০৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
ভারতে হিন্দুত্ববাদের উত্থানের জন্য নেহরুভিয়ান এলিটরা দায়ী নয় ভারতের বন্যা ও অতি বৃষ্টির পেছনে মানুষের হাত, নতুন গবেষণায় মিলল স্পষ্ট প্রমাণ জি-৭: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির প্রভাবশালী মঞ্চের পাঁচ দশকের যাত্রা খরাপ্রবণ রায়দুর্গমে ফিরছে প্রাণ, পানি সংরক্ষণে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতি ও কৃষির চিত্র চীনের উত্থানের নতুন ভাষা: যুদ্ধজাহাজ নয়, প্রভাবের কূটনীতি নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর নয়, জোটের পরিণত রূপ: দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন বাস্তবতা ভারতে তীব্র গরমে দিনমজুরের সুরক্ষা, তাপমাত্রা বাড়লেই মিলছে আর্থিক সহায়তা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে ফের উত্তাল যন্তর মন্তর, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আসামে ভ্রমণে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক আস্থার নতুন বার্তা লেবাননের সমুদ্র কচ্ছপের অভিভাবক মোনা খলিল আর নেই, হামলায় আহত হয়ে মৃত্যু

ধানমন্ডিতে গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যু, প্রকৌশলী দম্পতি রিমান্ডে

রাজধানীর ধানমন্ডিতে এগারো বছর বয়সী এক গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ফারাহ নুসরাতকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। ভবন থেকে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেলেও, পরিবারের অভিযোগ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।

কীভাবে ঘটল এই ঘটনা

শুক্রবার সকালে ধানমন্ডির নয়/এ সড়কের একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হয় শিশুটি। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্র জানায়, শিশুটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তার বাম হাত ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম শাখা নিশ্চিত করেছে, শনিবার ভোররাতে সাড়ে তিনটার দিকে দম্পতিকে তাদের বাসা থেকে আটক করা হয়।

বাবার অভিযোগ ও পারিবারিক প্রেক্ষাপট

শিশুটির বাবা মো. শাহিন মিয়া জানান, পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে প্রায় এক মাস আগে একজন দালালের মাধ্যমে মেয়েকে গৃহকর্মীর কাজে পাঠানো হয়েছিল। তিনি জানান, এক সপ্তাহ আগে ভিডিও কলে মেয়ের মুখে ফোলাভাব দেখে দালালকে তাকে ফিরিয়ে আনতে বলেছিলেন। শাহিন মিয়া বলেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি সঠিক তদন্ত ও বিচার চান। প্রতিবেশী ও ভবনের কর্মীরা জানিয়েছেন, শিশুটি চলতি মাসের শুরুতে ভবনের এগারো তলার ফ্ল্যাটে কাজ শুরু করেছিল।

আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের ভিত্তিতে শনিবার এই আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা দশ দিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত উভয় আসামির জন্য দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন ও রিমান্ড আবেদন বাতিলের আরজি জানালেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। ঘটনাটি নিয়ে এখনো তদন্ত চলমান থাকায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে হিন্দুত্ববাদের উত্থানের জন্য নেহরুভিয়ান এলিটরা দায়ী নয়

ধানমন্ডিতে গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যু, প্রকৌশলী দম্পতি রিমান্ডে

০৬:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

রাজধানীর ধানমন্ডিতে এগারো বছর বয়সী এক গৃহকর্মী শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ফারাহ নুসরাতকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। ভবন থেকে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেলেও, পরিবারের অভিযোগ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।

কীভাবে ঘটল এই ঘটনা

শুক্রবার সকালে ধানমন্ডির নয়/এ সড়কের একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হয় শিশুটি। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্র জানায়, শিশুটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তার বাম হাত ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম শাখা নিশ্চিত করেছে, শনিবার ভোররাতে সাড়ে তিনটার দিকে দম্পতিকে তাদের বাসা থেকে আটক করা হয়।

বাবার অভিযোগ ও পারিবারিক প্রেক্ষাপট

শিশুটির বাবা মো. শাহিন মিয়া জানান, পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে প্রায় এক মাস আগে একজন দালালের মাধ্যমে মেয়েকে গৃহকর্মীর কাজে পাঠানো হয়েছিল। তিনি জানান, এক সপ্তাহ আগে ভিডিও কলে মেয়ের মুখে ফোলাভাব দেখে দালালকে তাকে ফিরিয়ে আনতে বলেছিলেন। শাহিন মিয়া বলেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি সঠিক তদন্ত ও বিচার চান। প্রতিবেশী ও ভবনের কর্মীরা জানিয়েছেন, শিশুটি চলতি মাসের শুরুতে ভবনের এগারো তলার ফ্ল্যাটে কাজ শুরু করেছিল।

আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের ভিত্তিতে শনিবার এই আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা দশ দিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত উভয় আসামির জন্য দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিন ও রিমান্ড আবেদন বাতিলের আরজি জানালেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। ঘটনাটি নিয়ে এখনো তদন্ত চলমান থাকায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি।