০৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
হলিউডে বদলে যাচ্ছে প্রেমের সমীকরণ, বয়স্ক নারীর পাশে তরুণ পুরুষ প্রতিদিন এক গ্লাস ফলের জুসে কমতে পারে বিষণ্নতার মাত্রা, বলছে গবেষণা তারকা শেফের যুগ কি শেষ? নোমার রান্নাঘরে বদলের হাওয়া আফগান নারীদের ভুলে যাওয়ার অধিকার আমেরিকার নেই ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে দ্রুত ফেরত চাইলেন তারেক রহমান, হাদির হত্যাকারীদের ফেরানোর অনুরোধ তারেক রহমান-ত্রিবেদী বৈঠক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে নতুন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি সরকার, জবাব দেবেন অমিত শাহ পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে উত্তাল ঝাড়খণ্ড, বিধানসভা অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিল হিরোশিমার ৮টা ১৫ মিনিট: যে মুহূর্তে থমকে গিয়েছিল মানবসভ্যতা, ৮০ বছর পরও যার স্মৃতি কাঁদায় পৃথিবীকে ১৫০ বছর পরও মঞ্চ কাঁপাচ্ছে ওয়াগনারের ‘রিং’ চক্র

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি ইসরায়েলের

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের কার্যক্রম বিস্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করে দুই দেশের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

রিউভেন আজারের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ওপর বিশেষ নজর রাখছে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির কিছু কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রকাশ্য সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এমন কিছু তৎপরতাও থাকতে পারে, যা এখনও জনসমক্ষে আসেনি।

তার মতে, হামাসের হামলার ধরন ও কৌশল অন্য উগ্রপন্থি বা সশস্ত্র সংগঠনগুলোর জন্য অনুকরণীয় মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে বিষয়টি শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলোর কাছেও উদ্বেগের কারণ হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে পালাবদল, কার লাভ কতটা - BBC News বাংলা

পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ

সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশটিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে না।

একই সঙ্গে কাতারের ভূমিকাও ইসরায়েলের কাছে প্রশ্নের মুখে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও কূটনৈতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এসব দেশের ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েলের সংশয়ের ইঙ্গিত দেন।

নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা

রিউভেন আজার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের সম্ভাব্য কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার মতে, ৭ অক্টোবরের হামলার অভিজ্ঞতা অন্য গোষ্ঠীগুলোকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

ইসরায়েলের এই মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে সাক্ষাৎকারে উত্থাপিত দাবিগুলোর পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি করেছে ইসরায়েল। ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে দুই দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।

জনপ্রিয় সংবাদ

হলিউডে বদলে যাচ্ছে প্রেমের সমীকরণ, বয়স্ক নারীর পাশে তরুণ পুরুষ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি ইসরায়েলের

০৮:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের কার্যক্রম বিস্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করে দুই দেশের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

রিউভেন আজারের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ওপর বিশেষ নজর রাখছে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির কিছু কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রকাশ্য সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এমন কিছু তৎপরতাও থাকতে পারে, যা এখনও জনসমক্ষে আসেনি।

তার মতে, হামাসের হামলার ধরন ও কৌশল অন্য উগ্রপন্থি বা সশস্ত্র সংগঠনগুলোর জন্য অনুকরণীয় মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে বিষয়টি শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলোর কাছেও উদ্বেগের কারণ হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে পালাবদল, কার লাভ কতটা - BBC News বাংলা

পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ

সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশটিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে না।

একই সঙ্গে কাতারের ভূমিকাও ইসরায়েলের কাছে প্রশ্নের মুখে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও কূটনৈতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এসব দেশের ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েলের সংশয়ের ইঙ্গিত দেন।

নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা

রিউভেন আজার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের সম্ভাব্য কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার মতে, ৭ অক্টোবরের হামলার অভিজ্ঞতা অন্য গোষ্ঠীগুলোকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

ইসরায়েলের এই মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে সাক্ষাৎকারে উত্থাপিত দাবিগুলোর পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি করেছে ইসরায়েল। ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে দুই দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।