতে বাধ্য এক-চতুর্থাংশ

০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলের প্রতি তিনজন কিশোরীর মধ্যে প্রায় দুজন মাসিকজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। এর মধ্যে তীব্র মাসিকব্যথা বা ডিসমেনোরিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, যা অনেকের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করছে এবং স্কুলে অনুপস্থিতির কারণ হচ্ছে। একই সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার (এসআরএইচআর) বিষয়ে জ্ঞানের বড় ঘাটতির বিষয়টিও সামনে এসেছে।

বুধবার ঢাকার কানাডা ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) পরিচালিত ‘অ্যাডসার্চ’ গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।

দুই বছরব্যাপী গবেষণার চিত্র

গবেষণাটি ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পরিচালিত ২৪ মাসের একটি কোহর্ট স্টাডির অংশ। এতে আইসিডিডিআর,বির বালিয়াকান্দি স্বাস্থ্য ও জনমিতি নজরদারি ব্যবস্থার (এইচডিএসএস) আওতায় ২ হাজার ৭১৩ জন কিশোর-কিশোরীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রতি চার মাস অন্তর তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

গবেষণার একটি অংশে ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১ হাজার ২৫৫ জন কিশোরীকে অনুসরণ করা হয়। এতে দেখা যায়, ৬৪ শতাংশ কিশোরী অন্তত একটি মাসিকজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ তীব্র মাসিকব্যথার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে। প্রতি তিনজনের একজন গবেষণাকালে অন্তত তিন বা তার বেশি মাসিক চক্রে ব্যথায় ভুগেছে এবং ৯ শতাংশ কিশোরী দীর্ঘস্থায়ী মাসিকব্যথার কথা জানিয়েছে।

শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব

গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪০ শতাংশ কিশোরী জানিয়েছে, মাসিকের ব্যথা তাদের স্বাভাবিক দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে প্রতি চারজনের একজন স্কুলে অনুপস্থিত থাকতে বাধ্য হয়েছে মাসিকের ব্যথা বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে।

যেসব কিশোরী দীর্ঘস্থায়ী মাসিকব্যথায় ভুগেছে, তাদের ৪৩ শতাংশের ক্ষেত্রে আরও অন্যান্য মাসিকজনিত জটিলতাও দেখা গেছে। গবেষকরা বলছেন, বিষয়টি কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষাজীবনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

কিশোরীদের শিক্ষায় ঋতুস্রাবের প্রভাব

প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে জ্ঞানের ঘাটতি

গবেষণার আরেকটি অংশে বালিয়াকান্দি ও রাজবাড়ীর ১৬ বছর বয়সী ১ হাজার ৭৭ জন অবিবাহিত কিশোর-কিশোরীর মধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্ঞান মূল্যায়ন করা হয়।

এতে দেখা যায়, ৩৪ শতাংশ ছেলে জানে না যে মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার পর গর্ভধারণ সম্ভব। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার ১৬ শতাংশ। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সম্পর্কেও জ্ঞানের ঘাটতি স্পষ্ট। যেখানে ৮৪ শতাংশ ছেলে কনডম সম্পর্কে জানে, সেখানে মেয়েদের মধ্যে এ হার মাত্র ৪৫ শতাংশ। জরুরি গর্ভনিরোধক বড়ি সম্পর্কে জানে মাত্র ৪ শতাংশ মেয়ে, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে এই হার ৩৮ শতাংশ।

বিয়ের আগের জ্ঞান কমাতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে ধারণা থাকা মেয়েদের অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। যাদের এ বিষয়ে জ্ঞান ছিল, তাদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের হার ছিল ৫ শতাংশ, আর জ্ঞান না থাকা মেয়েদের ক্ষেত্রে তা ছিল ১০ শতাংশ।

গবেষণাকালীন প্রায় ২০০ কিশোরীর বিয়ে হয়েছে এবং ৭২ জন গর্ভবতী হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, বিয়ের আগেই সঠিক প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য পৌঁছে দেওয়া জরুরি।

তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ

সেমিনারে কিশোর-কিশোরীদের কাছে নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দিতে অ্যাডসার্চের দুটি উদ্যোগও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে স্মার্টফোনভিত্তিক শিক্ষামূলক প্রকল্প, যা ৮৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারীর পছন্দ পেয়েছে। এছাড়া ‘কৈশোর-কথা’ নামে একটি বিনামূল্যের বাংলা মোবাইল অ্যাপ রয়েছে, যেখানে অ্যানিমেটেড ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক এবং প্রচলিত ভুল ধারণা ও বাস্তব তথ্যভিত্তিক উপকরণ যুক্ত করা হয়েছে।

সেমিনারের আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা গ্রামীণ কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক সংকোচ দূর করা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিয়ের আগে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান এবং কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যশিক্ষা, মাসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং নির্ভরযোগ্য প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

গ্রামীণ কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য সংকট ও প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্ঞানের ঘাটতি তুলে ধরেছে আইসিডিডিআর,বির নতুন গবেষণা।